অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
শরীয়তপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে গণধর্ষণ করেছেন সাবেক স্বামী আকতারসহ আরো তিনজন। দুই মাস আগে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানার চর পাড়াদি গ্রামের মৃত হাচেন উদ্দীন মাদবরের মেয়ের মোবাইল ফোনে পরিচয় হয় শরীয়তপুরের জাজিরা থানার জয়নগর ইউনিয়নের জয়নগর বরদ্দার কান্দি গ্রামের অটোরিকশাচালক আকতারের সঙ্গে। এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে বিয়ে করেন আকতার।
ধর্ষিতা বলেন, বিয়ের পর থেকে শাশুড়ি ও ননদ আমাকে অসহনীয় নির্যাতন করতেন। তাদের নির্যাতন সইতে না পারায় আমি অন্য জেলার নারী হলেও সকলে দয়া করে আমাকে স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ গণ্যমান্য লোকজনের সহায়তায় দেনমহর বাবদ ৭২ হাজার টাকা দিয়ে তালাক দিয়ে বিদায় করে দেন। পরে আমি ঢাকায় যাত্রাবাড়ি এলাকার কাজলা স্কুল গলিতে ভাড়া থাকি।
হঠাৎ একদিন সকালে মোবাইল ফোনে সাবেক স্বামী আকতার কল দেন। আমাকে আকতার বলেন- তোমাকে আমি বিয়ে করব কোন যন্ত্রণা দেব না। তুমি আমাদের বাড়ি এসে তোমার সোনার চেইনটি নিয়ে যাও। আমি সরল বিশ্বাসে বুধবার কাজির হাট পৌঁছালে আকতার আমার জন্য একটি মোটরসাইকেল পাঠায় আমাকে গংঙ্গানগর বাজারে নেয়।
গংঙ্গা নগর বাজার থেকে সন্ধ্যায় আকতারসহ আরো তিনজন আমাকে নিয়ে জয় নগর খানকান্দি গ্রামে নিয়ে আমাকে আকতারসহ জয়নগর মোল্লাকান্দি গ্রামের মালেক মোল্লার ছেলে ইব্রাহিম মোল্লা, জয় নগর সরদার গ্রামের কালু মুন্সীর ছেলে জসিম মুন্সী, ফরিদপুর জেলার সদর থানার ঘোরাদা গ্রামের মো. রেজাউল করিমের ছেলে,সাখাওয়াত শেখ আমাকে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
আমার হাত-পা বেঁধে আমাকে খুন করার চেষ্টা করলে আমি চিৎকার করি। পরে আমাকে রেখে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। সকালে কৃষকরা মাঠে যাওয়ার সময় আমার কান্না শুনে আমার হাত পায়ের বাঁধ খুলে দিলে জয়নগর মোড়ে তোতা ফকিরের স্ত্রী সুফিয়া বেগমসহ কয়েকজনের সহায়তায় জাজিরা থানায় অভিযোগ করি।
জাজিরা থানার ওসি এনামুল হক জানান, ধর্ষিতা চারজনকে আসামি করে অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই ধর্ষিতার সাবেক স্বামী আকতারসহ আরো দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করি। ধর্ষিতাকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























