ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যারা ১৭ বছর দেশের বাইরে ছিল তারাই গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার ক্যাম্পাসগুলোকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাজপথে নামলে সরকারের পতন ঘটাতে বেশি সময় লাগবে না: ইসহাক সরকার নাটোরে যুবদলের দু’পক্ষে সংঘর্ষ, মোটরসাইকেলে আগুন দোকান ভাঙচুর ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, রনি ও কাফি শিবির কি রগকাটা, শিবির কি গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী ‘শিক্ষকরা কোনো দলের নেতা নন, রাজনীতি করলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন’:কায়সার কামাল দেশে তেলের সংকট নেই, কিছু মানুষ অনৈতিক ব্যবসা করছে: মির্জা ফখরুল

চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিনে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৭৪

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ভালো খেলার পরও দিন শেষের আক্ষেপ বাংলাদেশের। ইনিংসের শুরু থেকে অসাধারণ খেলে যাওয়া মুশফিকুর রহিম মাত্র ৮ রানের জন্য সেঞ্চুরির দেখা পাননি। দিনের শুরু থেকে ভালো খেলা সত্ত্বেও শেষ বিকেলে মুশফিক এবং লিটন দাসের উইকেট হারিয়ে আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ দল।

সুরঙ্গা লাকমলের করা বলটিকে ঠেলে দিতে গিয়ে উইকেটকিপারের গ্লাভসে ধরা পড়েন মুশফিক। সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ দলের এউইকেটকিপার কাম ব্যাটসম্যানকে ৯২ রানে সজঘরে ফেরান লাকমল।

পাঁচে ব্যাটিংয়ে নামা লিটন দাস উইকেটে নামতে না নামতেই বোল্ট হয়ে সাজঘরে ফেরেন। লাকমলের করা বলটিকে অফ স্টাম্পের বাইরের বল মনে করে ছেড়ে দেন লিটন। কিন্তু বলটি গিয়ে স্টাম্পে আঘাত হানে। মাত্র ১ বল খেলেই সাজঘরের পথ ধরেন ৭ম টেস্ট খেলতে নামা লিটন।

টেস্ট স্পেশালিস্ট মুমিনুল হক সৌরভের সেঞ্চুরি (১৭৫), মুশফিক, তামিমের জোড়া ফিফটিতে ভর করে প্রথম দিনে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৭৪ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। ১৭৫ ও ৯ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন সৌরভ ও মাহমুদউল্লাহ।

বুধবার চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। উদ্বোধনীতে দারুণ সূচনা করেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমুরুল কায়েস। উদ্বোধনী জুটিতে তারা তোলেন ৭২ রান।

ক্যারিয়ারের ২৫তম ফিফটি তুলে বড় ইনিংসের আভাস দিচ্ছিলেন তামিম। তবে শেষ পর্যন্ত হার মানেন তিনি। দলীয় ৭২ রানে দিলরুয়ান পেরেরার অসাধারণ কুইকারে বোল্ড হয়ে ফেরেন ড্যাশিং ওপেনার। ফেরার আগে ৫৩ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৫২ রান।

তামিমের বিদায়ের প্রভাব দলের ওপর পড়তে দেননি ইমরুল-মুমিনুল। দুজনই দ্রুত রান তুলছিলেন। তাদের ব্যাটে এগোচ্ছিল বাংলাদেশও। কিন্তু ভালো খেলতে খেলতে হঠাৎই খেই হারিয়ে ফেলেন ইমরুল। লাঞ্চের ঠিক একটু আগে হতাশ করে লক্ষণ সান্দাকানের এলবিডব্লিউর শিকার হয়ে ফেরেন এ বাঁহাতি ওপেনার (৪০) ।

এরপর মুশফিককে সঙ্গে নিয়ে দিনের শেষ পর্যন্ত লাড়াই চালিয়ে যান সৌরভ। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ২৩৬ রানের পার্টনারশিপ গড়েন তারা। এই জুটির কল্যাণে রানের পাহাড় গড়ার পথেই এগিয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। দিনের খেলা শেষ হওয়ার ৬.২ওভার আগে পরপর দুই বলে আউট হয়ে ফেরেন মুশফিক ও লিটন দাস।

উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে মাঠ ছাড়ার আগে ১৯২ বলে ১০ চারের সাহায্যে ৯২ রান করে ফেরেন মুশফিক। মাত্র ৮ রানের জন্য সেঞ্চুরি দেখা পাননি তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিনে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৭৪

আপডেট সময় ০৫:০৭:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ভালো খেলার পরও দিন শেষের আক্ষেপ বাংলাদেশের। ইনিংসের শুরু থেকে অসাধারণ খেলে যাওয়া মুশফিকুর রহিম মাত্র ৮ রানের জন্য সেঞ্চুরির দেখা পাননি। দিনের শুরু থেকে ভালো খেলা সত্ত্বেও শেষ বিকেলে মুশফিক এবং লিটন দাসের উইকেট হারিয়ে আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ দল।

সুরঙ্গা লাকমলের করা বলটিকে ঠেলে দিতে গিয়ে উইকেটকিপারের গ্লাভসে ধরা পড়েন মুশফিক। সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ দলের এউইকেটকিপার কাম ব্যাটসম্যানকে ৯২ রানে সজঘরে ফেরান লাকমল।

পাঁচে ব্যাটিংয়ে নামা লিটন দাস উইকেটে নামতে না নামতেই বোল্ট হয়ে সাজঘরে ফেরেন। লাকমলের করা বলটিকে অফ স্টাম্পের বাইরের বল মনে করে ছেড়ে দেন লিটন। কিন্তু বলটি গিয়ে স্টাম্পে আঘাত হানে। মাত্র ১ বল খেলেই সাজঘরের পথ ধরেন ৭ম টেস্ট খেলতে নামা লিটন।

টেস্ট স্পেশালিস্ট মুমিনুল হক সৌরভের সেঞ্চুরি (১৭৫), মুশফিক, তামিমের জোড়া ফিফটিতে ভর করে প্রথম দিনে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৭৪ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। ১৭৫ ও ৯ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন সৌরভ ও মাহমুদউল্লাহ।

বুধবার চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। উদ্বোধনীতে দারুণ সূচনা করেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমুরুল কায়েস। উদ্বোধনী জুটিতে তারা তোলেন ৭২ রান।

ক্যারিয়ারের ২৫তম ফিফটি তুলে বড় ইনিংসের আভাস দিচ্ছিলেন তামিম। তবে শেষ পর্যন্ত হার মানেন তিনি। দলীয় ৭২ রানে দিলরুয়ান পেরেরার অসাধারণ কুইকারে বোল্ড হয়ে ফেরেন ড্যাশিং ওপেনার। ফেরার আগে ৫৩ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৫২ রান।

তামিমের বিদায়ের প্রভাব দলের ওপর পড়তে দেননি ইমরুল-মুমিনুল। দুজনই দ্রুত রান তুলছিলেন। তাদের ব্যাটে এগোচ্ছিল বাংলাদেশও। কিন্তু ভালো খেলতে খেলতে হঠাৎই খেই হারিয়ে ফেলেন ইমরুল। লাঞ্চের ঠিক একটু আগে হতাশ করে লক্ষণ সান্দাকানের এলবিডব্লিউর শিকার হয়ে ফেরেন এ বাঁহাতি ওপেনার (৪০) ।

এরপর মুশফিককে সঙ্গে নিয়ে দিনের শেষ পর্যন্ত লাড়াই চালিয়ে যান সৌরভ। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ২৩৬ রানের পার্টনারশিপ গড়েন তারা। এই জুটির কল্যাণে রানের পাহাড় গড়ার পথেই এগিয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। দিনের খেলা শেষ হওয়ার ৬.২ওভার আগে পরপর দুই বলে আউট হয়ে ফেরেন মুশফিক ও লিটন দাস।

উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে মাঠ ছাড়ার আগে ১৯২ বলে ১০ চারের সাহায্যে ৯২ রান করে ফেরেন মুশফিক। মাত্র ৮ রানের জন্য সেঞ্চুরি দেখা পাননি তিনি।