ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

দলের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থেই বিএনপি নির্বাচনে আসবে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা বলেছেন, দলের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থেই বিএনপি আগামী নির্বাচনে আসবে। অন্যথায় তারা মুসলিম লীগে পরিণত হবে।

তারা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই সরকার অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা করবে। গত ৯ জানুয়ারি চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করলে হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন তা সমর্থন করেন।

গত ৭ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদের ১৯তম ও বছরের প্রথম অধিবেশনের শুরুর দিন সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংসদে এ ভাষণ দেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর বুধবার ১২তম দিনে সরকারি দলের মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম (বীরউত্তম), এ. কে. এম. এ আউয়াল (সাইদুর রহমান), সাধন চন্দ্র মজুমদার, খন্দকার আজিজুল হক আরজু, ফরিদুল হক খান, মাহবুব আলী, কাজী রোজী, ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা ও টিপু সুলতান আলোচনায় অংশ নেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা বলেন, আগামী নির্বাচনে না আসলে বিএনপি মুসলিম লীগে পরিণত হবে। তারা বলেন, আগামী নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। সংবিধানের বাইরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই।

তারা বলেন, রাষ্ট্রপতি ভাষণে দেশে বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্যসহ সার্বিক উন্নয়নের বিষয় তুলে ধরেছেন। তিনি তার ভাষণে দেশের উন্নয়নের যথাযথ ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের বিদ্যুৎ, শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য সেবা, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, নৌপরিবহন খাতসহ প্রতিটি খাতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। দেশের উন্নয়নের প্রতিটি সূচক এখন উর্ধ্বমুখী।

মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মাদার অব হিউমিনিটি উপাধি পেয়েছেন উল্লেখ করে সদস্যরা বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন। শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন।

জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনি উল্লেখ করে তারা বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছেন। বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুনর্বাসিত করেছেন। এতেই প্রমাণিত হয় তিনি বঙ্গবন্ধুকে খুন করেছেন, এ ব্যাপারে আর কোন সাক্ষী প্রমাণের প্রযোজন নেই।

তারা বলেন, গ্রাম থেকে শহরে দেশের সর্বত্র উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। দেশের সুষম উন্নয়নে সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে। স্বাস্থ্য সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে।

সংসদ সদস্যরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের অর্থনীতি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয় এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে আবির্ভূত হবে। তারা বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে সব খাতেই ব্যাপক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এ বিষয়টি আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। এদেশের উন্নয়ন এখন বিশ্বের মানুষের কাছে এক বিষ্ময়কর বিষয়। শেখ হাসিনার সাফল্যে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ কর্তৃক প্রশংসিত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হার্ট অ্যাটাকে হাসপাতালে ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’-এর রইছখ্যাত বিজয়

দলের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থেই বিএনপি নির্বাচনে আসবে

আপডেট সময় ১০:৪৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা বলেছেন, দলের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থেই বিএনপি আগামী নির্বাচনে আসবে। অন্যথায় তারা মুসলিম লীগে পরিণত হবে।

তারা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই সরকার অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা করবে। গত ৯ জানুয়ারি চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করলে হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন তা সমর্থন করেন।

গত ৭ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদের ১৯তম ও বছরের প্রথম অধিবেশনের শুরুর দিন সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংসদে এ ভাষণ দেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর বুধবার ১২তম দিনে সরকারি দলের মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম (বীরউত্তম), এ. কে. এম. এ আউয়াল (সাইদুর রহমান), সাধন চন্দ্র মজুমদার, খন্দকার আজিজুল হক আরজু, ফরিদুল হক খান, মাহবুব আলী, কাজী রোজী, ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা ও টিপু সুলতান আলোচনায় অংশ নেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা বলেন, আগামী নির্বাচনে না আসলে বিএনপি মুসলিম লীগে পরিণত হবে। তারা বলেন, আগামী নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। সংবিধানের বাইরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই।

তারা বলেন, রাষ্ট্রপতি ভাষণে দেশে বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্যসহ সার্বিক উন্নয়নের বিষয় তুলে ধরেছেন। তিনি তার ভাষণে দেশের উন্নয়নের যথাযথ ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের বিদ্যুৎ, শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য সেবা, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, নৌপরিবহন খাতসহ প্রতিটি খাতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। দেশের উন্নয়নের প্রতিটি সূচক এখন উর্ধ্বমুখী।

মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মাদার অব হিউমিনিটি উপাধি পেয়েছেন উল্লেখ করে সদস্যরা বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন। শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন।

জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনি উল্লেখ করে তারা বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছেন। বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুনর্বাসিত করেছেন। এতেই প্রমাণিত হয় তিনি বঙ্গবন্ধুকে খুন করেছেন, এ ব্যাপারে আর কোন সাক্ষী প্রমাণের প্রযোজন নেই।

তারা বলেন, গ্রাম থেকে শহরে দেশের সর্বত্র উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। দেশের সুষম উন্নয়নে সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে। স্বাস্থ্য সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে।

সংসদ সদস্যরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের অর্থনীতি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয় এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে আবির্ভূত হবে। তারা বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে সব খাতেই ব্যাপক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এ বিষয়টি আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। এদেশের উন্নয়ন এখন বিশ্বের মানুষের কাছে এক বিষ্ময়কর বিষয়। শেখ হাসিনার সাফল্যে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ কর্তৃক প্রশংসিত।