ঢাকা ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

জাতির জনকের জন্মদিনের উপহার পেল বাংলাদেশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

উন্নয়নশীল দেশের কাতারে বাংলাদেশের উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনের স্বীকৃতিপত্রটি মিলেছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে। বিষয়টিকে কাকতালীয় উল্লেখ করে একে জাতির জনকের জন্মদিনের উপহার বলেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন।

শুক্রবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশ মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে মাসুদ মিন মোমেনের হাতে চিঠিটি তুলে দেন সিপিডি সেক্রেটারিয়েটের প্রধান রোলান্ড মোলেরাস।

এ সময় সেখানে জাতির জনকের জন্মদিন পালনের আনুষ্ঠানিকতা চলছিল। আর জাতিসংঘের চিঠি পেয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালিকে সামনে এগিয়ে যাবার প্রেরণা দিয়েছেন, স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন সোনার বাংলা রচনার।…

এ অর্জনের স্বীকৃতির দিনটিও কাকতালীয়ভাবে বাঙালি জাতির মহানায়কের জন্মদিনে পড়ল।’

১৯৭১ সালের ১৭ মার্চ ‘স্বাধীনতা’ সম্বলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিল করেছে এই দেশের শিল্পীরা। সেই দিন হাজারো জনতা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে গেছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সেদিন সাংবাদিকদের জানিয়ে দেন, ‘দুঃখী’ বাংলায় জন্মদিন পালন করেন না তিনি। আর এমন দিনেই উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জনে উচ্ছ্বাস জানিয়েছেন জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা।

জাতিসংঘ বিশ্বের রাষ্ট্রগুলোকে উন্নয়নের দিক থেকে তিন ভাগে চিহ্নিত করেছে। সবার নিচে আছে স্বল্পোনত, দ্বিতীয় ভাগে আছে এবং সবার ওপরে আছে উন্নত দেশ।

বাংলাদেশ এই যোগ্যতা অর্জন করলেও ২০২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উত্তরণ ঘটবে।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, ‘জাতির জনকের স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটাতে সমগ্র বাঙালি জাতি আজ তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।’

‘গোটা বাংলাদেশই আজ উন্নয়নের মহাসড়কে ধাবিত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বে।’

এই অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখতে ২২ মার্চ ঢাকায় সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে জাতিসংঘের কর্মকর্তাদেরও আমন্ত্রণ জানানো হবে বলেও জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমলেই বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছি। এরপর ৪৩ বছর লেগে গেছে পরের ধাপে বাংলাদেশের উত্তরণের।

আর পরে পরের ধাপ অর্থাৎ উন্নত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে চায়। সেই লক্ষ্য নির্ধারণ করেই বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য তিন বছর আগে ২০১৫ সালেই বিশ্ব ব্যাংকের নিম্ম মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্তি হয়েছে বাংলাদেশের। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হতে চাইছে ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানের কবল থেকে মুক্ত হওয়া বাংলাদেশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

জাতির জনকের জন্মদিনের উপহার পেল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৫:৩৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

উন্নয়নশীল দেশের কাতারে বাংলাদেশের উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনের স্বীকৃতিপত্রটি মিলেছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে। বিষয়টিকে কাকতালীয় উল্লেখ করে একে জাতির জনকের জন্মদিনের উপহার বলেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন।

শুক্রবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশ মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে মাসুদ মিন মোমেনের হাতে চিঠিটি তুলে দেন সিপিডি সেক্রেটারিয়েটের প্রধান রোলান্ড মোলেরাস।

এ সময় সেখানে জাতির জনকের জন্মদিন পালনের আনুষ্ঠানিকতা চলছিল। আর জাতিসংঘের চিঠি পেয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালিকে সামনে এগিয়ে যাবার প্রেরণা দিয়েছেন, স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন সোনার বাংলা রচনার।…

এ অর্জনের স্বীকৃতির দিনটিও কাকতালীয়ভাবে বাঙালি জাতির মহানায়কের জন্মদিনে পড়ল।’

১৯৭১ সালের ১৭ মার্চ ‘স্বাধীনতা’ সম্বলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিল করেছে এই দেশের শিল্পীরা। সেই দিন হাজারো জনতা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে গেছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সেদিন সাংবাদিকদের জানিয়ে দেন, ‘দুঃখী’ বাংলায় জন্মদিন পালন করেন না তিনি। আর এমন দিনেই উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জনে উচ্ছ্বাস জানিয়েছেন জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা।

জাতিসংঘ বিশ্বের রাষ্ট্রগুলোকে উন্নয়নের দিক থেকে তিন ভাগে চিহ্নিত করেছে। সবার নিচে আছে স্বল্পোনত, দ্বিতীয় ভাগে আছে এবং সবার ওপরে আছে উন্নত দেশ।

বাংলাদেশ এই যোগ্যতা অর্জন করলেও ২০২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উত্তরণ ঘটবে।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, ‘জাতির জনকের স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটাতে সমগ্র বাঙালি জাতি আজ তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।’

‘গোটা বাংলাদেশই আজ উন্নয়নের মহাসড়কে ধাবিত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বে।’

এই অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখতে ২২ মার্চ ঢাকায় সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে জাতিসংঘের কর্মকর্তাদেরও আমন্ত্রণ জানানো হবে বলেও জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমলেই বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছি। এরপর ৪৩ বছর লেগে গেছে পরের ধাপে বাংলাদেশের উত্তরণের।

আর পরে পরের ধাপ অর্থাৎ উন্নত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে চায়। সেই লক্ষ্য নির্ধারণ করেই বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য তিন বছর আগে ২০১৫ সালেই বিশ্ব ব্যাংকের নিম্ম মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্তি হয়েছে বাংলাদেশের। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হতে চাইছে ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানের কবল থেকে মুক্ত হওয়া বাংলাদেশ।