ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নবজাতককে ওয়াশিং মেশিনে ঢুকিয়ে হত্যা করল মা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চেয়েছিলেন ছেলে হোক। কিন্তু তার বদলে কোলে এসেছিল মেয়ে। হতাশায় আরতি নামের এক তরুণী তাই তিন মাসের সন্তানকে শ্বাসরোধ করে ঢুকিয়ে দিলেন ওয়াশিং মেশিনে। ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে ঘটেছে এই ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, গত রবিবার সন্তানকে খুনের অভিযোগে ওই তরুণীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গাজিয়াবাদের জ্যেষ্ঠ পুলিশ সুপার আকাশ তোমর জানিয়েছেন, মাস তিনেক আগে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন পটলা শহরের বাসিন্দা আরতি। তোমরের দাবি, ‘নিজের মেয়েকে খুনের কথা প্রথমে মানতে চাননি আরতি। তবে পুলিশি জেরায় শেষমেশ তা স্বীকার করে নেন তিনি।’

ওই পুলিশ কর্তা আরও বলেন, ‘ছেলে না হওয়ায় খুবই হতাশ হয়ে পড়েছিলেন আরতি। সেই রাগেই বালিশ চাপা দিয়ে নিজের মেয়ের শ্বাসরোধ করেন তিনি। এর পর ওয়াশিং মেশিনে শিশুটির দেহ ঢুকিয়ে দেন।’

তিনি আরও জানান, পুলিশকে প্রথমে আরতি জানিয়েছিলেন, তার মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে। এরপর জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। জেরার মুখে ভেঙে পড়ে নিজের অপরাধ স্বীকার করেন আরতি। আরতির পরিবারের দাবি, পুত্রসন্তানের জন্য আরতিকে কোনও রকম চাপ দেয়া হয়নি। তবে সবটাই তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবজাতককে ওয়াশিং মেশিনে ঢুকিয়ে হত্যা করল মা

আপডেট সময় ১২:৫৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চেয়েছিলেন ছেলে হোক। কিন্তু তার বদলে কোলে এসেছিল মেয়ে। হতাশায় আরতি নামের এক তরুণী তাই তিন মাসের সন্তানকে শ্বাসরোধ করে ঢুকিয়ে দিলেন ওয়াশিং মেশিনে। ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে ঘটেছে এই ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, গত রবিবার সন্তানকে খুনের অভিযোগে ওই তরুণীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গাজিয়াবাদের জ্যেষ্ঠ পুলিশ সুপার আকাশ তোমর জানিয়েছেন, মাস তিনেক আগে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন পটলা শহরের বাসিন্দা আরতি। তোমরের দাবি, ‘নিজের মেয়েকে খুনের কথা প্রথমে মানতে চাননি আরতি। তবে পুলিশি জেরায় শেষমেশ তা স্বীকার করে নেন তিনি।’

ওই পুলিশ কর্তা আরও বলেন, ‘ছেলে না হওয়ায় খুবই হতাশ হয়ে পড়েছিলেন আরতি। সেই রাগেই বালিশ চাপা দিয়ে নিজের মেয়ের শ্বাসরোধ করেন তিনি। এর পর ওয়াশিং মেশিনে শিশুটির দেহ ঢুকিয়ে দেন।’

তিনি আরও জানান, পুলিশকে প্রথমে আরতি জানিয়েছিলেন, তার মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে। এরপর জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। জেরার মুখে ভেঙে পড়ে নিজের অপরাধ স্বীকার করেন আরতি। আরতির পরিবারের দাবি, পুত্রসন্তানের জন্য আরতিকে কোনও রকম চাপ দেয়া হয়নি। তবে সবটাই তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।