ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু নারী ও পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ে তুলব: জামায়াত আমির হাসিনা যুগের সমাপ্তি? জয় বললেন ‘সম্ভবত তাই’ ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের বিপুল ভোটে জিতে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম

খিলগাঁওয়ে পুলিশ কর্মকর্তার পুত্রবধূর লাশ উদ্ধার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে এক পুলিশ কর্মকর্তার নব পুত্রবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার রাতে খিলগাঁওয়ের ১৮৩ পূর্ব গোড়ানের চারতলা বাড়ির ২য় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

ওই নববধূর নাম রাজিয়া সুলতানা রিয়া (২২)। বুধবার রাত ১২টার দিকে পুলিশের খিলগাঁও জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) নাদিয়া জুঁই দৈনিক আকাশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এসি নাদিয়া জুঁই জানান, পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী কমিশনার আমির হোসেন পাটোয়ারী ছোট ছেলে আবির হোসেনের সঙ্গে সম্প্রতি রিয়ার বিয়ে হয়। এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নেয়া না হলেও রিয়া শ্বশুর বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।

আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। রিয়ার পরিবার তুলনামূলকভাবে গরীব। অন্যদিকে আবিরের পরিবার ধনী। যে বাড়ি থেকে রিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে সেটিও আবিরের বাবা আমির হোসেন পাটোয়ারীর।

রিয়ার বাবার বরাত দিয়ে পুলিশ কর্তকর্তা নাদিয়া জুঁই জানান, বিয়ের কেনাকাটা এবং খরচ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। রিয়ার পরিবার আবিরের পরিবারের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছিল না। এ নিয়ে আবিরের পরিবারের পক্ষ থেকে রিয়ার পরিবারকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হচ্ছিল। বিষয়টি রিয়া মেনে নিতে পারছিলেন না।

খিলগাঁও থানার ওসি মশিউর রহমান জানান, রিয়ার গ্রামের বাড়ি ফেনীতে। তার বাবা রাজধানীর বনশ্রীতে থাকেন। বাসার কাজের মেয়ের বরাত দিয়ে ওসি জানান, বুধবার বিকালে বাসার সবাই মর্কেটিংয়ে যান। রিয়াকে নিয়ে যাওয়া হয়নি। তিনি একাই বাসায় ছিলেন।

বাসার নিচতলায় অবস্থান করছিলেন কাজের মেয়ে। সন্ধ্যায় ঘনিয়ে রাত হয়ে গেলেও কাজের মেয়েকে ডাকা হচ্ছিল না। এমনকি দ্বিতীয় তলায় রিয়া যেখানে অবস্থান করছিলেন সেখানে কোনো আলো দেখা যাচ্ছিল না। তাই কাজের মেয়ে দ্বিতীয় তলায় উঠে দরোজায় নক করে। কোন সাড় না পেয়ে আশপাশের লোকদের খবর দেয়। পরে বিকল্প চাবি দিয়ে দরোজা খুলে ঘরে গিয়ে দেখা যায় রিয়া গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে।

ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি একটি আত্মহত্যা। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রহস্যময়ী ফেসবুক পোস্টে কাকে ইঙ্গিত করলেন ওমর সানী?

খিলগাঁওয়ে পুলিশ কর্মকর্তার পুত্রবধূর লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ০১:৫৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে এক পুলিশ কর্মকর্তার নব পুত্রবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার রাতে খিলগাঁওয়ের ১৮৩ পূর্ব গোড়ানের চারতলা বাড়ির ২য় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

ওই নববধূর নাম রাজিয়া সুলতানা রিয়া (২২)। বুধবার রাত ১২টার দিকে পুলিশের খিলগাঁও জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) নাদিয়া জুঁই দৈনিক আকাশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এসি নাদিয়া জুঁই জানান, পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী কমিশনার আমির হোসেন পাটোয়ারী ছোট ছেলে আবির হোসেনের সঙ্গে সম্প্রতি রিয়ার বিয়ে হয়। এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নেয়া না হলেও রিয়া শ্বশুর বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।

আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। রিয়ার পরিবার তুলনামূলকভাবে গরীব। অন্যদিকে আবিরের পরিবার ধনী। যে বাড়ি থেকে রিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে সেটিও আবিরের বাবা আমির হোসেন পাটোয়ারীর।

রিয়ার বাবার বরাত দিয়ে পুলিশ কর্তকর্তা নাদিয়া জুঁই জানান, বিয়ের কেনাকাটা এবং খরচ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। রিয়ার পরিবার আবিরের পরিবারের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছিল না। এ নিয়ে আবিরের পরিবারের পক্ষ থেকে রিয়ার পরিবারকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হচ্ছিল। বিষয়টি রিয়া মেনে নিতে পারছিলেন না।

খিলগাঁও থানার ওসি মশিউর রহমান জানান, রিয়ার গ্রামের বাড়ি ফেনীতে। তার বাবা রাজধানীর বনশ্রীতে থাকেন। বাসার কাজের মেয়ের বরাত দিয়ে ওসি জানান, বুধবার বিকালে বাসার সবাই মর্কেটিংয়ে যান। রিয়াকে নিয়ে যাওয়া হয়নি। তিনি একাই বাসায় ছিলেন।

বাসার নিচতলায় অবস্থান করছিলেন কাজের মেয়ে। সন্ধ্যায় ঘনিয়ে রাত হয়ে গেলেও কাজের মেয়েকে ডাকা হচ্ছিল না। এমনকি দ্বিতীয় তলায় রিয়া যেখানে অবস্থান করছিলেন সেখানে কোনো আলো দেখা যাচ্ছিল না। তাই কাজের মেয়ে দ্বিতীয় তলায় উঠে দরোজায় নক করে। কোন সাড় না পেয়ে আশপাশের লোকদের খবর দেয়। পরে বিকল্প চাবি দিয়ে দরোজা খুলে ঘরে গিয়ে দেখা যায় রিয়া গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে।

ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি একটি আত্মহত্যা। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা যাবে।