অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
মেয়েকে বাড়ি নেয়া হলো না হতভাগ্য বাবা বাবলু রবি দাসের। জামাই বাড়ি এসেছিলেন মিষ্টি হাতে নিয়ে মেয়ে ও নাতনীর জন্য। কিন্তু, এসে দেখেন মেয়ে সাথী রবি দাসের (২২) নিস্তেজ দেহ পড়ে আছে বাড়ির উঠানে।
আর মঙ্গলবার সকালে মেয়ের মৃত্যুর খবর শুনে লাশ দেখতে এসে জামাই ও জামায়ের স্বজনের মারপিটে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে গোপালগঞ্জ শহরের মার্কাস মহল্লায়।
মেয়ের বাবা বাবলু রবি দাস সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ৫ বছর আগে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে নগদ ৩ লাখ টাকা আর যাবতীয় আসবাবপত্র দিয়ে গোপালগঞ্জ শহরের রাধু রবি দাসের ছেলে ব্যবসায়ী সুজন রবি দাসের সাথে মেয়ের বিয়ে দেন। তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বছর খানেক আগে জামাইকে ব্যবসায় করার জন্য এক লাখ টাকা দেন। সম্প্রতি খুটিনাটি বিষয় নিয়ে মেয়ের সাথে জামাইয়ের ঝগড়া বিবাদ শুরু হয়। সোমবার বিকেলে আমি চাঁদপুর থেকে গোপালগঞ্জে আসি। জামাই বাড়ি আসার আগে দুই কেজি মিষ্টিও কিনেছিলাম। কিন্তু, তার আগেই ওরা আমার মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আর মঙ্গলবার সকালে আমার স্ত্রী আরতি রবি দাসকে পিটিয়ে আহত করে জামাইয়ের ভাই তপন রবি দাস, রিপন রবি দাস, তাদের স্ত্রী ও তার মা। তিনি তার মেয়ের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা জানান, এ ব্যাপারে একটি ইউডি মামলা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান ওসি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























