ঢাকা ০৯:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যে ভাষায় কথা বলেন, তা রাজনৈতিক সংস্কৃতি নয়: প্রতিমন্ত্রী ‘এক দফা’ ঘোষণার নেপথ্য ঘটনা তুলে ধরে বিস্ফোরক পোস্ট আব্দুল কাদেরের হাসিনা দেশে আসলে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, জানালেন নাহিদ গুমে শাস্তি যাবজ্জীবন, মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন গুজব প্রতিরোধে এফবিআইয়ের সহযোগিতা চাইলেন আইজিপি ভোটার তালিকা পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ: ইসি সচিব রাতের আঁধারে অসুস্থ স্বামীকে রাস্তায় ফেলে গেলেন স্ত্রী সাজাপ্রাপ্ত আসামির মন্তব্যের জবাব দেওয়ার সময় সরকারের নেই : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থান এ দেশের সব মানুষের অর্জন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী হত্যা মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিন স্থগিত

সুপার কম্পিউটারে শীর্ষে চীন

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

বিশ্বে শীর্ষ ৫০০ সুপারকম্পিউটারের তালিকায় সবচেয়ে বেশি সুপারকম্পিউটারের মালিক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে টপকে শীর্ষস্থান দখল করেছে চীন। চীনের হাতে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত পারফরম্যান্সের এই কম্পিউটার রয়েছে ২০২টি- সবচেয়ে ক্ষমতাধর কম্পিউটার ব্যবস্থা নিয়ে র‍্যাংকিং প্রকাশকারী সাইট টপ৫০০-এর সর্বশেষ জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে বর্তমানে সুপারকম্পিউটার আছে ১৪৩টি।

২৫ বছর আগে প্রথম এই জরিপ করা হয়। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত প্রতি দুই বছর পরপর এটি করা হচ্ছে। তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানায় থাকা সুপারকম্পিউটারের সংখ্যা অন্য বছরগুলোর তুলনায় এবার সবচেয়ে কম হলেও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দেশটি, বলা হয়েছে বিবিসি’র প্রতিবেদনে।

এ তালিকায় ৩৫টি সুপারকম্পিউটার নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে জাপান আর ২০টি নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে জার্মানি। এর আগে জুনে প্রকাশিত আরেকটি জরিপে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে থাকা সুপারকম্পিউটারের সংখ্যা ছিল ১৬৯টি আর চীনের ১৬০টি। কীভাবে এতোটা এগুলো চীন? সাম্প্রতিক এক গবেষণার বরাতে বিবিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটি তাদের গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। বিশ্বব্যাপী গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে হওয়া মোট বিনিয়োগের প্রায় ২০ শতাংশই চীনের করা।

সুপারকম্পিউটারের পারফরম্যান্স পেটাফ্লপস-এ হিসাব করা হয়। এক পেটাফ্লপ বলতে এক সেকেন্ডে এক হাজার ট্রিলিয়ন ফ্লোটিং পয়েন্ট অপারেশন সম্পন্ন করাকে বোঝায়। একটি ফ্লপ বা ফ্লোটিং পয়েন্ট অপারেশন-কে হিসাবের একটি ধাপ হিসেবে ধরে নেওয়া যেতে পারে।

চীনের সবচেয়ে দ্রুত সুপারকম্পিউটার তাউহুলাইট এখনও গতির ক্ষেত্রে সারাবিশ্বে শীর্ষস্থানে রয়েছে। এর পারফরম্যান্সের হার ৯৩ পেটাফ্লপস। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে দ্রুত সুপারকম্পিউটার টাইটান সারাবিশ্বে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। এর পারফরম্যান্সের হার ১৭.৬ পেটাফ্লপস।

মোট পারফরম্যান্সের দিক থেকেও চীন যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন জরিপের গবেষকরা। তাদের দেওয়া তথ্যমতে, তালিকায় থাকা সুপারকম্পিউটারগুলোর মোট প্রসেসিং ক্ষমতার ৩৫.৭ শতাংশ চীনের হাতে আর যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে হারটা ২৯.৬ শতাংশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যাংকের চলতি হিসাবের লিয়েন তুলে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

সুপার কম্পিউটারে শীর্ষে চীন

আপডেট সময় ১১:৪৬:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

বিশ্বে শীর্ষ ৫০০ সুপারকম্পিউটারের তালিকায় সবচেয়ে বেশি সুপারকম্পিউটারের মালিক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে টপকে শীর্ষস্থান দখল করেছে চীন। চীনের হাতে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত পারফরম্যান্সের এই কম্পিউটার রয়েছে ২০২টি- সবচেয়ে ক্ষমতাধর কম্পিউটার ব্যবস্থা নিয়ে র‍্যাংকিং প্রকাশকারী সাইট টপ৫০০-এর সর্বশেষ জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে বর্তমানে সুপারকম্পিউটার আছে ১৪৩টি।

২৫ বছর আগে প্রথম এই জরিপ করা হয়। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত প্রতি দুই বছর পরপর এটি করা হচ্ছে। তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানায় থাকা সুপারকম্পিউটারের সংখ্যা অন্য বছরগুলোর তুলনায় এবার সবচেয়ে কম হলেও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দেশটি, বলা হয়েছে বিবিসি’র প্রতিবেদনে।

এ তালিকায় ৩৫টি সুপারকম্পিউটার নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে জাপান আর ২০টি নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে জার্মানি। এর আগে জুনে প্রকাশিত আরেকটি জরিপে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে থাকা সুপারকম্পিউটারের সংখ্যা ছিল ১৬৯টি আর চীনের ১৬০টি। কীভাবে এতোটা এগুলো চীন? সাম্প্রতিক এক গবেষণার বরাতে বিবিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটি তাদের গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। বিশ্বব্যাপী গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে হওয়া মোট বিনিয়োগের প্রায় ২০ শতাংশই চীনের করা।

সুপারকম্পিউটারের পারফরম্যান্স পেটাফ্লপস-এ হিসাব করা হয়। এক পেটাফ্লপ বলতে এক সেকেন্ডে এক হাজার ট্রিলিয়ন ফ্লোটিং পয়েন্ট অপারেশন সম্পন্ন করাকে বোঝায়। একটি ফ্লপ বা ফ্লোটিং পয়েন্ট অপারেশন-কে হিসাবের একটি ধাপ হিসেবে ধরে নেওয়া যেতে পারে।

চীনের সবচেয়ে দ্রুত সুপারকম্পিউটার তাউহুলাইট এখনও গতির ক্ষেত্রে সারাবিশ্বে শীর্ষস্থানে রয়েছে। এর পারফরম্যান্সের হার ৯৩ পেটাফ্লপস। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে দ্রুত সুপারকম্পিউটার টাইটান সারাবিশ্বে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। এর পারফরম্যান্সের হার ১৭.৬ পেটাফ্লপস।

মোট পারফরম্যান্সের দিক থেকেও চীন যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন জরিপের গবেষকরা। তাদের দেওয়া তথ্যমতে, তালিকায় থাকা সুপারকম্পিউটারগুলোর মোট প্রসেসিং ক্ষমতার ৩৫.৭ শতাংশ চীনের হাতে আর যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে হারটা ২৯.৬ শতাংশ।