ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ব্ল্যাক প্যান্থার

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

চলচ্চিত্রটি নির্মাণের কথা প্রথম উঠেছিল ১৯৯২ সালে। ওয়েসলি স্নাইপ্স বলেছিলেন, শিগগিরই এমন একটি সুপারহিরো চলচ্চিত্র নির্মাণ করবে মার্ভেল। সে কথা একটা সময় কেবল কথাতেই পরিণত হয়। এরপর আবার একটা শোরগোল ওঠে ২০০৫ সালে। সেই কথানুসারেই ২০১১ সালে লিখতে শুরু করা হয় চিত্রনাট্য। সে লেখা শেষ হতে হতে পেরিয়ে যায় ২০১৪। কিন্তু চলচ্চিত্র আর আসে না। অবশেষে সেই বছর চলচ্চিত্র নিয়ে আবার ঘোষণা আসে। আশা করা হয়, এবার বুঝি চূড়ান্ত রূপ পেয়ে আসছে মার্ভেলের প্রথম ‘ব্ল্যাক’ বা কালো চামড়ার সুপারহিরো চলচ্চিত্র। কিন্তু না, এরপরও কয়েক বছর পেরিয়ে যায়। কিন্তু বেশি দিন অপেক্ষা করতে হয়নি। অবশেষে মুক্তি পেয়েছে প্রতীক্ষিত ছবি ব্ল্যাক প্যান্থার।

না, ১৯২৭ বা ১৯৭১ সালের ব্ল্যাক প্যান্থার নয়, বলছি বহু অপেক্ষার পর মুক্তি পাওয়া ২০১৮ সালের মার্ভেল সুপারহিরো চলচ্চিত্র ব্ল্যাক প্যান্থার-এর কথা। মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের ১৮তম চলচ্চিত্র এটি। মার্ভেল কমিক ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’ অবলম্বনে ওয়াল্ট ডিজনির সঙ্গে হাত মিলিয়ে নির্মাণ করেছে মার্ভেল এই মুভি। চাডউইক বোসম্যান, মাইকেল বি. জরডান, লুপিতা নিয়োঙ্গো, মার্টিন ফ্রিম্যান, ডানাই গুরিরা প্রমুখ অভিনয় করেছেন ব্ল্যাক প্ল্যান্থার–এ। ২৯ জানুয়ারি, ২০১৮তে হয়ে গিয়েছে ছবিটির বিশেষ প্রদর্শনী। সমালোচক এবং দর্শক—সবারই মন জয় করে নিয়েছে ছবিটি। অনেকের মতে, এটি মার্ভেলের সেরা একটি কাজ হয়ে উঠেছে।

মুভির গল্পটা এগোয় ক্যাপ্টেন আমেরিকা: সিভিল ওয়ার-এর পর থেকে। ক্যাপ্টেন আমেরিকাতে হার্ট শেপড একটি ভেষজ খেয়ে ক্ষমতার অধিকারী হয় টি’চাল্লা। নিজের বাবাকে হুট করে হারিয়ে ফেলে। যুদ্ধ শেষ হলে সেখান থেকে রাজা টি’চাল্লা নিজের ঘর ওয়াকান্ডাতে ফিরে যায়। কিন্তু সেখানে ফিরে আর কোনো কিছুই আগের মতো পায় না সে। শত্রুরা তখন রাজ্য দখল করতে ব্যস্ত। ফলে নিজের রাজ্যকে বাঁচাতে ব্ল্যাক প্যান্থার হয়ে আসতে হয় তাকে। হাত মেলাতে হয় সিআইএ এজেন্ট এভিরেট কে রজ এবং ডোরা মেলাজের সদস্য, ওয়াকান্ডার সব বিশেষ নারীশক্তির সঙ্গে। এরপর কী হয়? ব্ল্যাক প্যান্থার এত কিছু তো করল। কিন্তু শেষমেশ কি তার রাজ্যকে বাঁচাতে, বড় একটা যুদ্ধকে থামিয়ে দিতে পারল সে? জানতে হলে কেবল কমিক পড়লেই হবে না, যেতে হবে আপনাকে সিনেমা হলেও।

খুব বেশি সময়ের নয় ছবিটি। ২০০ মিলিয়ন ডলারের বাজেটে ১৩৪ মিনিটের চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করা হয়েছে। তবে আশা করা হচ্ছে, মার্ভেলের এখন অবধি করা সব ছবির ব্যবসাকে ছাড়িয়ে যেতে না পারলেও অনেকটাই টেক্কা দেবে ব্ল্যাক প্যান্থার। শুরুতে অবশ্য খানিকটা দ্বিধা কাজ করেছে সবার মধ্যেই। আর এর পেছনে কারণটা যে ছিল ত্বকের রং—সেটা আলাদা করে বলে দেওয়ার দরকার পড়ে না। তবে সেসব যে কোনো ব্যাপারই নয়, আশা করা যায় নিজেদের এই নতুন মুভি দিয়ে প্রমাণ করে দেবে মার্ভেল খুব সহজেই।

বিশ্বজুড়ে ১৬ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ কাল মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। দেশের বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে একই দিনে মুক্তি পাচ্ছে ব্ল্যাক প্যান্থার। সেখানেও উপভোগ করা যাবে ছবিটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ব্ল্যাক প্যান্থার

আপডেট সময় ০৯:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

চলচ্চিত্রটি নির্মাণের কথা প্রথম উঠেছিল ১৯৯২ সালে। ওয়েসলি স্নাইপ্স বলেছিলেন, শিগগিরই এমন একটি সুপারহিরো চলচ্চিত্র নির্মাণ করবে মার্ভেল। সে কথা একটা সময় কেবল কথাতেই পরিণত হয়। এরপর আবার একটা শোরগোল ওঠে ২০০৫ সালে। সেই কথানুসারেই ২০১১ সালে লিখতে শুরু করা হয় চিত্রনাট্য। সে লেখা শেষ হতে হতে পেরিয়ে যায় ২০১৪। কিন্তু চলচ্চিত্র আর আসে না। অবশেষে সেই বছর চলচ্চিত্র নিয়ে আবার ঘোষণা আসে। আশা করা হয়, এবার বুঝি চূড়ান্ত রূপ পেয়ে আসছে মার্ভেলের প্রথম ‘ব্ল্যাক’ বা কালো চামড়ার সুপারহিরো চলচ্চিত্র। কিন্তু না, এরপরও কয়েক বছর পেরিয়ে যায়। কিন্তু বেশি দিন অপেক্ষা করতে হয়নি। অবশেষে মুক্তি পেয়েছে প্রতীক্ষিত ছবি ব্ল্যাক প্যান্থার।

না, ১৯২৭ বা ১৯৭১ সালের ব্ল্যাক প্যান্থার নয়, বলছি বহু অপেক্ষার পর মুক্তি পাওয়া ২০১৮ সালের মার্ভেল সুপারহিরো চলচ্চিত্র ব্ল্যাক প্যান্থার-এর কথা। মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের ১৮তম চলচ্চিত্র এটি। মার্ভেল কমিক ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’ অবলম্বনে ওয়াল্ট ডিজনির সঙ্গে হাত মিলিয়ে নির্মাণ করেছে মার্ভেল এই মুভি। চাডউইক বোসম্যান, মাইকেল বি. জরডান, লুপিতা নিয়োঙ্গো, মার্টিন ফ্রিম্যান, ডানাই গুরিরা প্রমুখ অভিনয় করেছেন ব্ল্যাক প্ল্যান্থার–এ। ২৯ জানুয়ারি, ২০১৮তে হয়ে গিয়েছে ছবিটির বিশেষ প্রদর্শনী। সমালোচক এবং দর্শক—সবারই মন জয় করে নিয়েছে ছবিটি। অনেকের মতে, এটি মার্ভেলের সেরা একটি কাজ হয়ে উঠেছে।

মুভির গল্পটা এগোয় ক্যাপ্টেন আমেরিকা: সিভিল ওয়ার-এর পর থেকে। ক্যাপ্টেন আমেরিকাতে হার্ট শেপড একটি ভেষজ খেয়ে ক্ষমতার অধিকারী হয় টি’চাল্লা। নিজের বাবাকে হুট করে হারিয়ে ফেলে। যুদ্ধ শেষ হলে সেখান থেকে রাজা টি’চাল্লা নিজের ঘর ওয়াকান্ডাতে ফিরে যায়। কিন্তু সেখানে ফিরে আর কোনো কিছুই আগের মতো পায় না সে। শত্রুরা তখন রাজ্য দখল করতে ব্যস্ত। ফলে নিজের রাজ্যকে বাঁচাতে ব্ল্যাক প্যান্থার হয়ে আসতে হয় তাকে। হাত মেলাতে হয় সিআইএ এজেন্ট এভিরেট কে রজ এবং ডোরা মেলাজের সদস্য, ওয়াকান্ডার সব বিশেষ নারীশক্তির সঙ্গে। এরপর কী হয়? ব্ল্যাক প্যান্থার এত কিছু তো করল। কিন্তু শেষমেশ কি তার রাজ্যকে বাঁচাতে, বড় একটা যুদ্ধকে থামিয়ে দিতে পারল সে? জানতে হলে কেবল কমিক পড়লেই হবে না, যেতে হবে আপনাকে সিনেমা হলেও।

খুব বেশি সময়ের নয় ছবিটি। ২০০ মিলিয়ন ডলারের বাজেটে ১৩৪ মিনিটের চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করা হয়েছে। তবে আশা করা হচ্ছে, মার্ভেলের এখন অবধি করা সব ছবির ব্যবসাকে ছাড়িয়ে যেতে না পারলেও অনেকটাই টেক্কা দেবে ব্ল্যাক প্যান্থার। শুরুতে অবশ্য খানিকটা দ্বিধা কাজ করেছে সবার মধ্যেই। আর এর পেছনে কারণটা যে ছিল ত্বকের রং—সেটা আলাদা করে বলে দেওয়ার দরকার পড়ে না। তবে সেসব যে কোনো ব্যাপারই নয়, আশা করা যায় নিজেদের এই নতুন মুভি দিয়ে প্রমাণ করে দেবে মার্ভেল খুব সহজেই।

বিশ্বজুড়ে ১৬ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ কাল মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। দেশের বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে একই দিনে মুক্তি পাচ্ছে ব্ল্যাক প্যান্থার। সেখানেও উপভোগ করা যাবে ছবিটি।