ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস আবারও ঢাকায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ, মানুষের ভোগান্তি ‘আগামীতে যারা ক্ষমতায় যাবেন তারা যেন প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করেন’:নজরুল ইসলাম নির্বাচনে কোনও ব্যাঘাত ঘটলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বিঘ্নিত হবে: শামসুজ্জামান দুদু নাজমুলের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, মাঠে যাননি কেউ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলা হতে পারে: রয়টার্স আওয়ামী লীগ ভুল স্বীকার করলে রিকনসিলিয়েশন সম্ভব: প্রধান উপদেষ্টা নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত

যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ লাখ তরুণ অভিবাসীর ভাগ্য অনিশ্চিত

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রে ‘ড্রিমার’ অভিবাসীদের সুরক্ষা প্রদানসহ অভিবাসন প্রশ্নে উত্থাপিত চারটি বিলের একটিও অনুমোদন করেনি মার্কিন সিনেট। এর মধ্য দিয়ে শৈশবে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী ১৮ লাখ অভিবাসীর ভবিষ্যৎ আবারও অনিশ্চয়তায় পড়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার চারটি ভিন্ন বিল পাসে প্রয়োজনীয় ৬০ ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছে সিনেট।

শৈশবে বাবা-মায়ের সঙ্গে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো অভিবাসীদের কাজের অনুমতি দিতে ‘ড্রিমার’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসন। এর আওতায় কয়েক লাখ অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো থেকে বিরত ছিল হোয়াইট হাউস। তাদের যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে কাজের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। এর মাধ্যমে মূলত তরুণ অনিবন্ধিত অভিবাসীদের সুরক্ষা দিতে চেয়েছিল ওবামা প্রশাসন। এ কর্মসূচির দাফতরিক নাম ‘ডেফারড অ্যাকশন ফর চিলড্রেন অ্যারাইভাল’ (ডিএসিএ)। এ কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, পড়াশোনা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পান প্রায় ৭ লাখ তরুণ।

এই তরুণদের বলা হয় ‘ড্রিমার’। তবে গত সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পটি সমাপ্তির ঘোষণা দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। এর মধ্য দিয়ে মার্চ থেকে বিতাড়িত হওয়ার হুমকিতে পড়েন ড্রিমাররা। সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামা ঘোষিত ‘ডিএসিএ কর্মসূচি’ পরিচালনায় বরাদ্দ অর্থ নিয়ে বিভক্ত ছিল মার্কিন সিনেট। সম্প্রতি ওই কর্মসূচির আওতায় থাকা সাত লাখ তরুণ অভিবাসীর ব্যাপারে স্থায়ী সমাধানকে সমঝোতার শর্ত হিসেবে তুলে ধরেছিল ডেমোক্র্যাটরা। এ নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে মতানৈক্যের জেরে ৩ দিন শাটডাউনে থাকে মার্কিন সরকার।

তবে রিপাবলিকান নেতা ম্যাককনেলের দেয়া ভবিষ্যৎ বিতর্কের মৌখিক প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে সরকার সচলে ডেমোক্র্যাট সিনেটররা অস্থায়ী বাজেট পাসে সম্মত হয়। ওই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ড্রিমারদের ভাগ্য নির্ধারণে সিনেটে সোমবার থেকে বিতর্ক শুরু হয়। তবে বৃহস্পতিবার অভিবাসন প্রশ্নে উত্থাপিত চারটি বিলের একটিও পাস হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস

যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ লাখ তরুণ অভিবাসীর ভাগ্য অনিশ্চিত

আপডেট সময় ১১:৫৫:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রে ‘ড্রিমার’ অভিবাসীদের সুরক্ষা প্রদানসহ অভিবাসন প্রশ্নে উত্থাপিত চারটি বিলের একটিও অনুমোদন করেনি মার্কিন সিনেট। এর মধ্য দিয়ে শৈশবে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী ১৮ লাখ অভিবাসীর ভবিষ্যৎ আবারও অনিশ্চয়তায় পড়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার চারটি ভিন্ন বিল পাসে প্রয়োজনীয় ৬০ ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছে সিনেট।

শৈশবে বাবা-মায়ের সঙ্গে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো অভিবাসীদের কাজের অনুমতি দিতে ‘ড্রিমার’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসন। এর আওতায় কয়েক লাখ অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো থেকে বিরত ছিল হোয়াইট হাউস। তাদের যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে কাজের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। এর মাধ্যমে মূলত তরুণ অনিবন্ধিত অভিবাসীদের সুরক্ষা দিতে চেয়েছিল ওবামা প্রশাসন। এ কর্মসূচির দাফতরিক নাম ‘ডেফারড অ্যাকশন ফর চিলড্রেন অ্যারাইভাল’ (ডিএসিএ)। এ কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, পড়াশোনা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পান প্রায় ৭ লাখ তরুণ।

এই তরুণদের বলা হয় ‘ড্রিমার’। তবে গত সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পটি সমাপ্তির ঘোষণা দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। এর মধ্য দিয়ে মার্চ থেকে বিতাড়িত হওয়ার হুমকিতে পড়েন ড্রিমাররা। সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামা ঘোষিত ‘ডিএসিএ কর্মসূচি’ পরিচালনায় বরাদ্দ অর্থ নিয়ে বিভক্ত ছিল মার্কিন সিনেট। সম্প্রতি ওই কর্মসূচির আওতায় থাকা সাত লাখ তরুণ অভিবাসীর ব্যাপারে স্থায়ী সমাধানকে সমঝোতার শর্ত হিসেবে তুলে ধরেছিল ডেমোক্র্যাটরা। এ নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে মতানৈক্যের জেরে ৩ দিন শাটডাউনে থাকে মার্কিন সরকার।

তবে রিপাবলিকান নেতা ম্যাককনেলের দেয়া ভবিষ্যৎ বিতর্কের মৌখিক প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে সরকার সচলে ডেমোক্র্যাট সিনেটররা অস্থায়ী বাজেট পাসে সম্মত হয়। ওই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ড্রিমারদের ভাগ্য নির্ধারণে সিনেটে সোমবার থেকে বিতর্ক শুরু হয়। তবে বৃহস্পতিবার অভিবাসন প্রশ্নে উত্থাপিত চারটি বিলের একটিও পাস হয়নি।