ঢাকা ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

সরকার গায়ের জোরে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে: ন্যাপ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সিপিবি, বাসদ, গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার বৃহস্পতিবারের হরতালে সমর্থন জানিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক বাংলাদেশ ন্যাপ। টালবাহানা না করে জনস্বার্থে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ও মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে’বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এই দাবি জানান।

আয়োজক দলের মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া বলেন, ‘সরকার সমস্ত যুক্তি উপেক্ষা করে গায়ের জোরে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের মূল্য কমেছে, ফলে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ কমেছে। এ ছাড়া সরকারের ভুল নীতি-দুর্নীতি পরিহার করলে কমপক্ষে সাত হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।’

গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘আগামী ডিসেম্বর থেকে বিদ্যুতের প্রস্তাবিত মূল্য কার্যকর হলে গণমানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন বাধাগ্রস্ত হবে। মধ্যবিত্ত ও অভাবী জনগোষ্ঠী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ বাস্তবতার বিপরীতে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টার বক্তব্য খুবই হাস্যকর ও পীড়াদায়ক।’

বক্তারা বলেন, ‘ডিজেলের পরিবর্তে ফার্নেস অয়েল ব্যবহার, বেসরকারি বিদ্যুতের পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎকেন্দ্র, গ্যাস সরবরাহ, দুর্নীতি, অপচয়, লুটপাট বন্ধ করলে বিদ্যুতের মূল্য বাড়ানো নয়, বরং প্রতি ইউনিটে এক টাকা ৫৬ পয়সা কমানো সম্ভব। অথচ সরকার রেন্টাল-কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ ব্যবসায়ী, বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী, বিদ্যুৎ আমদানিকারক, এলএলজি আমদানিকারকদের মুনাফা বৃদ্ধির স্বার্থে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে।’

তারা বলেন, ‘ইতোমধ্যে সংবাদমাধ্যমে গণশুনানির একটা চিত্র ফুটে উঠেছে। প্রায় সব মহল থেকে এর প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে, তাই বিদ্যুতের বর্তমান মূল্য কমানো দরকার। অথচ মূল্য না কমিয়ে বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনজীবনে দুর্ভোগ ডেকে আনার নামান্তর।’

মহানগর সদস্য সচিব মো. শহীদুন্নবী ডাবলুর সঞ্চালনায় সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন জাতীয় দলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, এনডিপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, গণতান্ত্রিক ঐক্যের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) বিএনপির সহসভাপতি মুহম্মদ ফরিদউদ্দিন, ন্যাপের যুগ্ম মহাসচিব স্বপন কুমার সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

সরকার গায়ের জোরে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে: ন্যাপ

আপডেট সময় ০৫:০৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সিপিবি, বাসদ, গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার বৃহস্পতিবারের হরতালে সমর্থন জানিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক বাংলাদেশ ন্যাপ। টালবাহানা না করে জনস্বার্থে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ও মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে’বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এই দাবি জানান।

আয়োজক দলের মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া বলেন, ‘সরকার সমস্ত যুক্তি উপেক্ষা করে গায়ের জোরে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের মূল্য কমেছে, ফলে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ কমেছে। এ ছাড়া সরকারের ভুল নীতি-দুর্নীতি পরিহার করলে কমপক্ষে সাত হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।’

গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘আগামী ডিসেম্বর থেকে বিদ্যুতের প্রস্তাবিত মূল্য কার্যকর হলে গণমানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন বাধাগ্রস্ত হবে। মধ্যবিত্ত ও অভাবী জনগোষ্ঠী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ বাস্তবতার বিপরীতে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টার বক্তব্য খুবই হাস্যকর ও পীড়াদায়ক।’

বক্তারা বলেন, ‘ডিজেলের পরিবর্তে ফার্নেস অয়েল ব্যবহার, বেসরকারি বিদ্যুতের পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎকেন্দ্র, গ্যাস সরবরাহ, দুর্নীতি, অপচয়, লুটপাট বন্ধ করলে বিদ্যুতের মূল্য বাড়ানো নয়, বরং প্রতি ইউনিটে এক টাকা ৫৬ পয়সা কমানো সম্ভব। অথচ সরকার রেন্টাল-কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ ব্যবসায়ী, বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী, বিদ্যুৎ আমদানিকারক, এলএলজি আমদানিকারকদের মুনাফা বৃদ্ধির স্বার্থে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে।’

তারা বলেন, ‘ইতোমধ্যে সংবাদমাধ্যমে গণশুনানির একটা চিত্র ফুটে উঠেছে। প্রায় সব মহল থেকে এর প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে, তাই বিদ্যুতের বর্তমান মূল্য কমানো দরকার। অথচ মূল্য না কমিয়ে বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনজীবনে দুর্ভোগ ডেকে আনার নামান্তর।’

মহানগর সদস্য সচিব মো. শহীদুন্নবী ডাবলুর সঞ্চালনায় সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন জাতীয় দলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, এনডিপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, গণতান্ত্রিক ঐক্যের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) বিএনপির সহসভাপতি মুহম্মদ ফরিদউদ্দিন, ন্যাপের যুগ্ম মহাসচিব স্বপন কুমার সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া প্রমুখ।