ঢাকা ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খালেদা জিয়াই হচ্ছে ভৌতিক ছবির বাস্তব রুপ: ড. হাছান মাহমুদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে ভৌতিক ছবির বাস্তব রুপ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি নেতাদের অপরাজনীতির কারনে জনগন তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, তারা (বিএনপি) বুঝতে পেরেছেন আগামী নির্বাচনে জনগন তাদেরকে আর ভোট দিবে না। সেজন্য তাদের কথার মধ্যে অসংলগ্নতা লক্ষ করা যাচ্ছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব যখন বলেন জানুয়ারিতে আওয়ামী লীগকে খুজে পাওয়া যাবে না তখন তার মানসিক সুস্থতা নিয়ে আমাদের প্রশ্ন জাগে।

রিজভী আহমেদ বলেছেন বেগম জিয়ার দূর্নীতী সম্পর্কে আমাদের বক্তব্য নাকি ভর দুপুরে বট গাছের নিছে ভূত দেখার মত। বাংলাদেশের মানুষ ভূতের গল্প শুনেছে আমিও গল্প শুনেছি কখনও দেখি নাই তবে আমরা বেগম খালেদা জিয়ার যে ভৌতিক রুপ দেখেছি মানুষকে বোমা মেরে হত্যা করা, জীবন্ত মানুষের গায়ে পেট্রোল ঢেলে দিয়ে হত্যা করা। তাই রিজভী সাহবেকে বলতে চাই বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছে ভৌতিক ছবির বাস্তব রুপ। আপনাদের নেত্রীই ভূতের রুপে আর্ভিভূত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, সামনে নির্বাচন। সেই নির্বাচনে জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমরা কি যারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে তাদেরকে ক্ষমতায় বসাবো? যারা ঘুমন্ত মানুষের গায়ে পেট্রােল ঢেলে দিয়ে হত্যা করে তাদেরকে ক্ষমতায় বসাবো? নাকি আমরা যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে একজন রিক্সা চালক দিনে দুই শত টাকার জায়গায় ছয়শত টাকা রোজগার করে তাদের আয় আরো বাড়ানোর জন্য শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় বসাবো?

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের সৌদিআরবে বানিজ্যিক ভবন, কাতারে শপিং মলসহ ১২টি দেশে সম্পত্তি রয়েছে। বেগম জিয়া নিজেই স্বীকার করেছেন তিনি দুর্নীতিবাজ। যখন বেগম জিয়া কালো টাকা সাদা করেছেন তখনই তিনি স্বীকার করেছেন তিনি দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ অর্থ উপার্জন করেছেন। তার এক পুত্রের বিরুদ্ধে এফবিআই এসে সাক্ষী দিয়ে গেছে। আর এক পুত্রের দূর্নীতী সিঙ্গাপুরে ধরা পরেছে। সুতরাং যিনি আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ, অবৈধ সম্পদ অর্জনকারী তার বিরোদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হোক এটি আজকে জনগণের প্রত্যাশা।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রংপুরে গিয়ে আচ করতে পেরেছেন তাদের প্রার্থী হয়তো দুই নম্বর ও হবে না। সেজন্য তিনি আগে থেকে উল্টা পাল্টা কথা বলার চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সমস্ত নির্বাচনই নির্বাচন কমিশনের অধিনে হবে সরকারের অধিনে কোন নির্বাচন হয়না। আগামী নির্বাচনও নির্বাচন কমিশনের অধিনেই হবে। সরকার তখন রুটিন কাজ করবে। সুতরাং অাগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিন। এই ফর্মুলা সেই ফর্মুলা দিয়ে কোন কাজ হবে না। সংবিধানের একচুলও ব্যত্তয় হবে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খাদ্যমন্ত্রী এড.কামরুল ইসলাম বলেন, আগামী নির্বাচন হবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে। বিএনপি এখনই অনুধাবন করছে আগামী নিবার্চনে তাদের ভরাডুবি হবে। এ জন্য ফখরুল ও রিজভী প্রলাপ বকছেন। তাদের বক্তব্যে কোনে শিষ্টাচার নেই। আগামী নিবার্চন সুষ্ঠু হবে। সেই নির্বাচনের আয়োজন করবে ইসি আর নিবার্চনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করবেন বর্তমান সরকার।

তিনি আরও বলেন, বিএনপিকে মাঠে ছেড়ে দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। তারা অবাধে বিচরণ করতে পারবে সেটার কোনে সুযোগ দেয়া হবে না। নির্বাচন হবে প্রতিযোগিতামূলক। তাই আগামী নির্বাচনে প্রস্তুতি নেন। কোনো ছাড় দেয়া হবে না। এমনকি কোনো আলাপ-আলোচনা করারও কিছু নেই।

আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, খাদ্যমন্ত্রী অ্যাড. কামরুল ইসলাম এম.পি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, আয়োজক সংগঠনের সভাপতি জিন্নাত আলি খান জিন্নাহ, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন টয়েল প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খালেদা জিয়াই হচ্ছে ভৌতিক ছবির বাস্তব রুপ: ড. হাছান মাহমুদ

আপডেট সময় ০৬:৫৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে ভৌতিক ছবির বাস্তব রুপ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি নেতাদের অপরাজনীতির কারনে জনগন তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, তারা (বিএনপি) বুঝতে পেরেছেন আগামী নির্বাচনে জনগন তাদেরকে আর ভোট দিবে না। সেজন্য তাদের কথার মধ্যে অসংলগ্নতা লক্ষ করা যাচ্ছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব যখন বলেন জানুয়ারিতে আওয়ামী লীগকে খুজে পাওয়া যাবে না তখন তার মানসিক সুস্থতা নিয়ে আমাদের প্রশ্ন জাগে।

রিজভী আহমেদ বলেছেন বেগম জিয়ার দূর্নীতী সম্পর্কে আমাদের বক্তব্য নাকি ভর দুপুরে বট গাছের নিছে ভূত দেখার মত। বাংলাদেশের মানুষ ভূতের গল্প শুনেছে আমিও গল্প শুনেছি কখনও দেখি নাই তবে আমরা বেগম খালেদা জিয়ার যে ভৌতিক রুপ দেখেছি মানুষকে বোমা মেরে হত্যা করা, জীবন্ত মানুষের গায়ে পেট্রোল ঢেলে দিয়ে হত্যা করা। তাই রিজভী সাহবেকে বলতে চাই বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছে ভৌতিক ছবির বাস্তব রুপ। আপনাদের নেত্রীই ভূতের রুপে আর্ভিভূত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, সামনে নির্বাচন। সেই নির্বাচনে জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমরা কি যারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে তাদেরকে ক্ষমতায় বসাবো? যারা ঘুমন্ত মানুষের গায়ে পেট্রােল ঢেলে দিয়ে হত্যা করে তাদেরকে ক্ষমতায় বসাবো? নাকি আমরা যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে একজন রিক্সা চালক দিনে দুই শত টাকার জায়গায় ছয়শত টাকা রোজগার করে তাদের আয় আরো বাড়ানোর জন্য শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় বসাবো?

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের সৌদিআরবে বানিজ্যিক ভবন, কাতারে শপিং মলসহ ১২টি দেশে সম্পত্তি রয়েছে। বেগম জিয়া নিজেই স্বীকার করেছেন তিনি দুর্নীতিবাজ। যখন বেগম জিয়া কালো টাকা সাদা করেছেন তখনই তিনি স্বীকার করেছেন তিনি দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ অর্থ উপার্জন করেছেন। তার এক পুত্রের বিরুদ্ধে এফবিআই এসে সাক্ষী দিয়ে গেছে। আর এক পুত্রের দূর্নীতী সিঙ্গাপুরে ধরা পরেছে। সুতরাং যিনি আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ, অবৈধ সম্পদ অর্জনকারী তার বিরোদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হোক এটি আজকে জনগণের প্রত্যাশা।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রংপুরে গিয়ে আচ করতে পেরেছেন তাদের প্রার্থী হয়তো দুই নম্বর ও হবে না। সেজন্য তিনি আগে থেকে উল্টা পাল্টা কথা বলার চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সমস্ত নির্বাচনই নির্বাচন কমিশনের অধিনে হবে সরকারের অধিনে কোন নির্বাচন হয়না। আগামী নির্বাচনও নির্বাচন কমিশনের অধিনেই হবে। সরকার তখন রুটিন কাজ করবে। সুতরাং অাগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিন। এই ফর্মুলা সেই ফর্মুলা দিয়ে কোন কাজ হবে না। সংবিধানের একচুলও ব্যত্তয় হবে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খাদ্যমন্ত্রী এড.কামরুল ইসলাম বলেন, আগামী নির্বাচন হবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে। বিএনপি এখনই অনুধাবন করছে আগামী নিবার্চনে তাদের ভরাডুবি হবে। এ জন্য ফখরুল ও রিজভী প্রলাপ বকছেন। তাদের বক্তব্যে কোনে শিষ্টাচার নেই। আগামী নিবার্চন সুষ্ঠু হবে। সেই নির্বাচনের আয়োজন করবে ইসি আর নিবার্চনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করবেন বর্তমান সরকার।

তিনি আরও বলেন, বিএনপিকে মাঠে ছেড়ে দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। তারা অবাধে বিচরণ করতে পারবে সেটার কোনে সুযোগ দেয়া হবে না। নির্বাচন হবে প্রতিযোগিতামূলক। তাই আগামী নির্বাচনে প্রস্তুতি নেন। কোনো ছাড় দেয়া হবে না। এমনকি কোনো আলাপ-আলোচনা করারও কিছু নেই।

আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, খাদ্যমন্ত্রী অ্যাড. কামরুল ইসলাম এম.পি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, আয়োজক সংগঠনের সভাপতি জিন্নাত আলি খান জিন্নাহ, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন টয়েল প্রমুখ।