ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

খালেদাকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানায় বিক্ষোভে বিবর্ণ বিএনপি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে রাজধানীতে বিএনপির বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন নগন্য সংখ্যক দলীয় কর্মী।

রবিবার ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানায় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আর বিএনপির পক্ষ থেকে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয় গণমাধ্যমে। সঙ্গে মিছিলের ছবিও দেয়া হয়। এসব ছবিতে দেখা গেছে, কোনো মিছিলে ১০ জন, কোনটায় ২০ জনের মতো নেতাকর্মীর উপস্থিতি ছিল।

২০১৫ সালে সরকার পতনের দাবিতে ‘চূড়ান্ত’ আন্দোলনে নেমে খালি হাতে ফেরার পর থেকে বিএনপির ডাকা রাজনৈতিক কর্মূচিগুলো সেভাবে পালিত হচ্ছে না। কখনও দেশজুড়ে সভা-সমাবেশ ডাকা হলে পালিত হয় অল্প কিছু এলাকায়। নগরজুড়ে বিক্ষোভের ডাকেও একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা যায়। একে বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

বিএনপির নেতারা অবশ্য বলছেন, পুলিশ তাদের কর্মসূচিতে আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়ে থাকে, যখন তখন গুলি করে। এ কারণে নেতা-কর্মীরা সেভাবে অংশ নিতে ভয় পান। আর বিএনপি বরাবর সমর্থকনির্ভর দল। সাংগঠনিক দুর্বলতা শুরু থেকেই এই দলে ছিল।

বরিবারের কর্মসূচিতে নগণ্য সংখক কর্মীর অংশগ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক এ বি এম রাজ্জাক দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘আমাদের বেশ কিছু মিছিল পুলিশ পণ্ড করে দিয়েছে। যে কারণে ইচ্ছা থাকলেও অনেকে মিছিলে শরিক হতে পারেনি। আর কেউ সুযোগ মতো অলি-গলিতে আর কেউ মূল সড়কে মিছিল করেছে।’

গত বৃহস্পতিবার বামপন্থীদের ডাকা আধাবেলা হরতালে দুর্নীতির দুই মামলায় আদালতে না যাওয়ার পর খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করেন পুরান ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আখতারুজ্জামান। আদালতের এই আদেশের প্রতিবাদে সেদিনই রবিবার নগরজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দেয় বিএনপি। এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে নেতা-কর্মীদের বিশেষভাবে নির্দেশও দেয়া হয় দলের পক্ষ থেকে।

বিএনপি ঢাকা মহানগর উত্তরের দপ্তর সম্পাদক এবিএম রাজ্জাক স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাড্ডা থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল বাড্ডা লিংক রোড থেকে শুরু হয়ে বাড্ডা সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এ জি এম শামসুল হক, আবুল হোসেন, মাফুজুর রহমানসহ বিএনপি নেতাকর্মীরা।

কমিশনার মো. সাজ্জাদ ও বুলবুল মল্লিকের নেতৃত্বে পল্লবী থানা বিএনপি মিছিল করে বলেও আরেক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।। খিলক্ষেত থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তার হোসেনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় বলেও জানানো হয়। বসুন্ধরা কনভেনশন হলের সামনে থেকে শুরু হয়ে খিলক্ষেত ফ্লাইওভারের নিচে এসে শেষ হয় বলেও জানান নেতারা।

এছাড়া সিরাজুল ইসলাম সিরাজ,শাহ আলমের নেতৃত্বে শেরেবাংলা নগর থানা, মোহাম্মদপুর থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল হুমায়ুন রোড হতে শুরু হয়ে কলেজ গেট এসে শেষ হয়, উত্তরখান থানা বিএনপির একটি মিছিল বেপারী রোড থেকে শুরু হয়ে চৌরাস্তা গিয়ে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন আহসান হাবিব মোল্লা।

বিমানবন্দর থানা বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বিমানবন্দর বাজার থেকে শুরু করে চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়। তেজগাঁও থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল এল রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল এম এ মনির হাছান এর নেতৃত্বে ডি পি এস স্কুলের সামনে থেকে শুরু হয়ে রাজউক স্কুলের সামনে এসে শেষ হয়। উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপির আরেকটি বিক্ষোভ মিছিল মোঃ মতিউর রহমান মতির নেতৃত্বে হয়। উত্তরা ৪নং সেক্টর থেকে শুরু হয়ে কিছুদূর অগ্রসর হলে মিছিলটি পুলিশী বাঁধায় পণ্ড হয়ে যায় বলে দাবি করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল আফাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। আবদুল্লাহপুর থেকে শুরু হয়ে ১০ নম্বর সেক্টরে এসে শেষ হয়। উত্তরা পশ্চিম থানার আরেকটি মিছিল হাজী দুলালের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি হাউজ বিল্ডিং থেকে শুরু হয়ে ৪নং সেক্টরে এসে শেষ হয়। মিছিলে থানা বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শাহআলী থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সহ-সভাপতি ফেরদৌসি আহমেদ মিষ্টির নেতৃত্বে হয়। মিছিলটি রাইনখোলা বাজার থেকে শুরু হয়ে এক নং মিরপুর ঈদগাহ মাঠ পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়। মিরপুর থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল এস এ ছিদ্দিক সাজু ও দেলোয়ার হোসেন দুলুর নেতৃত্বে প্রশিকা ভবনের সামনে থেকে শুরু করতে গেলে পুলিশী বাঁধায় তা পণ্ড হয়ে যায় বলে দাবি করা হয়েছে। রূপনগর থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল রূপনগর আবাসিক এলাকা থেকে শুরু হয়ে দুয়ারী পাড়া গিয়ে শেষ হয়।

দারুস সালাম থানা বিএনপির একটি মিছিল এইচ এম ইমরান, ফারুক হোসেন, নজরুল ইসলাম ও আফজাল হোসেনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি দিয়াবাড়ি বাসস্ট্যন্ড থেকে মাজার রোডে এসে শেষ হয়। ভাষানটেক থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল কচুক্ষেত বাজার এর সামনে থেকে শুরু করতে গেলে পুলিশী বাঁধায় মিছিলটি পণ্ড হওয়ার কথা জানানো হয়েছে। মিছিল থেকে পুলিশ একজনকে আটক করে বলেও জানানো হয়।

দক্ষিণখান থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল হাজী ক্যাম্প থেকে শুরু হয়ে বিমান বন্দর স্টেশনের নিকট আসলে পুলিশি বাঁধায় পণ্ড হয়ে যায় বলে দাবি করা হয়েছে। দক্ষিণখান থানা বিএনপির আরেকটি মিছিল দক্ষিণখান বাজার থেকে মোল্লারটেক পর্যন্ত গেলে পুলিশী বাঁধায় মিছিলটি পণ্ড হয়ে যায় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

খালেদাকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানায় বিক্ষোভে বিবর্ণ বিএনপি

আপডেট সময় ০৬:৩৯:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে রাজধানীতে বিএনপির বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন নগন্য সংখ্যক দলীয় কর্মী।

রবিবার ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানায় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আর বিএনপির পক্ষ থেকে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয় গণমাধ্যমে। সঙ্গে মিছিলের ছবিও দেয়া হয়। এসব ছবিতে দেখা গেছে, কোনো মিছিলে ১০ জন, কোনটায় ২০ জনের মতো নেতাকর্মীর উপস্থিতি ছিল।

২০১৫ সালে সরকার পতনের দাবিতে ‘চূড়ান্ত’ আন্দোলনে নেমে খালি হাতে ফেরার পর থেকে বিএনপির ডাকা রাজনৈতিক কর্মূচিগুলো সেভাবে পালিত হচ্ছে না। কখনও দেশজুড়ে সভা-সমাবেশ ডাকা হলে পালিত হয় অল্প কিছু এলাকায়। নগরজুড়ে বিক্ষোভের ডাকেও একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা যায়। একে বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

বিএনপির নেতারা অবশ্য বলছেন, পুলিশ তাদের কর্মসূচিতে আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়ে থাকে, যখন তখন গুলি করে। এ কারণে নেতা-কর্মীরা সেভাবে অংশ নিতে ভয় পান। আর বিএনপি বরাবর সমর্থকনির্ভর দল। সাংগঠনিক দুর্বলতা শুরু থেকেই এই দলে ছিল।

বরিবারের কর্মসূচিতে নগণ্য সংখক কর্মীর অংশগ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক এ বি এম রাজ্জাক দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘আমাদের বেশ কিছু মিছিল পুলিশ পণ্ড করে দিয়েছে। যে কারণে ইচ্ছা থাকলেও অনেকে মিছিলে শরিক হতে পারেনি। আর কেউ সুযোগ মতো অলি-গলিতে আর কেউ মূল সড়কে মিছিল করেছে।’

গত বৃহস্পতিবার বামপন্থীদের ডাকা আধাবেলা হরতালে দুর্নীতির দুই মামলায় আদালতে না যাওয়ার পর খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করেন পুরান ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আখতারুজ্জামান। আদালতের এই আদেশের প্রতিবাদে সেদিনই রবিবার নগরজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দেয় বিএনপি। এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে নেতা-কর্মীদের বিশেষভাবে নির্দেশও দেয়া হয় দলের পক্ষ থেকে।

বিএনপি ঢাকা মহানগর উত্তরের দপ্তর সম্পাদক এবিএম রাজ্জাক স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাড্ডা থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল বাড্ডা লিংক রোড থেকে শুরু হয়ে বাড্ডা সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এ জি এম শামসুল হক, আবুল হোসেন, মাফুজুর রহমানসহ বিএনপি নেতাকর্মীরা।

কমিশনার মো. সাজ্জাদ ও বুলবুল মল্লিকের নেতৃত্বে পল্লবী থানা বিএনপি মিছিল করে বলেও আরেক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।। খিলক্ষেত থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তার হোসেনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় বলেও জানানো হয়। বসুন্ধরা কনভেনশন হলের সামনে থেকে শুরু হয়ে খিলক্ষেত ফ্লাইওভারের নিচে এসে শেষ হয় বলেও জানান নেতারা।

এছাড়া সিরাজুল ইসলাম সিরাজ,শাহ আলমের নেতৃত্বে শেরেবাংলা নগর থানা, মোহাম্মদপুর থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল হুমায়ুন রোড হতে শুরু হয়ে কলেজ গেট এসে শেষ হয়, উত্তরখান থানা বিএনপির একটি মিছিল বেপারী রোড থেকে শুরু হয়ে চৌরাস্তা গিয়ে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন আহসান হাবিব মোল্লা।

বিমানবন্দর থানা বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বিমানবন্দর বাজার থেকে শুরু করে চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়। তেজগাঁও থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল এল রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল এম এ মনির হাছান এর নেতৃত্বে ডি পি এস স্কুলের সামনে থেকে শুরু হয়ে রাজউক স্কুলের সামনে এসে শেষ হয়। উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপির আরেকটি বিক্ষোভ মিছিল মোঃ মতিউর রহমান মতির নেতৃত্বে হয়। উত্তরা ৪নং সেক্টর থেকে শুরু হয়ে কিছুদূর অগ্রসর হলে মিছিলটি পুলিশী বাঁধায় পণ্ড হয়ে যায় বলে দাবি করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল আফাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। আবদুল্লাহপুর থেকে শুরু হয়ে ১০ নম্বর সেক্টরে এসে শেষ হয়। উত্তরা পশ্চিম থানার আরেকটি মিছিল হাজী দুলালের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি হাউজ বিল্ডিং থেকে শুরু হয়ে ৪নং সেক্টরে এসে শেষ হয়। মিছিলে থানা বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শাহআলী থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সহ-সভাপতি ফেরদৌসি আহমেদ মিষ্টির নেতৃত্বে হয়। মিছিলটি রাইনখোলা বাজার থেকে শুরু হয়ে এক নং মিরপুর ঈদগাহ মাঠ পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়। মিরপুর থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল এস এ ছিদ্দিক সাজু ও দেলোয়ার হোসেন দুলুর নেতৃত্বে প্রশিকা ভবনের সামনে থেকে শুরু করতে গেলে পুলিশী বাঁধায় তা পণ্ড হয়ে যায় বলে দাবি করা হয়েছে। রূপনগর থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল রূপনগর আবাসিক এলাকা থেকে শুরু হয়ে দুয়ারী পাড়া গিয়ে শেষ হয়।

দারুস সালাম থানা বিএনপির একটি মিছিল এইচ এম ইমরান, ফারুক হোসেন, নজরুল ইসলাম ও আফজাল হোসেনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি দিয়াবাড়ি বাসস্ট্যন্ড থেকে মাজার রোডে এসে শেষ হয়। ভাষানটেক থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল কচুক্ষেত বাজার এর সামনে থেকে শুরু করতে গেলে পুলিশী বাঁধায় মিছিলটি পণ্ড হওয়ার কথা জানানো হয়েছে। মিছিল থেকে পুলিশ একজনকে আটক করে বলেও জানানো হয়।

দক্ষিণখান থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল হাজী ক্যাম্প থেকে শুরু হয়ে বিমান বন্দর স্টেশনের নিকট আসলে পুলিশি বাঁধায় পণ্ড হয়ে যায় বলে দাবি করা হয়েছে। দক্ষিণখান থানা বিএনপির আরেকটি মিছিল দক্ষিণখান বাজার থেকে মোল্লারটেক পর্যন্ত গেলে পুলিশী বাঁধায় মিছিলটি পণ্ড হয়ে যায় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।