ঢাকা ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দুর্নীতি করে নিজেদের ভাগ্য গড়তে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নই একমাত্র লক্ষ্য জানিয়ে তার কন্যা শেখ হাসিনা বলেছেন, দুর্নীতি করে নিজের ভাগ্য গড়ার তার কাজ নয়। নতুন বছরর প্রথম দিন সোমবার ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনু্ষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু কন্যা এসব কথা বলেন।

বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রাম, দেশের স্বাধীনতার পর অর্থনৈতিক ‍মুক্তির জন্য বঙ্গবন্ধুর চেষ্টার কথা তুলে ধরেন তার মেয়ে। বলেন, বাবার দেখানো পথেই চলছেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই দেশ আমার বাবা স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। তার তো একটা স্বপ্ন ছিল, তার কী স্বপ্ন ছিল, সেটা তো এই পরিবারের সদস্য হিসেবে আমরা জানি।’

‘যে বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। সেই চিন্তা ভাবনা নিয়েই আমরা রাষ্ট্র পরিচালনা করি যাতে দেশটা যেন উন্নত হয়, সমৃদ্ধশালী হয়।’

‘দেশের প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি নাগরিক যখন বিশ্ব দরবারে যাবে, পৃথিবীর কোথাও যাবে মাথা উঁচু করে যেন বলতে পারে যে, আমি বাংলাদেশের নাগরিক, মর্যাদা নিয়ে চলি, কারও কাছে হাত পেতে নয়।’

পদ্মাসেতুতে দুর্নীতি চেষ্টার অভিযোগ নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘দেশ গড়তে এসেছি, নিজের ভাগ্য গড়তে না, দেশের মানুষের ভাগ্য গড়তে।’

‘প্রধানমন্ত্রী তো অল্প সময়ের দায়িত্ব। এই সময়টুকু সম্পূর্ণ কাজে লাগাতে চাই, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য কতটুকু গড়ে দিতে পারলাম সে দিকেই মনযোগী হয়ে কাজ করি। এখানে দুর্নীতি করতেও আসিনি, নিজেদের ভাগ্য গড়তেও আসিনি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক যখন দোষারোপ করেছিল, আমি চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম, অনেকেই তখন বলেছিল বিশ্বব্যাংক ছাড়া আমরা এটা করতে পারব না। আমি বলেছিলাম, আমার ১৬ কোটি মানুষ আছে। ডাক দিলে তারা আসবে না, আমি বিশ্বাস করি না। তারা আমাদরে মর্যাদা সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন।’

‘আমরা নিজেরা এটা তৈরি করছি এবং এই একটা সিদ্ধান্ত বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

দুর্নীতি করে নিজেদের ভাগ্য গড়তে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:০৯:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নই একমাত্র লক্ষ্য জানিয়ে তার কন্যা শেখ হাসিনা বলেছেন, দুর্নীতি করে নিজের ভাগ্য গড়ার তার কাজ নয়। নতুন বছরর প্রথম দিন সোমবার ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনু্ষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু কন্যা এসব কথা বলেন।

বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রাম, দেশের স্বাধীনতার পর অর্থনৈতিক ‍মুক্তির জন্য বঙ্গবন্ধুর চেষ্টার কথা তুলে ধরেন তার মেয়ে। বলেন, বাবার দেখানো পথেই চলছেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই দেশ আমার বাবা স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। তার তো একটা স্বপ্ন ছিল, তার কী স্বপ্ন ছিল, সেটা তো এই পরিবারের সদস্য হিসেবে আমরা জানি।’

‘যে বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। সেই চিন্তা ভাবনা নিয়েই আমরা রাষ্ট্র পরিচালনা করি যাতে দেশটা যেন উন্নত হয়, সমৃদ্ধশালী হয়।’

‘দেশের প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি নাগরিক যখন বিশ্ব দরবারে যাবে, পৃথিবীর কোথাও যাবে মাথা উঁচু করে যেন বলতে পারে যে, আমি বাংলাদেশের নাগরিক, মর্যাদা নিয়ে চলি, কারও কাছে হাত পেতে নয়।’

পদ্মাসেতুতে দুর্নীতি চেষ্টার অভিযোগ নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘দেশ গড়তে এসেছি, নিজের ভাগ্য গড়তে না, দেশের মানুষের ভাগ্য গড়তে।’

‘প্রধানমন্ত্রী তো অল্প সময়ের দায়িত্ব। এই সময়টুকু সম্পূর্ণ কাজে লাগাতে চাই, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য কতটুকু গড়ে দিতে পারলাম সে দিকেই মনযোগী হয়ে কাজ করি। এখানে দুর্নীতি করতেও আসিনি, নিজেদের ভাগ্য গড়তেও আসিনি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক যখন দোষারোপ করেছিল, আমি চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম, অনেকেই তখন বলেছিল বিশ্বব্যাংক ছাড়া আমরা এটা করতে পারব না। আমি বলেছিলাম, আমার ১৬ কোটি মানুষ আছে। ডাক দিলে তারা আসবে না, আমি বিশ্বাস করি না। তারা আমাদরে মর্যাদা সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন।’

‘আমরা নিজেরা এটা তৈরি করছি এবং এই একটা সিদ্ধান্ত বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।’