আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য অপেক্ষার অবসান। দীর্ঘ ২৩ বছর পর আবারও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে দেশ ছেড়েছে জাতীয় দল। দুই ম্যাচের এই গুরুত্বপূর্ণ সিরিজকে সামনে রেখে শুক্রবার রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে প্রথম বহর অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে রওনা দেয়।
প্রথম দফায় যাত্রা করেন টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, সহ-অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ, অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক, ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম, অমিত হাসানসহ দলের কয়েকজন ক্রিকেটার। তাদের সঙ্গে রয়েছেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স, ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল, স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ এবং সাপোর্ট স্টাফের সদস্যরা। বাকি সদস্যরা পৃথক ফ্লাইটে পরে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন।
সিরিজ শুরুর আগে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে আগেভাগেই অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। সেখানে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন ক্রিকেটাররা।
দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটি শুরু হবে ১৩ আগস্ট ডারউইনের মারারা ওভালে। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ২২ আগস্ট ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায়।
অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে বাংলাদেশের টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা মাত্র একবারের। ২০০৩ সালের সেই সফরে ইনিংস ব্যবধানে হারের তিক্ত স্মৃতি রয়েছে টাইগারদের। এরপর আর এই ভেন্যুতে কোনো টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে বর্তমান দলের বেশিরভাগ ক্রিকেটারের কাছেই মাঠ ও কন্ডিশন একেবারেই নতুন।
সফরের আগে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত জানান, ডারউইনের কন্ডিশন সম্পর্কে খুব বেশি অভিজ্ঞতা না থাকলেও দলের বিশ্লেষকরা প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলার সুযোগকে নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন শান্ত। তার বিশ্বাস, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলতে পারলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ আরও বেশি টেস্ট সিরিজ খেলার সুযোগ পাবে।
শান্ত বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে তাদের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে পারাটা আমার জন্য অনেক বড় সৌভাগ্যের। গত ২৩ বছরে আমাদের সেখানে আরও বেশি টেস্ট খেলা উচিত ছিল। আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই এবং নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে চাই। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলতে পারলে ভবিষ্যতে তারা আমাদের আরও বেশি টেস্ট সিরিজ খেলতে আমন্ত্রণ জানাবে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
















