ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চীনে ভারি বৃষ্টিতে ভূমিধসে নিহত বেড়ে ২৫, বেইজিংসহ একাধিক অঞ্চলে সতর্কতা হামাসের দুই কমান্ডারকে হত্যার দাবি ইসরাইলের হাসিনাকে গুম-খুন নিয়ে প্রশ্ন না করে অনেক সাংবাদিক তৈলমর্দনে ব্যস্ত ছিলেন: কাদের গনি ঢাকায় ফের ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ, যুক্ত হতে পারে বেসরকারি খাত জনগণ আপনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত, কীভাবে আসবেন আসেন: শেখ হাসিনাকে পরওয়ার নতুন আইন কর্মকর্তাদের সততার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের চট্টগ্রামে ডেভিড ইমনসহ ৫ আসামির ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর ইসরায়েলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই আমেরিকার: মার্কিন জেনারেল পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় আইন প্রণয়নের উদ্যোগ ইরানের চেয়েও কাতার বেশি বিপজ্জনক: সাবেক ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী

মহাশূন্যে মহাকাশযানে পুরো একটি বছর কাটাতে কেমন লাগে

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

চমৎকার দৃশ্য দেখার সুযোগ থাকলেও, বাড়ি এক বছর দূরে গিয়ে, মহাশূন্যের আন্তর্জাতিক একটি স্টেশনে গিয়ে থাকাটা ছুটি কাটানোর জন্য আদর্শ নাও হতে পারে। কিন্তু মার্কিন নভোচারী স্কট কেলিকে ঠিক এই কাজটি করতে হয়। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে গিয়ে তাকে একটানা ৩৪০দিন থাকতে হয়েছে।

বিবিসিকে তিনি বলছিলেন, ”আমি একজন নভোচারী। আমরা মহাশূন্যে যাই। হয়তো একদিন আমরা মঙ্গলে যাবো। তখন হয়তো সেখানে আমাদের লম্বা সময় ধরে থাকতে হবে। তাই আমরা মহাশূন্যে থেকে বোঝার চেষ্টা করি, সেখানে লম্বা সময় থাকতে কেমন লাগবে? আর এজন্য একটি স্পেস স্টেশন হচ্ছে আদর্শ জায়গা।”

কিন্তু মহাশূন্যে থাকাটা ছুটি কাটানোর মতো কোন ব্যাপার নয়। সেখানে তাদের অনেক কাজ করতে হয়। তিনি বলছেন, ”ভোর ছয়টার সময় আমাদের ঘুম থেকে উঠতে হয়। সেখানে আমাদের কাজকর্মকে তিনটা ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। প্রথমত বৈজ্ঞানিক গবেষণা। এরপর আছে স্টেশনের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার মেরামত করা বা ঠিকঠাক রাখা। এর বাইরে আমাদের প্রতিদিন অনেক ব্যায়ামও করতে হয়।”

নিজেকে বৈজ্ঞানিক বলে দাবি করেন না মি. কেলি। তিনি বরং নিজেকে বিজ্ঞানের একটি বিষয় বলে মনে করেন। ”আমাকে হয়তো বিজ্ঞানের অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার চালক বলা যেতে পারে।” তিনি বলছিলেন। স্কট কেলি বলেন, ”যখন অনেক দিন চলে যায়, তখন আমরা স্পেস স্টেশনের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখি। বিশেষ করে যেসব পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানো হয়েছে, সেগুলো নজরদারি করি।”

”মাঝে মাঝে আমরা পৃথিবীকে দেখি। বেগুনি নীলের মাঝে পৃথিবীকে দেখতে খুব ভালো লাগে। তখন আমাদের নিজেদের খুব ভাগ্যবান মনে হয়, যে এই সুন্দর স্থানটি আমাদের ঠিকানা। কিন্তু একই সময় পৃথিবীর অনেক জায়গা দূষণে আক্রান্ত বলেও দেখতে পাই। এখান থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, পৃথিবী কিভাবে পাল্টে যাচ্ছে।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সমালোচনার মুখে আফগান সিরিজ ঘিরে আয়ারল্যান্ডে নিরাপত্তা জোরদার

মহাশূন্যে মহাকাশযানে পুরো একটি বছর কাটাতে কেমন লাগে

আপডেট সময় ১২:৪৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

চমৎকার দৃশ্য দেখার সুযোগ থাকলেও, বাড়ি এক বছর দূরে গিয়ে, মহাশূন্যের আন্তর্জাতিক একটি স্টেশনে গিয়ে থাকাটা ছুটি কাটানোর জন্য আদর্শ নাও হতে পারে। কিন্তু মার্কিন নভোচারী স্কট কেলিকে ঠিক এই কাজটি করতে হয়। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে গিয়ে তাকে একটানা ৩৪০দিন থাকতে হয়েছে।

বিবিসিকে তিনি বলছিলেন, ”আমি একজন নভোচারী। আমরা মহাশূন্যে যাই। হয়তো একদিন আমরা মঙ্গলে যাবো। তখন হয়তো সেখানে আমাদের লম্বা সময় ধরে থাকতে হবে। তাই আমরা মহাশূন্যে থেকে বোঝার চেষ্টা করি, সেখানে লম্বা সময় থাকতে কেমন লাগবে? আর এজন্য একটি স্পেস স্টেশন হচ্ছে আদর্শ জায়গা।”

কিন্তু মহাশূন্যে থাকাটা ছুটি কাটানোর মতো কোন ব্যাপার নয়। সেখানে তাদের অনেক কাজ করতে হয়। তিনি বলছেন, ”ভোর ছয়টার সময় আমাদের ঘুম থেকে উঠতে হয়। সেখানে আমাদের কাজকর্মকে তিনটা ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। প্রথমত বৈজ্ঞানিক গবেষণা। এরপর আছে স্টেশনের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার মেরামত করা বা ঠিকঠাক রাখা। এর বাইরে আমাদের প্রতিদিন অনেক ব্যায়ামও করতে হয়।”

নিজেকে বৈজ্ঞানিক বলে দাবি করেন না মি. কেলি। তিনি বরং নিজেকে বিজ্ঞানের একটি বিষয় বলে মনে করেন। ”আমাকে হয়তো বিজ্ঞানের অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার চালক বলা যেতে পারে।” তিনি বলছিলেন। স্কট কেলি বলেন, ”যখন অনেক দিন চলে যায়, তখন আমরা স্পেস স্টেশনের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখি। বিশেষ করে যেসব পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানো হয়েছে, সেগুলো নজরদারি করি।”

”মাঝে মাঝে আমরা পৃথিবীকে দেখি। বেগুনি নীলের মাঝে পৃথিবীকে দেখতে খুব ভালো লাগে। তখন আমাদের নিজেদের খুব ভাগ্যবান মনে হয়, যে এই সুন্দর স্থানটি আমাদের ঠিকানা। কিন্তু একই সময় পৃথিবীর অনেক জায়গা দূষণে আক্রান্ত বলেও দেখতে পাই। এখান থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, পৃথিবী কিভাবে পাল্টে যাচ্ছে।”