ঢাকা ০৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রমাণ ছাড়া প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ালে তাৎক্ষণিক গ্রেফতার: শিক্ষামন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন-দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নে চীন ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হয়ে থাকবে : হুমায়ুন কবির গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: মির্জা ফখরুল নারী ও শিশু নির্যাতনকারী ‘সমাজের শত্রু’: সমাজকল্যাণমন্ত্রী বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক এখন দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্বে: মাহদী আমিন মাদকের বিরুদ্ধে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পদত্যাগ করব: এমপি মনিরুল হক দেশের রিজার্ভে ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল ইসরায়েলকে লেবানন ছাড়তে হবে: হিজবুল্লাহ প্রধান বনানীতে নির্মাণাধীন আবাসিক ভবনে এডিস মশার লার্ভা, জরিমানা ৫০ হাজার জুয়া ও মাদকমুক্ত দেশ গড়তে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন শেখ হাসিনা বাস্তবায়ন করছেন: শিল্পমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে খুনিরা তাঁর স্বপ্নের বাস্তবায়ন কিছুদিনের জন্য ব্যাহত করতে পারলেও তাঁর সুযোগ্য কন্যার নেতৃত্বে সে স্বপ্ন আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। আজ বুধবার সংসদে ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এক অনির্ধারিত আলোচনায় শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে ফিরে ১২ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের দায়িত্ব নিয়ে যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে গড়ে তোলার কাজে হাত দেন। সাড়ে ৩ বছরে তিনি দেশকে একটি অবস্থানে নিয়ে এসেছিলেন। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের দ্বিতীয় বিপ্লবের ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু ’৭৫’র ১৫ আগস্ট খুনি মোস্তাকরা সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যা করে দেশের উন্নয়নের চাকা পেছনের দিকে ঠেলে দেয়।

আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধকে হত্যা করেছিল। পাশাপাশি দেশকে একটি নব্য পাকিস্তানে পরিণত করেছিল।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বাঙালি জাতির সৌভাগ্যের বিষয় যে, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নানা চড়াই-উৎরাই, জেল-জুলুম সহ্য করে সরকারের দায়িত্বে এসে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের দ্বিতীয় বিপ্লব সুখী-সমৃদ্ধ, দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশ ইতোমধ্যে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। অচিরেই মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। ’৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে দেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বের কারণে তিনি ‘স্টার অব দ্যা ইস্ট’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। পাশাপাশি বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্বে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ উপাধিতেও ভূষিত হয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রমাণ ছাড়া প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ালে তাৎক্ষণিক গ্রেফতার: শিক্ষামন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন শেখ হাসিনা বাস্তবায়ন করছেন: শিল্পমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:২৯:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে খুনিরা তাঁর স্বপ্নের বাস্তবায়ন কিছুদিনের জন্য ব্যাহত করতে পারলেও তাঁর সুযোগ্য কন্যার নেতৃত্বে সে স্বপ্ন আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। আজ বুধবার সংসদে ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এক অনির্ধারিত আলোচনায় শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে ফিরে ১২ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের দায়িত্ব নিয়ে যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে গড়ে তোলার কাজে হাত দেন। সাড়ে ৩ বছরে তিনি দেশকে একটি অবস্থানে নিয়ে এসেছিলেন। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের দ্বিতীয় বিপ্লবের ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু ’৭৫’র ১৫ আগস্ট খুনি মোস্তাকরা সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যা করে দেশের উন্নয়নের চাকা পেছনের দিকে ঠেলে দেয়।

আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধকে হত্যা করেছিল। পাশাপাশি দেশকে একটি নব্য পাকিস্তানে পরিণত করেছিল।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বাঙালি জাতির সৌভাগ্যের বিষয় যে, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নানা চড়াই-উৎরাই, জেল-জুলুম সহ্য করে সরকারের দায়িত্বে এসে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের দ্বিতীয় বিপ্লব সুখী-সমৃদ্ধ, দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশ ইতোমধ্যে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। অচিরেই মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। ’৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে দেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বের কারণে তিনি ‘স্টার অব দ্যা ইস্ট’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। পাশাপাশি বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্বে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ উপাধিতেও ভূষিত হয়েছেন।