অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য এয়ারফোর্স জিরো জিরো ওয়ান বিমানে দুটি নতুন ফ্রিজ বসানো হচ্ছে। এতে খরচ পড়বে দুই কোটি ৩৬ লাখ ৫৭ হাজার ৬৭১ ডলার।
নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ২৫ বছরেরও বেশি সময় পর মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বহনকারী বিমানের ফ্রিজ পরিবর্তন করা হচ্ছে। গত ডিসেম্বরে এ বিষয়ক কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে দেশটির বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংকে।
এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ জানায়, বিমানের দুইটি ঢাউস আকারের ফ্রিজ ১৯৯০ সালে সর্বশেষ সংযোজন করা হয়েছিল। এ দুটি ফ্রিজ আর আগের মতো কাজ করছে না। ভ্রমণের সময় প্রয়োজনীয় খাবার ও অন্যান্য জিনিস সংরক্ষণে এর পরিবর্তন প্রয়োজন।
২০১৯ সালের অক্টোবর নাগাদ দুটি ফ্রিজের কাজ শেষ হওয়ার পর তা বিমানটিতে সংযোজন করা হবে বলে জানায় মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ।
কিন্তু প্রচলিত প্রযুক্তি ব্যবহার করেই ওই দুটি ফ্রিজ তৈরি করা হবে। তবে, দুটি ফ্রিজ কেনাসহ বিমানে সংযোজনে কেন এত অর্থ লাগছে? সেই উত্তরও দিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ।
উত্তরটা হয়তো মনপুত নাও হতে পারে; দেখা যাক না, কি লিখেছে: প্রেসিডেন্টকে বহনকারী বিমানে এ দুটি ফ্রিজ সংযোজনের জন্য তৈরিতে নকশা প্রণয়ন, নির্মাণ, পরিবেশগত পরীক্ষা-নিরীক্ষা, এবং সর্বপরি কেন্দ্রীয় বিমান চলাচল প্রশাসনের সনদ প্রয়োজন।
তারা আরও বলছে, এর ফলে ‘অনির্ধারিত সময়ে জন্য’ বিমানটিতে পর্যাপ্ত খাবার-দাবার সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।
এই ট্রাম্পই কিন্তু এয়ার ফোর্স জিরো জিরো ওয়ানের অতিরিক্ত ব্যয় নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন। নির্বাচিত হওয়ার এক মাস পর, এবং ক্ষমতায় বসার এক মাস আগে তিনি এক টুইট বার্তায় বলেছিলেন, ভবিষ্যত প্রেসিডেন্টের জন্য বোয়িং একটি সম্পূর্ণ নতুন ৭৪৭ এয়ার ফোর্স ওয়ান তৈরি করছে। কিন্তু এর খরচ সীমার বাইরে, চার বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।
তিনি লিখেছিলেন, এই কার্যাদেশ বাতিল করা হোক। ক্ষণে ক্ষণে রঙ বদলানো ট্রাম্প এর পর বলেছিলেন, আমার মনে হয়েছিল খরচটা ‘হাস্যকর’ রকমের বেশি।
ওয়াশিংটন পোস্ট তাদের এক প্রতিবেদনের জানিয়েছিল, গত বছরের জানুয়ারিতে প্রথমবারের মতো এয়ার ফোর্স ওয়ানে চড়ে তিনি এই বিমানটিতে ‘গ্রেট প্লেন’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।
এবার ফ্রিজ সংযোজন প্রসঙ্গে তিনি কি বলেন, কিংবা নিজের অবস্থান কতটা বদলান; সেটাই এখন দেখার বিষয়।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















