ঢাকা ১২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলনে ঢাকা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরা দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ কোনও ধরনের চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না : ইলিয়াসপত্নী লুনা অবশেষে মুক্তি পেলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম, স্ত্রী-সন্তানের কবর জিয়ারত ইসলামী নীতি অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করব: চরমোনাই পীর পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি প্রয়োজন: প্রধান উপদেষ্টা শেরপুরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত ধানের শীষ প্রতীক তারেক রহমানের আমানত : রাশেদ খাঁন ফান্ড তৈরি করে বেকার শিক্ষার্থীদের জন্য পুঁজির ব্যবস্থা করব: তাসনিম জারা উত্তরায় ফার্নিচার মার্কেটে আগুন

জিয়া ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিলেন: হানিফ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ। আজ শনিবার রাজবাড়ীর পাংশায় উপজেলা আওয়ামী লীগের এক জনসভায় এ দাবি করেন তিনি।

হানিফ বলেন, ‘জিয়া কখনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন না। তিনি ৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যার পর ক্ষমতা দখল করে একে একে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী সব কর্মকা- করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করেন।’

বিএনপিকে এ দেশের স্বাধীনতারবিরোধী শক্তি হিসেবে অভিহিত করে হানিফ বলেন, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংসকারী। তারা পাকিস্তানের দালাল হয়ে এ দেশে কাজ করে যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ কোনো পূূর্বলিখিত গতবাঁধা বক্তব্য নয়, এটা তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতাজাত ঘোষণা। ৭ মার্চের ভাষণের স্বীকৃতি দিয়ে ইউনেসকো শুধু বাঙালি জাতিকেই ধন্য করেনি, নিজেরাও গর্বিত হযেছে।

সাত মার্চের ভাষণ পৃথিবীর সর্বকালের সব নেতার ভাষণকে ছাপিয়ে গেছে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক হানিফ। তিনি বরেণ, তাই পৃথিবীর ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সর্বকালে বাঙালিদের পাথেয় হয়ে থাকবে।

মাহবুবুল আলম হানিফ বিএনপির নেতা রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে যারা সম্মান দেয় না, তারা স্বাধীনতাার শত্রু, দেশের শত্রু। দেশের জনগণ কোনোদিন ক্ষমা করবে না তাদের।

পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুর আরজ মোর্শেদের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাংসদ মো. জিল্লুল হাকিম, রাজবাড়ী-১ আসনের সাংসদ কাজী কেরামত আলী ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি কামরুন নাহার চৌধুরী লাভলী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলনে ঢাকা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরা

জিয়া ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিলেন: হানিফ

আপডেট সময় ১১:১১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ। আজ শনিবার রাজবাড়ীর পাংশায় উপজেলা আওয়ামী লীগের এক জনসভায় এ দাবি করেন তিনি।

হানিফ বলেন, ‘জিয়া কখনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন না। তিনি ৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যার পর ক্ষমতা দখল করে একে একে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী সব কর্মকা- করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করেন।’

বিএনপিকে এ দেশের স্বাধীনতারবিরোধী শক্তি হিসেবে অভিহিত করে হানিফ বলেন, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংসকারী। তারা পাকিস্তানের দালাল হয়ে এ দেশে কাজ করে যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ কোনো পূূর্বলিখিত গতবাঁধা বক্তব্য নয়, এটা তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতাজাত ঘোষণা। ৭ মার্চের ভাষণের স্বীকৃতি দিয়ে ইউনেসকো শুধু বাঙালি জাতিকেই ধন্য করেনি, নিজেরাও গর্বিত হযেছে।

সাত মার্চের ভাষণ পৃথিবীর সর্বকালের সব নেতার ভাষণকে ছাপিয়ে গেছে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক হানিফ। তিনি বরেণ, তাই পৃথিবীর ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সর্বকালে বাঙালিদের পাথেয় হয়ে থাকবে।

মাহবুবুল আলম হানিফ বিএনপির নেতা রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে যারা সম্মান দেয় না, তারা স্বাধীনতাার শত্রু, দেশের শত্রু। দেশের জনগণ কোনোদিন ক্ষমা করবে না তাদের।

পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুর আরজ মোর্শেদের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাংসদ মো. জিল্লুল হাকিম, রাজবাড়ী-১ আসনের সাংসদ কাজী কেরামত আলী ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি কামরুন নাহার চৌধুরী লাভলী।