অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, সরকার খালেদা জিয়াকে জেলে পাঠিয়ে কোনো ক্ষতি করতে পারেনি। জেলে গিয়ে বরং আরও লাভ হয়েছে। খালেদা জিয়া ম্যাডাম ছিলেন, এখন মা হয়ে গেছেন।
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বাংলাদেশের অতীত রাজনীতিতে যেমন খালেদা জিয়ার ভূমিকা ছিল, ঠিক তেমনি ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে তার অংশগ্রহণ প্রয়োজনীয়। তাকে কারাগারে রেখে বিএনপিকে দুর্বল করা যায়নি। বরং সারাদেশের নেতাকর্মীরা আরও সুসংগঠিত। খালেদা জিয়াকে ছাড়া আগামী নির্বাচনে বিএনপি কখনোই যাবে না।
খালেদা জিয়া চাইলেই প্রতিদিন দুই কোটি টাকা জোগাড় করতে পারেন এমন দাবি করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করেন না নিজের স্বামীর নামে গড়া ট্রাস্টের দুই কোটি টাকা খালেদা জিয়া তুলেছেন। তিনি যদি একবার বলতেন তার দুই কোটি টাকা প্রয়োজন, তাহলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে সাধারণ মানুষই এরচেয়ে বেশি টাকা তাকে দিতেন। এতিমের টাকা তোলা লাগবে কেন? তিনি চাইলেই প্রতিদিন দুই কোটি টাকা জোগাড় করতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, রায়ের আগেই প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এতিমের টাকা চুরির অভিযোগে বিচার হবে, এরশাদ সাহেব বলেছেন সাজা হবে এবং নাজিমুদ্দিন রোডের কারাগারেই রাখা হবে। এসব কিসের লক্ষণ? রাজনৈতিক প্রতিহিংসার।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় অভিযোগকারীকেই তদন্ত কর্মকর্তা বানানো হয়েছে বলে অভিযোগ করে বিএনপি’র এই নেতা বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মামলার রায় কোনো প্রকাশ্য আদালতে হয়নি। সেখানে সবাই যেতে পারেনি। এই মামলায় ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে মাত্র একজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। বাকিরা কেউই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কিছুই বলেননি। যিনি অভিযোগ দায়ের করেছেন সেই হারুন উর রশিদকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তদন্ত করতে। অভিযোগকারীকেই তদন্ত কর্মকর্তা বানানো হয়েছে এই মামলায়। অভিযোগকারী কি আর পক্ষে বলবেন?’
ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বরকতউল্লাহ বুলু, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ প্রমুখ
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















