ঢাকা ১২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেনশন ভোগান্তি কমাতে অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করছে সরকার নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম গ্রেফতার সাপাহার সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় শূন্যরেখায় অবস্থান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী দেশের রপ্তানি আয় ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব : বাণিজ্যমন্ত্রী রোনালদোর জোড়া আঘাত, পর্তুগালের ৫-০ গোলের বড় জয় ভারত থেকে আমদানি ৯.৬২ বিলিয়ন ডলার, রপ্তানি ১.৭৬ বিলিয়ন মারা গেছেন কৃষক কার্ড নিয়ে ভাইরাল সেই কবির হোসেন বিশ্বনেতাদের জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা, সম্মান ও দৃঢ় অবস্থান নিশ্চিত করছেন প্রধানমন্ত্রী:মাহদী আমিন

জাতির জনকের জন্মদিনের উপহার পেল বাংলাদেশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

উন্নয়নশীল দেশের কাতারে বাংলাদেশের উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনের স্বীকৃতিপত্রটি মিলেছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে। বিষয়টিকে কাকতালীয় উল্লেখ করে একে জাতির জনকের জন্মদিনের উপহার বলেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন।

শুক্রবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশ মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে মাসুদ মিন মোমেনের হাতে চিঠিটি তুলে দেন সিপিডি সেক্রেটারিয়েটের প্রধান রোলান্ড মোলেরাস।

এ সময় সেখানে জাতির জনকের জন্মদিন পালনের আনুষ্ঠানিকতা চলছিল। আর জাতিসংঘের চিঠি পেয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালিকে সামনে এগিয়ে যাবার প্রেরণা দিয়েছেন, স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন সোনার বাংলা রচনার।…

এ অর্জনের স্বীকৃতির দিনটিও কাকতালীয়ভাবে বাঙালি জাতির মহানায়কের জন্মদিনে পড়ল।’

১৯৭১ সালের ১৭ মার্চ ‘স্বাধীনতা’ সম্বলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিল করেছে এই দেশের শিল্পীরা। সেই দিন হাজারো জনতা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে গেছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সেদিন সাংবাদিকদের জানিয়ে দেন, ‘দুঃখী’ বাংলায় জন্মদিন পালন করেন না তিনি। আর এমন দিনেই উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জনে উচ্ছ্বাস জানিয়েছেন জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা।

জাতিসংঘ বিশ্বের রাষ্ট্রগুলোকে উন্নয়নের দিক থেকে তিন ভাগে চিহ্নিত করেছে। সবার নিচে আছে স্বল্পোনত, দ্বিতীয় ভাগে আছে এবং সবার ওপরে আছে উন্নত দেশ।

বাংলাদেশ এই যোগ্যতা অর্জন করলেও ২০২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উত্তরণ ঘটবে।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, ‘জাতির জনকের স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটাতে সমগ্র বাঙালি জাতি আজ তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।’

‘গোটা বাংলাদেশই আজ উন্নয়নের মহাসড়কে ধাবিত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বে।’

এই অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখতে ২২ মার্চ ঢাকায় সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে জাতিসংঘের কর্মকর্তাদেরও আমন্ত্রণ জানানো হবে বলেও জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমলেই বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছি। এরপর ৪৩ বছর লেগে গেছে পরের ধাপে বাংলাদেশের উত্তরণের।

আর পরে পরের ধাপ অর্থাৎ উন্নত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে চায়। সেই লক্ষ্য নির্ধারণ করেই বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য তিন বছর আগে ২০১৫ সালেই বিশ্ব ব্যাংকের নিম্ম মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্তি হয়েছে বাংলাদেশের। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হতে চাইছে ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানের কবল থেকে মুক্ত হওয়া বাংলাদেশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পেনশন ভোগান্তি কমাতে অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করছে সরকার

জাতির জনকের জন্মদিনের উপহার পেল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৫:৩৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

উন্নয়নশীল দেশের কাতারে বাংলাদেশের উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনের স্বীকৃতিপত্রটি মিলেছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে। বিষয়টিকে কাকতালীয় উল্লেখ করে একে জাতির জনকের জন্মদিনের উপহার বলেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন।

শুক্রবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশ মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে মাসুদ মিন মোমেনের হাতে চিঠিটি তুলে দেন সিপিডি সেক্রেটারিয়েটের প্রধান রোলান্ড মোলেরাস।

এ সময় সেখানে জাতির জনকের জন্মদিন পালনের আনুষ্ঠানিকতা চলছিল। আর জাতিসংঘের চিঠি পেয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালিকে সামনে এগিয়ে যাবার প্রেরণা দিয়েছেন, স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন সোনার বাংলা রচনার।…

এ অর্জনের স্বীকৃতির দিনটিও কাকতালীয়ভাবে বাঙালি জাতির মহানায়কের জন্মদিনে পড়ল।’

১৯৭১ সালের ১৭ মার্চ ‘স্বাধীনতা’ সম্বলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিল করেছে এই দেশের শিল্পীরা। সেই দিন হাজারো জনতা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে গেছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সেদিন সাংবাদিকদের জানিয়ে দেন, ‘দুঃখী’ বাংলায় জন্মদিন পালন করেন না তিনি। আর এমন দিনেই উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জনে উচ্ছ্বাস জানিয়েছেন জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা।

জাতিসংঘ বিশ্বের রাষ্ট্রগুলোকে উন্নয়নের দিক থেকে তিন ভাগে চিহ্নিত করেছে। সবার নিচে আছে স্বল্পোনত, দ্বিতীয় ভাগে আছে এবং সবার ওপরে আছে উন্নত দেশ।

বাংলাদেশ এই যোগ্যতা অর্জন করলেও ২০২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উত্তরণ ঘটবে।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, ‘জাতির জনকের স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটাতে সমগ্র বাঙালি জাতি আজ তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।’

‘গোটা বাংলাদেশই আজ উন্নয়নের মহাসড়কে ধাবিত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বে।’

এই অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখতে ২২ মার্চ ঢাকায় সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে জাতিসংঘের কর্মকর্তাদেরও আমন্ত্রণ জানানো হবে বলেও জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমলেই বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছি। এরপর ৪৩ বছর লেগে গেছে পরের ধাপে বাংলাদেশের উত্তরণের।

আর পরে পরের ধাপ অর্থাৎ উন্নত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে চায়। সেই লক্ষ্য নির্ধারণ করেই বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য তিন বছর আগে ২০১৫ সালেই বিশ্ব ব্যাংকের নিম্ম মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্তি হয়েছে বাংলাদেশের। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হতে চাইছে ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানের কবল থেকে মুক্ত হওয়া বাংলাদেশ।