অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীর দখলমুক্ত করতে ২০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে (হাঁটার রাস্তা) নির্মাণ করা হয়েছে জানিয়ে শাজাহান খান মোট ২৮০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণের কথা বলেন। বলেন, ‘তাহলে নদী দখল আর করতে পারবে না কেউ। এ কাজ আমরা অব্যাহত রাখব।’
মন্ত্রী বলেন, বুড়িগঙ্গা বাদেও সারাদেশে নদীর চারপাশে পিলার স্থাপন করা হবে। এরই মধ্যে ঢাকার চার নদীর চারপাশে এ কাজটি করা হয়েছে।
অনেক জায়গায় স্থাপন করা পিলার উঠিয়ে ফেলা হয়েছে জানিয়ে শাজাহান খান বলেনম ‘যারা এসব উঠিয়ে ফেলেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’
রাজধানীর খাল উদ্ধার
ঢাকায় বেদখল ১৩টি খাল শনাক্ত করা হয়েছে এবং এগুলোর মধ্যে দুইটি উদ্ধার করে দখলমুক্ত রাখার জন্য দুইপাশে পাকা করার কথা জানান হয় বৈঠকে। বাকি ১১টি খাল উদ্ধারে যা যা করা দরকার তা করতে ঢাকা ওয়াসাকে নির্দেশ দেয়া হয়।
নৌ মন্ত্রী বলেন, ‘দখলকৃত ১৩টি খালের অনেকগুলো জায়গায় অনেক স্থাপনা হয়ে গেছে। তারপরেও সেগুলো আমরা উদ্ধার করব।’
আদি বুড়িগঙ্গা উদ্ধারের সিদ্ধান্ত হওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী। বলেন, এটা উদ্ধারে অনেক জটিলতা আছে। কারণ ওখানে অনেক বড়বড় স্থাপনা হয়ে গেছে। সেগুলোকে অপসারণের জন্য ব্যবস্থা নেয়ার কার্যক্রম চলছে। তবে অনেকসময় দখলকারীরা আদালতে চলে যায়, মামলা করে। এগুলো মোকাবেলা করেই আমাদের এগুতে হচ্ছে।’
নদীর তীরভূমি উদ্ধারের পর আবার যেন দখল না হয় সে ব্যাপারে মনিটরিং করতে বিআইডব্লিউটিএকেও নির্দেশ দেয়া হয় বৈঠকে।
দখল করা জায়গায় বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সেসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমাদের কর্মকর্তারা বসেছেন। সবাই একমত হয়েছেন, স্থানান্তরের জন্য তাদের জায়গার দরকার। জায়গা হলে তারা ছেড়ে দেবে।’
‘আমরা সে ব্যাপারে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দিয়েছি, যে যে জায়গায় মসজিদ আছে তার পাশে সরকারি জমি থাকলে সেখানে স্থানান্তর করতে।’
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















