ঢাকা ০৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াতের এমপিকে মসজিদে হত্যাচেষ্টা, সংসদে চাইলেন নিরাপত্তা গাইবান্ধায় বজ্রপাতে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কার্যক্রম চলছে : সেতুমন্ত্রী সচিবালয়ে ২১ তলা ভবন নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেয়নি একনেক আত্মঘাতী হামলায় মালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিহত এসি রুমে বসে জনগণের সমস্যা বোঝা যায় না: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল করে সংসদে বিল পাস বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, চিরকুটে পাওয়া গেল শিক্ষকের নাম গত ৩ বছরে প্রায় ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে: বিজিএমইএ পুলিশসহ জরুরি সেবায় জ্বালানি রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

ম্যাচ বর্জন করতে চেয়েছিল বাংলাদেশ, শেষ ওভার ভিডিও

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শুক্রবার রাতে ২ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয়ে নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে বাংলাদেশ। নাটকীয় জয়ের এ ম্যাচে ঘটে যায় অনাকাঙ্খিত এক ঘটনা। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এমনকি ম্যাচ বর্জন করতে চেয়েছিল বাংলাদেশ! অধিনায়ক সাকিব ক্রিজের দুই ব্যাটসম্যান রিয়াদ ও রবেলকে মাঠ থেকে চলে আসতে ইশারা করেছিলেন। তারা ড্রেসিং রুমের দিকে চলেও যাচ্ছিলেন। পরে ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রড এবং অন্যান্যদের মধ্যস্থতায় খেলতে রাজি হয় বাংলাদেশ!

দোষ অবশ্য শ্রীলঙ্কান আম্পায়ারেরই। ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই ঘটে যায় অপ্রীতিকর ঘটনাটি। খেলা বন্ধ থাকে মিনিট দশেক।

শেষ ওভারে বাংলাদেশের দরকার ছিল ১২ রান। ক্রিজে রিয়াদ ও মোস্তাফিজ। বোলার শ্রীলঙ্কান পেসার উদানা। প্রথম বলটি করলেন শর্ট ও বাউন্সার । বলটি মোস্তাফিজের মাথা বরাবর উচুতে ছিল। কিন্তু আম্পায়ার নো, ওয়াইড কোনোটাই ধরেননি।

দ্বিতীয় বলটিও ছিল শর্ট ও বাউন্সার। মোস্তাফিজের মাথার উপর দিয়ে বল চলে যায় উইকেট কিপারের হাতে। দৌঁড়ে রান নিতে গিয়ে রান আউট হন মোস্তাফিজ। কিন্তু এই বলটি লেগ আম্পায়ার নো ডেকেছিলেন। কিন্তু বোলিংএন্ডের আম্পায়ার তা নাকচ করে দেন।

এখানেই বাঁধে ঝামেলা। প্রতিবাদ করতে থাকেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আম্পায়ারের সঙ্গে জড়ান তর্কে। উপর থেকে মাঠের দিকে নেমে আসেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। রিয়াদ ও রুবেলকে মাঠ ছেড়ে চলে আসতে বলেন। আম্পায়ারের এমন বাজে সিদ্ধান্তে প্রতিক্রিয়া দেখাতে থাকেন ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজনসহ পুরো দল।

ম্যাচ রেফরি, টিভি কমেনটেটর ও অন্যান্য কর্মকর্তারা সাকিবকে বোঝাতে থাকেন। কিন্তু কিছুতেই নরম হচ্ছিলেন না সাকিব। এক পর্যায়ে গিয়ে অবশ্য নরম হন তিনি। ব্যাট করতে ক্রিজে যান রিয়াদ ও রুবেল।

প্রথম দুই বলে রান না হওযায় চার বলে দরকার ছিল ১২ রান। প্রথম বলে চার, এরপর ২ এবং পরের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে শেষমেশ নাটকীয় জয় তুলে নেন রিয়াদ। ১৮ বলে ৪৩ রানে নট আউট থেকে ম্যাচসেরা হন তিনি।

নো বলের ঘটনায় শ্রীলঙ্কান ক্রিকোরদের সঙ্গেও তর্কে জড়িয়ে পড়েন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা। কারণ শ্রীলঙ্কান খেলোয়াড়রা আম্পায়ারের পক্ষে কথা বলে ঘটনা আরো বাড়িয়ে দিচ্ছিলেন। শ্রীলঙ্কার সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রিকেট সম্পর্ক বরাবরই ভালো। তবে এ ঘটনায় একটা কালো দাগ হয়তো পড়ে যাবে। অবশ্য ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়রাই স্বাভাবিক হয়েছেন।

https://www.youtube.com/watch?v=AI08UfC9I4w

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মদিনায় নবীজির (সা.) রওজা জিয়ারত করবেন কিভাবে?

ম্যাচ বর্জন করতে চেয়েছিল বাংলাদেশ, শেষ ওভার ভিডিও

আপডেট সময় ০১:৪৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ মার্চ ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শুক্রবার রাতে ২ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয়ে নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে বাংলাদেশ। নাটকীয় জয়ের এ ম্যাচে ঘটে যায় অনাকাঙ্খিত এক ঘটনা। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এমনকি ম্যাচ বর্জন করতে চেয়েছিল বাংলাদেশ! অধিনায়ক সাকিব ক্রিজের দুই ব্যাটসম্যান রিয়াদ ও রবেলকে মাঠ থেকে চলে আসতে ইশারা করেছিলেন। তারা ড্রেসিং রুমের দিকে চলেও যাচ্ছিলেন। পরে ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রড এবং অন্যান্যদের মধ্যস্থতায় খেলতে রাজি হয় বাংলাদেশ!

দোষ অবশ্য শ্রীলঙ্কান আম্পায়ারেরই। ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই ঘটে যায় অপ্রীতিকর ঘটনাটি। খেলা বন্ধ থাকে মিনিট দশেক।

শেষ ওভারে বাংলাদেশের দরকার ছিল ১২ রান। ক্রিজে রিয়াদ ও মোস্তাফিজ। বোলার শ্রীলঙ্কান পেসার উদানা। প্রথম বলটি করলেন শর্ট ও বাউন্সার । বলটি মোস্তাফিজের মাথা বরাবর উচুতে ছিল। কিন্তু আম্পায়ার নো, ওয়াইড কোনোটাই ধরেননি।

দ্বিতীয় বলটিও ছিল শর্ট ও বাউন্সার। মোস্তাফিজের মাথার উপর দিয়ে বল চলে যায় উইকেট কিপারের হাতে। দৌঁড়ে রান নিতে গিয়ে রান আউট হন মোস্তাফিজ। কিন্তু এই বলটি লেগ আম্পায়ার নো ডেকেছিলেন। কিন্তু বোলিংএন্ডের আম্পায়ার তা নাকচ করে দেন।

এখানেই বাঁধে ঝামেলা। প্রতিবাদ করতে থাকেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আম্পায়ারের সঙ্গে জড়ান তর্কে। উপর থেকে মাঠের দিকে নেমে আসেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। রিয়াদ ও রুবেলকে মাঠ ছেড়ে চলে আসতে বলেন। আম্পায়ারের এমন বাজে সিদ্ধান্তে প্রতিক্রিয়া দেখাতে থাকেন ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজনসহ পুরো দল।

ম্যাচ রেফরি, টিভি কমেনটেটর ও অন্যান্য কর্মকর্তারা সাকিবকে বোঝাতে থাকেন। কিন্তু কিছুতেই নরম হচ্ছিলেন না সাকিব। এক পর্যায়ে গিয়ে অবশ্য নরম হন তিনি। ব্যাট করতে ক্রিজে যান রিয়াদ ও রুবেল।

প্রথম দুই বলে রান না হওযায় চার বলে দরকার ছিল ১২ রান। প্রথম বলে চার, এরপর ২ এবং পরের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে শেষমেশ নাটকীয় জয় তুলে নেন রিয়াদ। ১৮ বলে ৪৩ রানে নট আউট থেকে ম্যাচসেরা হন তিনি।

নো বলের ঘটনায় শ্রীলঙ্কান ক্রিকোরদের সঙ্গেও তর্কে জড়িয়ে পড়েন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা। কারণ শ্রীলঙ্কান খেলোয়াড়রা আম্পায়ারের পক্ষে কথা বলে ঘটনা আরো বাড়িয়ে দিচ্ছিলেন। শ্রীলঙ্কার সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রিকেট সম্পর্ক বরাবরই ভালো। তবে এ ঘটনায় একটা কালো দাগ হয়তো পড়ে যাবে। অবশ্য ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়রাই স্বাভাবিক হয়েছেন।

https://www.youtube.com/watch?v=AI08UfC9I4w