ঢাকা ০৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনের পরিবেশ বিগত সরকারের আমলের চেয়ে ভালো: শফিকুল আলম সহিংসতার রাজনীতি বন্ধে তারেক রহমানকে দায়িত্ব নিতে হবে: আখতার ফেনীতে শিশু নাশিত হত্যা মামলায় তিনজনের ফাঁসি আগে একাত্তর নিয়ে মাফ চেয়ে এরপর ভোট চান : মির্জা ফখরুল উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ ও পদ্মা ব্যারেজ করার প্রতিশ্রুতি একটি গ্রুপ ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করার চেষ্টা করছে : মির্জা আব্বাস পাকিস্তান শুধু চেঁচামেচি করছে, বিশ্বকাপ অবশ্যই খেলবে: হার্শা ভোগলে গণতন্ত্রের উত্তরণের প্রক্রিয়াকে যারাই বাধাগ্রস্ত করবে জনগণ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করবে : সালাহউদ্দিন

হাসিনা-খালেদা কারও অধীনে নির্বাচন চাই না: গয়েশ্বর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘আমাদের কথা পরিষ্কার, একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন হতে হবে। আমরা হাসিনা, খালেদা কারও অধীনেই নির্বাচন চাই না। রাজনীতিবিদ হিসেবে যাকে চিনি না এমন ব্যক্তির নেতৃত্বে যেদিন নিরপেক্ষ সরকার গঠন হবে তার পরদিনই বিএনপি নির্বাচনে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত।’

মঙ্গলবার রাজধানীর রিপোর্টার্স ইউনিটির স্বাধীনতা হলে এক আলোচনা সভায় তিনি এই কথা বলেন। ‘তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক চেতনায় ইতিবাচক রাজনীতি চর্চার প্রতীক তারেক রহমান’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে তারেক জিয়া সাইবার ফোর্স। সংগঠনটির চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

গয়েশ্বর বলেন, ‘বিএনপি আগামী নির্বাচনে অবশ্যই যাবে তবে হাসিনার অধীনে নয়। আমরা যেখানেই যাই জনগণ এখন একটি প্রশ্নই করে, ভাই আগামী দিনে আমরা কি ভোট দিতে পারবো? জনগণের মধ্যে এই আতঙ্ক তৈরি করেছে আওয়ামী লীগ। তাই জনগণকে আতঙ্কে রেখে আমরা নির্বাচনে যেতে পারি না।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘হাসিনার অধীনে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি জনগণ কি ভোট দিতে পেরেছে? গতবার যদিও ভোটকেন্দ্রে দুই একটা কুকুর, বিড়াল ছিল সেগুলোও আগামী দিন পাওয়া যাবে না যদি বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে।’

সারাদেশে সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচনের জন্য ভোট চাওয়া হচ্ছে দাবি করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী সরকারি সব সুবিধা নিয়ে ভোট চাওয়া শুরু করেছেন। অপরদিকে বিএনপিকে ছোট্ট একটা সমাবেশও করতে দেয়া হয় না। এ অবস্থায় আগামী নির্বাচন কেমন হতে পারে জনগণ তা ভালো করেই বুঝতে পারে।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ফাতেমা খানমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক পলাশ মন্ডলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন-বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ-ধর্ম-বিষয়ক সম্পাদক জন গমেজ, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তানভির আহমেদ রবিন, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনা-খালেদা কারও অধীনে নির্বাচন চাই না: গয়েশ্বর

আপডেট সময় ১২:৪২:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘আমাদের কথা পরিষ্কার, একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন হতে হবে। আমরা হাসিনা, খালেদা কারও অধীনেই নির্বাচন চাই না। রাজনীতিবিদ হিসেবে যাকে চিনি না এমন ব্যক্তির নেতৃত্বে যেদিন নিরপেক্ষ সরকার গঠন হবে তার পরদিনই বিএনপি নির্বাচনে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত।’

মঙ্গলবার রাজধানীর রিপোর্টার্স ইউনিটির স্বাধীনতা হলে এক আলোচনা সভায় তিনি এই কথা বলেন। ‘তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক চেতনায় ইতিবাচক রাজনীতি চর্চার প্রতীক তারেক রহমান’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে তারেক জিয়া সাইবার ফোর্স। সংগঠনটির চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

গয়েশ্বর বলেন, ‘বিএনপি আগামী নির্বাচনে অবশ্যই যাবে তবে হাসিনার অধীনে নয়। আমরা যেখানেই যাই জনগণ এখন একটি প্রশ্নই করে, ভাই আগামী দিনে আমরা কি ভোট দিতে পারবো? জনগণের মধ্যে এই আতঙ্ক তৈরি করেছে আওয়ামী লীগ। তাই জনগণকে আতঙ্কে রেখে আমরা নির্বাচনে যেতে পারি না।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘হাসিনার অধীনে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি জনগণ কি ভোট দিতে পেরেছে? গতবার যদিও ভোটকেন্দ্রে দুই একটা কুকুর, বিড়াল ছিল সেগুলোও আগামী দিন পাওয়া যাবে না যদি বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে।’

সারাদেশে সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচনের জন্য ভোট চাওয়া হচ্ছে দাবি করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী সরকারি সব সুবিধা নিয়ে ভোট চাওয়া শুরু করেছেন। অপরদিকে বিএনপিকে ছোট্ট একটা সমাবেশও করতে দেয়া হয় না। এ অবস্থায় আগামী নির্বাচন কেমন হতে পারে জনগণ তা ভালো করেই বুঝতে পারে।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ফাতেমা খানমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক পলাশ মন্ডলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন-বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ-ধর্ম-বিষয়ক সম্পাদক জন গমেজ, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তানভির আহমেদ রবিন, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।