ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর লিখিত প্রস্তাব বিনিময় করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় টাউন হল সভা চালু থাকবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট সরকার দেশে ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে গেছে: প্রতিমন্ত্রী ‘এক-এগারোর’ মাসুদ উদ্দিন ফের ৪ দিনের রিমান্ডে কাল থেকে ৪ সিটিতে হামের টিকা শুরু, যাদের না দেয়ার পরামর্শ জনগণের অধিকার আদায়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির ‘নগরবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়’ কক্সবাজারের পর্যটন স্পটে মিলবে ফ্রি ইন্টারনেট: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী তেল আছে শুধু সংসদে: জামায়াত আমির

প্রতিটি জেলায় একটি করে হাইটেক পার্ক স্থাপন হবে: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরে নবনির্মিত শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী আজ দুপুরে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই পার্কের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এসময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও আইসিটি সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে দেশের সকল জেলায় একটি করে হাইটেক পার্ক স্থাপন করা হবে।’ এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে প্রধানমন্ত্রী ২০১০ সালের ২৭ ডিসেম্বর দক্ষিণ বঙ্গকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সম্পৃক্ত করতে যশোরের জনসমাবেশে এখানে একটি আইটি পার্ক নির্মাণের যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, আজ ওই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলো।

পার্কটির প্রকল্প পরিচালক তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের যুগ্ম সচিব জাহাঙ্গীর আলম জানান, শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্কটিতে ইতোমধ্যে ৫৫টি প্রতিষ্ঠানকে জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যেখানে কাজ শুরু করেছে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান। এখন ১২ প্রতিষ্ঠান তাদের অফিস সজ্জার কাজ করছে। অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যশোরের বেজপাড়া এলাকায় ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এতে ব্যয় হয় ২৪১ কোটি টাকা। মোট জায়গার পরিমাণ দুই লাখ ৩২ হাজার বর্গফুট। প্রতিটি ফ্লোরে ১৪ হাজার বর্গফুটের জায়গা রয়েছে। শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে ৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে।

এই হাইটেক পার্কে আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধাসহ রয়েছে ১৫ তলা বিশিষ্ট মাল্টি-টেন্যান্ট বিল্ডিং, আন্তর্জাতিক থ্রি-স্টার মানের আবাসন ও জিমনেসিয়ামের সুবিধাসহ ১২ তলা বিশিষ্ট ডরমিটরি বিল্ডিং, একটি ক্যান্টিন ও অ্যাম্ফিথিয়েটার। ৩৩ কেভিএ পাওয়ার সাব-স্টেশন, ফাইবার অপটিক ইন্টারনেট লাইন এবং অন্যান্য ইউটিলিটি সার্ভিসের সুবিধা রয়েছে।

রূপকল্প-২০২১ এবং জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) নির্ধারিত সময়ের পূর্বে অর্জনের লক্ষ্যে দেশের সকল বিভাগ/জেলায় হাই-টেক/আইটি পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এ পর্যন্ত ২৮টি হাই-টেক/আইটি পার্ক স্থাপনের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ঢাকার কারওয়ান বাজারে জনতা টাওয়ার সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক এবং যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর

প্রতিটি জেলায় একটি করে হাইটেক পার্ক স্থাপন হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:০৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরে নবনির্মিত শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী আজ দুপুরে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই পার্কের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এসময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও আইসিটি সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে দেশের সকল জেলায় একটি করে হাইটেক পার্ক স্থাপন করা হবে।’ এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে প্রধানমন্ত্রী ২০১০ সালের ২৭ ডিসেম্বর দক্ষিণ বঙ্গকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সম্পৃক্ত করতে যশোরের জনসমাবেশে এখানে একটি আইটি পার্ক নির্মাণের যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, আজ ওই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলো।

পার্কটির প্রকল্প পরিচালক তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের যুগ্ম সচিব জাহাঙ্গীর আলম জানান, শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্কটিতে ইতোমধ্যে ৫৫টি প্রতিষ্ঠানকে জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যেখানে কাজ শুরু করেছে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান। এখন ১২ প্রতিষ্ঠান তাদের অফিস সজ্জার কাজ করছে। অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যশোরের বেজপাড়া এলাকায় ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এতে ব্যয় হয় ২৪১ কোটি টাকা। মোট জায়গার পরিমাণ দুই লাখ ৩২ হাজার বর্গফুট। প্রতিটি ফ্লোরে ১৪ হাজার বর্গফুটের জায়গা রয়েছে। শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে ৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে।

এই হাইটেক পার্কে আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধাসহ রয়েছে ১৫ তলা বিশিষ্ট মাল্টি-টেন্যান্ট বিল্ডিং, আন্তর্জাতিক থ্রি-স্টার মানের আবাসন ও জিমনেসিয়ামের সুবিধাসহ ১২ তলা বিশিষ্ট ডরমিটরি বিল্ডিং, একটি ক্যান্টিন ও অ্যাম্ফিথিয়েটার। ৩৩ কেভিএ পাওয়ার সাব-স্টেশন, ফাইবার অপটিক ইন্টারনেট লাইন এবং অন্যান্য ইউটিলিটি সার্ভিসের সুবিধা রয়েছে।

রূপকল্প-২০২১ এবং জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) নির্ধারিত সময়ের পূর্বে অর্জনের লক্ষ্যে দেশের সকল বিভাগ/জেলায় হাই-টেক/আইটি পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এ পর্যন্ত ২৮টি হাই-টেক/আইটি পার্ক স্থাপনের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ঢাকার কারওয়ান বাজারে জনতা টাওয়ার সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক এবং যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।