ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস রাজনৈতিক পরিবর্তনে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে : ড্যান মজিনা জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে বিএনপি : সালাহউদ্দিন ‘অনিবার্য কারণে’ জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার সংবাদ সম্মেলন স্থগিত যে দল ইসরাইলের টাকায় চলে সেই দলে আমি থাকতে পারি না: রেজা কিবরিয়া নির্বাচনে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারবে না, সবাই সহযোগিতা করলে শান্তিপূর্ণভাবে হয়ে যাবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ‘সবাইকেই তো দেখলাম, এবার জামায়াতকে দেখব’,বক্তব্যের অন্তর্নিহিত গোমর ফাঁস করলেন হামিম

আমি ভবিষ্যতে সতর্ক থাকব: সাকিব

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শ্রীলংকার বিপক্ষে শুক্রবার কলম্বোর প্রেমাদাসায় অনেক নাটক হয়। নো বলের সেই নাটকের একটা পর্যায়ে ক্রিকেটারদের খেলা ছেড়ে দিয়ে মাঠ থেকে চলে আসতে বলেন অধিনায়ক সাকিব।যদিও সেই নাটককে এড়িয়ে ম্যাচে জিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে উঠে যায় বাংলাদেশ।

শ্রীলংকার বিপক্ষে হারলেই ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বিদায় নিতে হবে।এমন কঠিন সমীকরণের ম্যাচে টসে জিতে বোলিংয়ে নেমে ৪১ রানে শ্রীলংকার ৫ উইকেট তুলে নিয়ে চাপের মধ্যে ফেলে দেয় বাংলাদেশ। সেই চাপ সামলিয়ে শেষ পর্যন্ত ১৫৯ রান করেন স্বাগতিকরা।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৩৩ রানে দুই উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ্ও চাপে পড়ে যায়। তৃতীয় উইকেট ৬৪ রানের জুটি গড়ে দলকে খেলায় ফেরান তামিম-মুশফিক। এরপর ১২ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে টাইগাররা।

শুক্রবারের উত্তেজনাকর ম্যাচ নিয়ে খেলা শেষে সাকিব বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে, অনেক বেশি উত্তেজনা, অনেক আবেগ এখানে থাকে। যে কারণে আপনি বেশি আশা করতে পারবেন না। এজন্য শ্রীলংকাকে ক্রেডিট দিতে হয়। তাদের দ্রুত পাঁচ উইকেট তুলে নিয়েছি আমরা। আবার আমরা ব্যাটিংয়ে শুরুতে উইকেট হারিয়ে স্নায়ু চাপে পড়ে গিয়েছিলাম। সেই চাপ সামলিয়ে খেলায় ফিরে আবারও চাপের মুখে পড়েছি। তবে আমরা আমাদের স্নায়ুচাপ সামলিয়ে খেলতে পেরেছি।’

শেষ ওভারে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ১২ রান। ইসুর উদ্যান প্রথম দুই বল ব্যাটসম্যানের মাথার উপর দিয়ে করলেও ফিল্ড আম্পায়ার ‘নো’ বলের কল দেননি। যে কারণে খেলতে অস্বীকৃতি জানায়। ‘নো’ বলের এই নাটক নিয়ে খেলা কিছু সময় বন্ধও থাকে। ব্যাটিংয়ে থাকা মাহমুদউল্লাহ এবং রুবেলকে মাঠ ছেড়ে চলে আসতেও অনুরোধ করেন সাকিব।

খেলা শেষে নো বলের সেই নাটক নিয়ে সাকিব বলেন, ‘মাঠে আমাদের ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। কিন্তু মাঠের বাইরে আমরা ক্রিকেটাররা একে অপরের বন্ধুর মতো। আসলে আমি আমার আবেগ ধরে রাখতে পারিনি। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক হিসেবে ভবিষ্যতে আমকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।’

খেলা শেষে নো বলের সেই নাটক নিয়ে ম্যাচ সেরা মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘আজ মাঠে যা ঘটেছে এটা, আমি ভুলে যেতে চাই। এটা আমার কাছে শুধুই অতীত।

প্রসঙ্গত, শেষ ওভারে জয়ের জন্য টাইগারদের প্রয়োজন ছিল ১২ রান। শেষ ওভারে বোলিংয়ে এসে প্রথম দুই বল নো করেন ইসুর উদ্যান। কিন্তু ফিল্ড আম্পায়ার নো বলের কল করেননি। যে কারণে প্রতিবাদ করেন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা। আম্পায়ারকে বিষয়টি বলা হলেও তাতে কান দেননি।

আম্পায়ারদের এমন সিদ্ধান্তে একটা সময়ে মাঠের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা সাকিব আল হাসান, মাঠে থাকা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং রুবেল হোসেনকে খেলা ছেড়ে চলে আসতে বলেন। কিন্তু রিয়াদ নিজের ওপর আস্থা রেখে ম্যাচ শেষ করতে ফের ব্যাটিং করেন।

ওভারের প্রথম দুই বলে কোন রান না করেই এক উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ। জয়ের জন্য শেষ ৪ বল দরকার ১২ রান। ওভারের তৃতীয় বলে চার মেরে জয়ের পথ সহজ করেন রিয়াদ। পরের বলে রুবেলকে সঙ্গে নিয়ে ডাবল নেন। পঞ্চম বলে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগের উপর দিয়ে ছক্কা মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। তার ছক্কায় জিতে যায় দেশ। বাংলাদেশ চলে যায় ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমি ভবিষ্যতে সতর্ক থাকব: সাকিব

আপডেট সময় ০১:৪৯:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ মার্চ ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শ্রীলংকার বিপক্ষে শুক্রবার কলম্বোর প্রেমাদাসায় অনেক নাটক হয়। নো বলের সেই নাটকের একটা পর্যায়ে ক্রিকেটারদের খেলা ছেড়ে দিয়ে মাঠ থেকে চলে আসতে বলেন অধিনায়ক সাকিব।যদিও সেই নাটককে এড়িয়ে ম্যাচে জিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে উঠে যায় বাংলাদেশ।

শ্রীলংকার বিপক্ষে হারলেই ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বিদায় নিতে হবে।এমন কঠিন সমীকরণের ম্যাচে টসে জিতে বোলিংয়ে নেমে ৪১ রানে শ্রীলংকার ৫ উইকেট তুলে নিয়ে চাপের মধ্যে ফেলে দেয় বাংলাদেশ। সেই চাপ সামলিয়ে শেষ পর্যন্ত ১৫৯ রান করেন স্বাগতিকরা।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৩৩ রানে দুই উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ্ও চাপে পড়ে যায়। তৃতীয় উইকেট ৬৪ রানের জুটি গড়ে দলকে খেলায় ফেরান তামিম-মুশফিক। এরপর ১২ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে টাইগাররা।

শুক্রবারের উত্তেজনাকর ম্যাচ নিয়ে খেলা শেষে সাকিব বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে, অনেক বেশি উত্তেজনা, অনেক আবেগ এখানে থাকে। যে কারণে আপনি বেশি আশা করতে পারবেন না। এজন্য শ্রীলংকাকে ক্রেডিট দিতে হয়। তাদের দ্রুত পাঁচ উইকেট তুলে নিয়েছি আমরা। আবার আমরা ব্যাটিংয়ে শুরুতে উইকেট হারিয়ে স্নায়ু চাপে পড়ে গিয়েছিলাম। সেই চাপ সামলিয়ে খেলায় ফিরে আবারও চাপের মুখে পড়েছি। তবে আমরা আমাদের স্নায়ুচাপ সামলিয়ে খেলতে পেরেছি।’

শেষ ওভারে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ১২ রান। ইসুর উদ্যান প্রথম দুই বল ব্যাটসম্যানের মাথার উপর দিয়ে করলেও ফিল্ড আম্পায়ার ‘নো’ বলের কল দেননি। যে কারণে খেলতে অস্বীকৃতি জানায়। ‘নো’ বলের এই নাটক নিয়ে খেলা কিছু সময় বন্ধও থাকে। ব্যাটিংয়ে থাকা মাহমুদউল্লাহ এবং রুবেলকে মাঠ ছেড়ে চলে আসতেও অনুরোধ করেন সাকিব।

খেলা শেষে নো বলের সেই নাটক নিয়ে সাকিব বলেন, ‘মাঠে আমাদের ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। কিন্তু মাঠের বাইরে আমরা ক্রিকেটাররা একে অপরের বন্ধুর মতো। আসলে আমি আমার আবেগ ধরে রাখতে পারিনি। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক হিসেবে ভবিষ্যতে আমকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।’

খেলা শেষে নো বলের সেই নাটক নিয়ে ম্যাচ সেরা মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘আজ মাঠে যা ঘটেছে এটা, আমি ভুলে যেতে চাই। এটা আমার কাছে শুধুই অতীত।

প্রসঙ্গত, শেষ ওভারে জয়ের জন্য টাইগারদের প্রয়োজন ছিল ১২ রান। শেষ ওভারে বোলিংয়ে এসে প্রথম দুই বল নো করেন ইসুর উদ্যান। কিন্তু ফিল্ড আম্পায়ার নো বলের কল করেননি। যে কারণে প্রতিবাদ করেন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা। আম্পায়ারকে বিষয়টি বলা হলেও তাতে কান দেননি।

আম্পায়ারদের এমন সিদ্ধান্তে একটা সময়ে মাঠের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা সাকিব আল হাসান, মাঠে থাকা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং রুবেল হোসেনকে খেলা ছেড়ে চলে আসতে বলেন। কিন্তু রিয়াদ নিজের ওপর আস্থা রেখে ম্যাচ শেষ করতে ফের ব্যাটিং করেন।

ওভারের প্রথম দুই বলে কোন রান না করেই এক উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ। জয়ের জন্য শেষ ৪ বল দরকার ১২ রান। ওভারের তৃতীয় বলে চার মেরে জয়ের পথ সহজ করেন রিয়াদ। পরের বলে রুবেলকে সঙ্গে নিয়ে ডাবল নেন। পঞ্চম বলে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগের উপর দিয়ে ছক্কা মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। তার ছক্কায় জিতে যায় দেশ। বাংলাদেশ চলে যায় ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে।