ঢাকা ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

কাদেরের বক্তব্যেই দুর্নীতির স্বীকারোক্তি: আব্বাস

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজনীতিবিদরা সৎ হলে দুর্নীতি অর্ধেক কমে যাবে বলে আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যেই সরকারের দুর্নীতির স্বীকারোক্তি আছে বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস। রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনায় এ কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য। তারেক রহমানের ৫৩ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনার আয়োজন করে জিয়া পরিষদ নামের একটি সংগঠন।

আলোচনায় আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপির দাবি ছাড়াও সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। এ ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য তুলে ধরে একেই প্রমাণ হিসেবে দেখান বিএনপি নেতারা।

শুক্রবার আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির এক আলোচনায় ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘আমরা যারা রাজনীতি করি তাদের মধ্যে কয়জন বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে আমি সৎ? আমি শতভাগ সৎ মানুষ? কয়জন বলতে পারবে? এখানেই সমস্যা।…আমরা রাজনীতিকরা যদি দুর্নীতিমুক্ত থাকি তবে দেশের দুর্নীতি আটোমেটিক্যালি অর্ধেক কমে যাবে।’

কাদেরের বক্তব্যই দুর্নীতিতে ক্ষমতাসীনদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ হিসেবে দেখছেন মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, ‘তাদের (আওয়ামী লীগ) সেক্রেটারি ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাজনীতিবিদেরা দুর্নীতি করে। আমিও বলছি আওয়ামী লীগ দুর্নীতি করে বলেই ওবায়দুল কাদের সে কথা বলেছেন, মনে রাখতে হবে বিএনপি দুর্নীতি করে না।’

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বাদ দিয়ে দেশে কোন নির্বাচন হবে না বলে বলেও হুঁশিয়ারি দেন আব্বাস। বলেছেন, ‘বর্তমান সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন হবে না, সেটা স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই।’

জিয়া পরিবার ও জনগণকে সবচেয়ে আওয়ামী লীগ বেশি ভয় পায় বলেই খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান নিয়ে তারা ষড়যন্ত্র করছে বলেও অভিযোগ করা হয় আলোচনায়। বলা হয়, সব ‘ষড়যন্ত্র’ই মোকাবেলা করেই তারেক রহমান বাংলাদেশে ফিরে আসবেন। জিয়া পরিষদের সভাপতি কবির মুরাদের সভাপতিত্বে আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, জিয়া পরিষদের সদস্য শফিকুল ইসলাম, জে কিউ মোস্তাফিজুর রহমান, এমতাজ হোসেন প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

কাদেরের বক্তব্যেই দুর্নীতির স্বীকারোক্তি: আব্বাস

আপডেট সময় ১১:১২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজনীতিবিদরা সৎ হলে দুর্নীতি অর্ধেক কমে যাবে বলে আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যেই সরকারের দুর্নীতির স্বীকারোক্তি আছে বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস। রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনায় এ কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য। তারেক রহমানের ৫৩ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনার আয়োজন করে জিয়া পরিষদ নামের একটি সংগঠন।

আলোচনায় আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপির দাবি ছাড়াও সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। এ ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য তুলে ধরে একেই প্রমাণ হিসেবে দেখান বিএনপি নেতারা।

শুক্রবার আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির এক আলোচনায় ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘আমরা যারা রাজনীতি করি তাদের মধ্যে কয়জন বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে আমি সৎ? আমি শতভাগ সৎ মানুষ? কয়জন বলতে পারবে? এখানেই সমস্যা।…আমরা রাজনীতিকরা যদি দুর্নীতিমুক্ত থাকি তবে দেশের দুর্নীতি আটোমেটিক্যালি অর্ধেক কমে যাবে।’

কাদেরের বক্তব্যই দুর্নীতিতে ক্ষমতাসীনদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ হিসেবে দেখছেন মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, ‘তাদের (আওয়ামী লীগ) সেক্রেটারি ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাজনীতিবিদেরা দুর্নীতি করে। আমিও বলছি আওয়ামী লীগ দুর্নীতি করে বলেই ওবায়দুল কাদের সে কথা বলেছেন, মনে রাখতে হবে বিএনপি দুর্নীতি করে না।’

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বাদ দিয়ে দেশে কোন নির্বাচন হবে না বলে বলেও হুঁশিয়ারি দেন আব্বাস। বলেছেন, ‘বর্তমান সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন হবে না, সেটা স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই।’

জিয়া পরিবার ও জনগণকে সবচেয়ে আওয়ামী লীগ বেশি ভয় পায় বলেই খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান নিয়ে তারা ষড়যন্ত্র করছে বলেও অভিযোগ করা হয় আলোচনায়। বলা হয়, সব ‘ষড়যন্ত্র’ই মোকাবেলা করেই তারেক রহমান বাংলাদেশে ফিরে আসবেন। জিয়া পরিষদের সভাপতি কবির মুরাদের সভাপতিত্বে আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, জিয়া পরিষদের সদস্য শফিকুল ইসলাম, জে কিউ মোস্তাফিজুর রহমান, এমতাজ হোসেন প্রমুখ।