ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের ৮০ শতাংশ মানুষ ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের ৮০ শতাংশ মানুষ ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে উল্লেখ করে বিশিষ্ট অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেছেন, জলাশয় ভরাট করে অনেক বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে, এতে ঝুঁকির পরিমান বেড়ে যাচ্ছে। ভবন যদি ভূমিকম্প সহনীয় না হয় তাহলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান আরো বেড়ে যাবে।

রবিবার রাজধানীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রথম কনভেনশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধে তিনি এ কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দুইদিনব্যাপী এই কনভেনশনের আয়োজন করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিক-এর উপাচার্য জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, বর্জ্রপাত নিয়ে আমরা এতদিন সচেতন ছিলাম না। কিন্তু সম্প্রতি বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। তাই বজ্রপাতকে দুর্যোগের অন্তর্ভূক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের ৬১ শতাংশ ভূমি ও ৭১ শতাংশ মানুষ বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছেন। এ ছাড়া ৩২ শতাংশ ভূমি ও ২৭ শতাংশ মানুষ ঘূর্ণিঝড় ও লবণাক্ততার ঝুঁকিতে রয়েছেন। ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে ৭০ শতাংশ ভূমি ও ৮০ শতাংশ মানুষ।বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিকে বিবেচনায় নিয়ে ১৯৯২ সালের মহাপরিকল্পনাটি যুগোপযোগী করা, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) ভল্যানটিয়ার নেটওয়ার্ক শক্তিশালী, ভবন নির্মাণে ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে অনুসরণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশেষজ্ঞদের সরকারের বিভিন্ন সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেন দেশের বিশিষ্ট এই অধ্যাপক।

দুইদিনব্যাপী কনভেনশনের উদ্বোধন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, বীরবিক্রম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আগে ছিল ছয় ঋতুর দেশ। এখন আর ছয় ঋতু নেই। শীতের সময় শীত নেই, গরমের সময় গরম নেই। আগাম বৃষ্টি, আগাম বন্যা, আগাম শীত। কোনো জিনিসে আর তাল মেলে না। কিভাবে দুর্যোগ মোকাবিলা করা যায় সেজন্য এই কনভেনশনের আয়োজন করা হয়েছে। এটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উপর বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় কনভেনশন জানিয়ে দুর্যোগ ও ত্রানমন্ত্রী বলেন, এতে প্রায় ২ হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করছেন। সময়ের সঙ্গে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ব্যবস্থাপনাকে তাল মেলাতে অংশগ্রহনকারী সবার মতামত ও পরামর্শ নেয়া হবে। এর আলোকে আমরা আগামী দিনের পরিকল্পনা ঢেলে সাজাবো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

দেশের ৮০ শতাংশ মানুষ ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে

আপডেট সময় ০৮:০৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের ৮০ শতাংশ মানুষ ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে উল্লেখ করে বিশিষ্ট অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেছেন, জলাশয় ভরাট করে অনেক বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে, এতে ঝুঁকির পরিমান বেড়ে যাচ্ছে। ভবন যদি ভূমিকম্প সহনীয় না হয় তাহলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান আরো বেড়ে যাবে।

রবিবার রাজধানীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রথম কনভেনশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধে তিনি এ কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দুইদিনব্যাপী এই কনভেনশনের আয়োজন করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিক-এর উপাচার্য জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, বর্জ্রপাত নিয়ে আমরা এতদিন সচেতন ছিলাম না। কিন্তু সম্প্রতি বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। তাই বজ্রপাতকে দুর্যোগের অন্তর্ভূক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের ৬১ শতাংশ ভূমি ও ৭১ শতাংশ মানুষ বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছেন। এ ছাড়া ৩২ শতাংশ ভূমি ও ২৭ শতাংশ মানুষ ঘূর্ণিঝড় ও লবণাক্ততার ঝুঁকিতে রয়েছেন। ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে ৭০ শতাংশ ভূমি ও ৮০ শতাংশ মানুষ।বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিকে বিবেচনায় নিয়ে ১৯৯২ সালের মহাপরিকল্পনাটি যুগোপযোগী করা, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) ভল্যানটিয়ার নেটওয়ার্ক শক্তিশালী, ভবন নির্মাণে ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে অনুসরণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশেষজ্ঞদের সরকারের বিভিন্ন সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেন দেশের বিশিষ্ট এই অধ্যাপক।

দুইদিনব্যাপী কনভেনশনের উদ্বোধন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, বীরবিক্রম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আগে ছিল ছয় ঋতুর দেশ। এখন আর ছয় ঋতু নেই। শীতের সময় শীত নেই, গরমের সময় গরম নেই। আগাম বৃষ্টি, আগাম বন্যা, আগাম শীত। কোনো জিনিসে আর তাল মেলে না। কিভাবে দুর্যোগ মোকাবিলা করা যায় সেজন্য এই কনভেনশনের আয়োজন করা হয়েছে। এটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উপর বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় কনভেনশন জানিয়ে দুর্যোগ ও ত্রানমন্ত্রী বলেন, এতে প্রায় ২ হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করছেন। সময়ের সঙ্গে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ব্যবস্থাপনাকে তাল মেলাতে অংশগ্রহনকারী সবার মতামত ও পরামর্শ নেয়া হবে। এর আলোকে আমরা আগামী দিনের পরিকল্পনা ঢেলে সাজাবো।