অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
এসডিজি বাস্তবায়নে বিকল্প অর্থায়নের ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে নিজস্ব উদ্ভাবনকে কাজে লাগাতে হবে। অর্থায়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি খাত ও নিজস্ব অর্থের উৎসকে প্রাধান্য দিতে হবে।
রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের (বিডিএফ) সমাপনী দিনে এসডিজির সমন্বিত অর্থায়ন ব্যবস্থা এবং বহুপক্ষীয় অংশগ্রহণ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় এ সব কথা উঠে আসে।
পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে এতে মূল উপস্থাপনা পেশ করেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য ড. শামসুল আলম। এতে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, ইউএনডিপির কান্ট্রি ডিরেক্টর সুদীপ্ত মুখার্জী, পিকেএসএফ এর চেয়ারম্যান কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট (এসডিজি) একক কোন দেশের এজেন্ডা নয়, এটি বৈশ্বিক এজেন্ডা। এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে অংশীদারিত্ব অন্যতম। আমার মতে বাংলাদেশের এসডিজি অর্জনে উন্নয়ন সহযোগীদের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ সময় চলতি অর্থবছর প্রবৃদ্ধির হার সাড়ে ৭ শতাংশ হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মূল উপস্থাপনায় ড. শামসুল আলম বলেন, এসডিজি অর্জনে ২০৩০ সাল পর্যন্ত এই ১৩ বছরে বাংলাদেশের অতিরিক্ত ৯২৮ বিলিয়র ডলার প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ অর্থায়ন বিদেশি উৎস থেকে আসতে হবে। অর্থায়ন বলতে কেবল টাকা পয়সা দিয়ে সহযোগিতা নয়, জ্ঞান-প্রযুক্তি ও উন্নয়ন অংশীদারীত্ববের মাধ্যমে তারা এ সহযোগিতা করবেন।
অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, অর্থায়নের সমস্যা সব সময় থাকে, থাকবে। তবে এসডিজি বাস্তবায়নের অর্থ আসবেই। কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, বাংলাদেশে প্রান্তিক পর্যায়ে ছোট ছোট প্রকল্প বেশি কার্যকর। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয়ও কম। এগুলো থেকে দরিদ্র জনগোষ্ঠী বেশি উপকৃত হয়, এক পর্যায়ে তারা নিজেরাই সাবলম্বী হয়ে উঠে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















