ঢাকা ০৮:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ লাখ তরুণ অভিবাসীর ভাগ্য অনিশ্চিত

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রে ‘ড্রিমার’ অভিবাসীদের সুরক্ষা প্রদানসহ অভিবাসন প্রশ্নে উত্থাপিত চারটি বিলের একটিও অনুমোদন করেনি মার্কিন সিনেট। এর মধ্য দিয়ে শৈশবে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী ১৮ লাখ অভিবাসীর ভবিষ্যৎ আবারও অনিশ্চয়তায় পড়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার চারটি ভিন্ন বিল পাসে প্রয়োজনীয় ৬০ ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছে সিনেট।

শৈশবে বাবা-মায়ের সঙ্গে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো অভিবাসীদের কাজের অনুমতি দিতে ‘ড্রিমার’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসন। এর আওতায় কয়েক লাখ অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো থেকে বিরত ছিল হোয়াইট হাউস। তাদের যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে কাজের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। এর মাধ্যমে মূলত তরুণ অনিবন্ধিত অভিবাসীদের সুরক্ষা দিতে চেয়েছিল ওবামা প্রশাসন। এ কর্মসূচির দাফতরিক নাম ‘ডেফারড অ্যাকশন ফর চিলড্রেন অ্যারাইভাল’ (ডিএসিএ)। এ কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, পড়াশোনা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পান প্রায় ৭ লাখ তরুণ।

এই তরুণদের বলা হয় ‘ড্রিমার’। তবে গত সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পটি সমাপ্তির ঘোষণা দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। এর মধ্য দিয়ে মার্চ থেকে বিতাড়িত হওয়ার হুমকিতে পড়েন ড্রিমাররা। সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামা ঘোষিত ‘ডিএসিএ কর্মসূচি’ পরিচালনায় বরাদ্দ অর্থ নিয়ে বিভক্ত ছিল মার্কিন সিনেট। সম্প্রতি ওই কর্মসূচির আওতায় থাকা সাত লাখ তরুণ অভিবাসীর ব্যাপারে স্থায়ী সমাধানকে সমঝোতার শর্ত হিসেবে তুলে ধরেছিল ডেমোক্র্যাটরা। এ নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে মতানৈক্যের জেরে ৩ দিন শাটডাউনে থাকে মার্কিন সরকার।

তবে রিপাবলিকান নেতা ম্যাককনেলের দেয়া ভবিষ্যৎ বিতর্কের মৌখিক প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে সরকার সচলে ডেমোক্র্যাট সিনেটররা অস্থায়ী বাজেট পাসে সম্মত হয়। ওই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ড্রিমারদের ভাগ্য নির্ধারণে সিনেটে সোমবার থেকে বিতর্ক শুরু হয়। তবে বৃহস্পতিবার অভিবাসন প্রশ্নে উত্থাপিত চারটি বিলের একটিও পাস হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ লাখ তরুণ অভিবাসীর ভাগ্য অনিশ্চিত

আপডেট সময় ১১:৫৫:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রে ‘ড্রিমার’ অভিবাসীদের সুরক্ষা প্রদানসহ অভিবাসন প্রশ্নে উত্থাপিত চারটি বিলের একটিও অনুমোদন করেনি মার্কিন সিনেট। এর মধ্য দিয়ে শৈশবে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী ১৮ লাখ অভিবাসীর ভবিষ্যৎ আবারও অনিশ্চয়তায় পড়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার চারটি ভিন্ন বিল পাসে প্রয়োজনীয় ৬০ ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছে সিনেট।

শৈশবে বাবা-মায়ের সঙ্গে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো অভিবাসীদের কাজের অনুমতি দিতে ‘ড্রিমার’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসন। এর আওতায় কয়েক লাখ অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো থেকে বিরত ছিল হোয়াইট হাউস। তাদের যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে কাজের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। এর মাধ্যমে মূলত তরুণ অনিবন্ধিত অভিবাসীদের সুরক্ষা দিতে চেয়েছিল ওবামা প্রশাসন। এ কর্মসূচির দাফতরিক নাম ‘ডেফারড অ্যাকশন ফর চিলড্রেন অ্যারাইভাল’ (ডিএসিএ)। এ কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, পড়াশোনা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পান প্রায় ৭ লাখ তরুণ।

এই তরুণদের বলা হয় ‘ড্রিমার’। তবে গত সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পটি সমাপ্তির ঘোষণা দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। এর মধ্য দিয়ে মার্চ থেকে বিতাড়িত হওয়ার হুমকিতে পড়েন ড্রিমাররা। সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামা ঘোষিত ‘ডিএসিএ কর্মসূচি’ পরিচালনায় বরাদ্দ অর্থ নিয়ে বিভক্ত ছিল মার্কিন সিনেট। সম্প্রতি ওই কর্মসূচির আওতায় থাকা সাত লাখ তরুণ অভিবাসীর ব্যাপারে স্থায়ী সমাধানকে সমঝোতার শর্ত হিসেবে তুলে ধরেছিল ডেমোক্র্যাটরা। এ নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে মতানৈক্যের জেরে ৩ দিন শাটডাউনে থাকে মার্কিন সরকার।

তবে রিপাবলিকান নেতা ম্যাককনেলের দেয়া ভবিষ্যৎ বিতর্কের মৌখিক প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে সরকার সচলে ডেমোক্র্যাট সিনেটররা অস্থায়ী বাজেট পাসে সম্মত হয়। ওই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ড্রিমারদের ভাগ্য নির্ধারণে সিনেটে সোমবার থেকে বিতর্ক শুরু হয়। তবে বৃহস্পতিবার অভিবাসন প্রশ্নে উত্থাপিত চারটি বিলের একটিও পাস হয়নি।