ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীকে সন্দেহ করে সন্তানকে খুন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিজের সন্তানের গায়ের রং নিয়ে স্ত্রীর ওপর সন্দেহের বশে মাত্র আড়াই মাসের শিশুপুত্রকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতে। এ ব্যপারে থানায় কোনো অভিযোগও হয়নি। তাই কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

সোমবার সকালে ভারতের দিল্লির বজবজের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ড.‌ ডি এন ঘোষ রোডের ভাড়াঘরে ওই শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতের শরীরে বাইরে থেকে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই।

বেশির ভাগ সময় কাজ না করে বাড়িতে থেকে স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি করেন বলে অভিযোগ। আড়াই বছর আগে ফিরোজ–‌সালিমার বিয়ে হয়েছিল। সালিমার বাপের বাড়ি বারুইপুর থানার বেতবেড়িয়া এলাকায়। সন্তান হওয়ার সময় সালিমা বাপের বাড়িতেই ছিলেন। সেখানেই তিনি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।

কিন্তু সেই সন্তানের গায়ের রং ফর্সা হওয়ায় ফিরোজ মনে করতে থাকেন, অন্য পুরুষের সঙ্গে স্ত্রীর সম্পর্কের ফলেই এই সন্তানের জন্ম হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ফিরোজ প্রায়ই বলে বেড়াতেন তিনি কালো, তার সন্তান ফর্সা হল কী করে?

স্ত্রী সালিমার অভিযোগ, কয়েক মাস ধরেই অশান্তি করছিলেন ফিরোজ। এক মাস আগে তিনি এই বাড়িতে ছেলেকে নিয়ে আসেন। তারপর অত্যাচার শুরু। মারধর করতে থাকেন স্ত্রীকে। প্রায়ই বাপের বাড়িতে চলে যেতে বলেন। ছেলেকে পচ্ছন্দ করতেন না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রীকে সন্দেহ করে সন্তানকে খুন

আপডেট সময় ০১:৪১:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিজের সন্তানের গায়ের রং নিয়ে স্ত্রীর ওপর সন্দেহের বশে মাত্র আড়াই মাসের শিশুপুত্রকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতে। এ ব্যপারে থানায় কোনো অভিযোগও হয়নি। তাই কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

সোমবার সকালে ভারতের দিল্লির বজবজের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ড.‌ ডি এন ঘোষ রোডের ভাড়াঘরে ওই শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতের শরীরে বাইরে থেকে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই।

বেশির ভাগ সময় কাজ না করে বাড়িতে থেকে স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি করেন বলে অভিযোগ। আড়াই বছর আগে ফিরোজ–‌সালিমার বিয়ে হয়েছিল। সালিমার বাপের বাড়ি বারুইপুর থানার বেতবেড়িয়া এলাকায়। সন্তান হওয়ার সময় সালিমা বাপের বাড়িতেই ছিলেন। সেখানেই তিনি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।

কিন্তু সেই সন্তানের গায়ের রং ফর্সা হওয়ায় ফিরোজ মনে করতে থাকেন, অন্য পুরুষের সঙ্গে স্ত্রীর সম্পর্কের ফলেই এই সন্তানের জন্ম হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ফিরোজ প্রায়ই বলে বেড়াতেন তিনি কালো, তার সন্তান ফর্সা হল কী করে?

স্ত্রী সালিমার অভিযোগ, কয়েক মাস ধরেই অশান্তি করছিলেন ফিরোজ। এক মাস আগে তিনি এই বাড়িতে ছেলেকে নিয়ে আসেন। তারপর অত্যাচার শুরু। মারধর করতে থাকেন স্ত্রীকে। প্রায়ই বাপের বাড়িতে চলে যেতে বলেন। ছেলেকে পচ্ছন্দ করতেন না।