ঢাকা ০৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

স্ত্রীর পরকীয়ায় স্বামীর আত্মহত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুরের বদরগঞ্জে স্ত্রীর পরকীয়া সহ্য করতে না পেরে কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছেন স্বামী সাকিউল। বুধবার সকালে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ব্যাপারে নিহতের চাচা দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে বদরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

এলাকাবাসী ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের নাগেরহাট সোনারপাড়া গ্রামের মৃত মমদেল হোসেনের ছেলে সাকিউলের (৩৭) স্ত্রী আমেনা বেগমের সঙ্গে প্রতিবেশী যুবক খাইরুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া চলে আসছিল। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে গত মঙ্গলবার বিকালে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সদস্য মোক্তারুল ইসলামের নেতৃত্বে ওই গ্রামে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সালিশে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় সাকিউল বাড়িতে গিয়ে ক্ষোভে ও লজ্জায় কীটনাশক পান করে। দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মোক্তারুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান দুলু বলেন, আমি ওই সালিশের ব্যাপারে কিছুই জানি না। ঘটনাটি লোক মুখে শুনেছি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বদরগঞ্জ থানার এসআই লোকেশ রায় ও এসআই ফারুক হোসেন বলেন, কীটনাশক পান করার ফলে তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে ছিল স্ত্রীর পরকীয়া।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি

স্ত্রীর পরকীয়ায় স্বামীর আত্মহত্যা

আপডেট সময় ১০:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুরের বদরগঞ্জে স্ত্রীর পরকীয়া সহ্য করতে না পেরে কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছেন স্বামী সাকিউল। বুধবার সকালে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ব্যাপারে নিহতের চাচা দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে বদরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

এলাকাবাসী ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের নাগেরহাট সোনারপাড়া গ্রামের মৃত মমদেল হোসেনের ছেলে সাকিউলের (৩৭) স্ত্রী আমেনা বেগমের সঙ্গে প্রতিবেশী যুবক খাইরুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া চলে আসছিল। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে গত মঙ্গলবার বিকালে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সদস্য মোক্তারুল ইসলামের নেতৃত্বে ওই গ্রামে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সালিশে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় সাকিউল বাড়িতে গিয়ে ক্ষোভে ও লজ্জায় কীটনাশক পান করে। দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মোক্তারুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান দুলু বলেন, আমি ওই সালিশের ব্যাপারে কিছুই জানি না। ঘটনাটি লোক মুখে শুনেছি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বদরগঞ্জ থানার এসআই লোকেশ রায় ও এসআই ফারুক হোসেন বলেন, কীটনাশক পান করার ফলে তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে ছিল স্ত্রীর পরকীয়া।