ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের অফিসারদের নিয়ে নিরাপদ দেশ গড়েছি: আইজিপি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের অফিসারদের নিয়ে জঙ্গিবাদ থেকে দেশ বাঁচানোর কারণে বাংলাদেশ একটি নিরাপদ দেশ হিসেবে আজ বিশ্বের বুকে পরিচিতি লাভ করেছে। এটাই পুলিশের সক্ষমতা। রোববার বিকালে শরীয়তপুর পুলিশ লাইনস মাঠে জেলা পুলিশের আয়োজনে বিভিন্ন স্থাপনা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

পুলিশ প্রধান বলেন, আমি যখন ২০১৫ সালে দায়িত্ব পাই তখন ৩ মাসে পেট্রল সন্ত্রাস রাজনৈতিক আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। শিশু শ্রমিক পুড়িয়ে মেরেছে। তাদের গ্রেফতার করে আন্দোলন দমন করেছি। তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে যারা পেট্রলবোমা মেরে মানুষ পুড়িয়ে মারার হুকুম দেয়, পরিকল্পনা করে কাউকে জিজ্ঞেস না করে রুই কাতলাদের গ্রেফতার করে তাদের মনোবল ভেঙে দিয়েছি।

আইজিপি আরও বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের ধরে ফেলেছি কারও সঙ্গে আলাপ করিনি। ভুল হোক আর শুদ্ধ হোক পরের ব্যাপার। তখন যদি তাদের গ্রেফতার না করা হতো-পরে আর তাদের গ্রেফতার করা যেত না। তারা চলে যেত দেশের বাইরে। পরবর্তী সময়ে তাদের ফাঁসি দেয়া হয়েছে। তা না হলে তারা সরকারের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করত।

তিনি বলেন, হলি আর্টিজান, শোলাকিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি হামলার পরে আমি পুলিশের কিছু চৌকস কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি টিম গঠন করে জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক সন্ধান করে কমপক্ষে ৪০টি অভিযান করে জঙ্গিদের গ্রেফতার করে জঙ্গি দমন করেছি। অনেক স্থানে তাদের আত্মীয়স্বজনদের আটক করে তাদের দিয়ে ফোন করে জঙ্গিদের আত্মসমর্পণ করানো হয়েছে। এর ফলে জঙ্গিদের আস্তানা ভেঙে গেছে।

পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হোসাইন খান, মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ সীমন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, শরীয়তপুর পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল, জাজিরা উপজেলা চেয়ারম্যান মোবারক আলী সিকদার, গোসাআরহাট উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ নাসির, ডামুড্যা উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন মাঝি, নড়িয়া উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম ইসমাইল হক, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক আলাউদ্দিন হাওলাদার।

এর আগে আইজিপি চিকন্দি পুলিশ ফাঁড়ি, পুলিশের নড়িয়া সার্কেল অফিস, গোসাইরহাটের হাটুরিয়া পুলিশ ফাঁড়ি, পুলিশ অফিসার্স মেস ও মহিলা পুলিশ ব্যারাকের উদ্বোধন করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের অফিসারদের নিয়ে নিরাপদ দেশ গড়েছি: আইজিপি

আপডেট সময় ০৯:০৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের অফিসারদের নিয়ে জঙ্গিবাদ থেকে দেশ বাঁচানোর কারণে বাংলাদেশ একটি নিরাপদ দেশ হিসেবে আজ বিশ্বের বুকে পরিচিতি লাভ করেছে। এটাই পুলিশের সক্ষমতা। রোববার বিকালে শরীয়তপুর পুলিশ লাইনস মাঠে জেলা পুলিশের আয়োজনে বিভিন্ন স্থাপনা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

পুলিশ প্রধান বলেন, আমি যখন ২০১৫ সালে দায়িত্ব পাই তখন ৩ মাসে পেট্রল সন্ত্রাস রাজনৈতিক আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। শিশু শ্রমিক পুড়িয়ে মেরেছে। তাদের গ্রেফতার করে আন্দোলন দমন করেছি। তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে যারা পেট্রলবোমা মেরে মানুষ পুড়িয়ে মারার হুকুম দেয়, পরিকল্পনা করে কাউকে জিজ্ঞেস না করে রুই কাতলাদের গ্রেফতার করে তাদের মনোবল ভেঙে দিয়েছি।

আইজিপি আরও বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের ধরে ফেলেছি কারও সঙ্গে আলাপ করিনি। ভুল হোক আর শুদ্ধ হোক পরের ব্যাপার। তখন যদি তাদের গ্রেফতার না করা হতো-পরে আর তাদের গ্রেফতার করা যেত না। তারা চলে যেত দেশের বাইরে। পরবর্তী সময়ে তাদের ফাঁসি দেয়া হয়েছে। তা না হলে তারা সরকারের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করত।

তিনি বলেন, হলি আর্টিজান, শোলাকিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি হামলার পরে আমি পুলিশের কিছু চৌকস কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি টিম গঠন করে জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক সন্ধান করে কমপক্ষে ৪০টি অভিযান করে জঙ্গিদের গ্রেফতার করে জঙ্গি দমন করেছি। অনেক স্থানে তাদের আত্মীয়স্বজনদের আটক করে তাদের দিয়ে ফোন করে জঙ্গিদের আত্মসমর্পণ করানো হয়েছে। এর ফলে জঙ্গিদের আস্তানা ভেঙে গেছে।

পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হোসাইন খান, মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ সীমন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, শরীয়তপুর পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল, জাজিরা উপজেলা চেয়ারম্যান মোবারক আলী সিকদার, গোসাআরহাট উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ নাসির, ডামুড্যা উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন মাঝি, নড়িয়া উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম ইসমাইল হক, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক আলাউদ্দিন হাওলাদার।

এর আগে আইজিপি চিকন্দি পুলিশ ফাঁড়ি, পুলিশের নড়িয়া সার্কেল অফিস, গোসাইরহাটের হাটুরিয়া পুলিশ ফাঁড়ি, পুলিশ অফিসার্স মেস ও মহিলা পুলিশ ব্যারাকের উদ্বোধন করেন।