ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বিকেএসপির সাত কোচের শিক্ষাসনদ জাল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিজেদের শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ ব্যবহার করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) সাত কোচ চাকরি নিয়েছে। জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে এই সাত কোচের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শেষে বুধবার মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)।

অভিযুক্তরা হলেন বিকেএসপির সাবেক চিফ স্যুটিং কোচ সৈয়দ আসবাব আলী, সাবেক আরচারি কোচ মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, ফুটবলের বর্তমান কোচ মোহাম্মদ মাকসুদুল আমিন (রানা), জুডোর বর্তমান কোচ মো. আবু বকর ছিদ্দিক, বক্সিংয়ের বর্তমান কোচ মো.আবু সুফিয়ান চিশতী, জিমন্যাস্টিকসের সাবেক কোচ কাজী আকরাম আলী ও সাবেক বক্সিং কোচ মো.জহির উদ্দিন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা চাকরি নেওয়ার সময় জাল শিক্ষাসনদ ব্যবহার করেছেন। ২০১৬ সালে এ ব্যাপারে দুদক অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ছিলেন সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-২ এর উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম।

দুদক সূত্র আরও জানায়,বিকেএসপির সাবেক চিফ শ্যুটিং কোচ সৈয়দ আসবাব আলী বিএসসি পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। চাকরিতে যোগ দেন ২০১১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ও ইস্তফা দেওয়া হয় ২০১৬ সালের ১২ ডিসেম্বর। সাবেক আরচারি কোচ মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বিএসএস (সম্মান) পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি জয়েন করেন ২০১৬ সালে ৫ জানুয়ারি ও ইস্তফা দেন ২০১৬ সালের ১১ মে। ফুটবলের বর্তমান কোচ মোহাম্মদ মাকসুদুল আমিন (রানা) বি.এ পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি ২০১৬ সালের ৬ জানুয়ারিতে চাকরিতে যোগদান করে এখনও বহাল আছেন।

জুডোর বর্তমান কোচ মো.আবু বকর ছিদ্দিক বি.এ (অনার্স) পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি চাকরিতে যোগ দেন ২০১১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর। বক্সিংয়ের বর্তমান কোচ মো. আবু সুফিয়ান চিশতীর বি.এ (সম্মান) পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি চাকরিতে যোগদান করেন ১৯৯৯ সালের ৪ জুলাই। জিমন্যাস্টিকসের সাবেক কোচ কাজী আকরাম আলী প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে বিএসএস পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি ১৯৯৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি যোগদান করে ইস্তফা দেন ২০১৬ সালের ১২ জুন। সাবেক বক্সিং কোচ মো.জহির উদ্দিন বিএসসি (সম্মান) পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করে চাকরিতে যোগদান করেন ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি ও ইস্তফা দেন ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বিকেএসপির সাত কোচের শিক্ষাসনদ জাল

আপডেট সময় ১১:৩৬:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিজেদের শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ ব্যবহার করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) সাত কোচ চাকরি নিয়েছে। জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে এই সাত কোচের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শেষে বুধবার মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)।

অভিযুক্তরা হলেন বিকেএসপির সাবেক চিফ স্যুটিং কোচ সৈয়দ আসবাব আলী, সাবেক আরচারি কোচ মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, ফুটবলের বর্তমান কোচ মোহাম্মদ মাকসুদুল আমিন (রানা), জুডোর বর্তমান কোচ মো. আবু বকর ছিদ্দিক, বক্সিংয়ের বর্তমান কোচ মো.আবু সুফিয়ান চিশতী, জিমন্যাস্টিকসের সাবেক কোচ কাজী আকরাম আলী ও সাবেক বক্সিং কোচ মো.জহির উদ্দিন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা চাকরি নেওয়ার সময় জাল শিক্ষাসনদ ব্যবহার করেছেন। ২০১৬ সালে এ ব্যাপারে দুদক অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ছিলেন সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-২ এর উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম।

দুদক সূত্র আরও জানায়,বিকেএসপির সাবেক চিফ শ্যুটিং কোচ সৈয়দ আসবাব আলী বিএসসি পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। চাকরিতে যোগ দেন ২০১১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ও ইস্তফা দেওয়া হয় ২০১৬ সালের ১২ ডিসেম্বর। সাবেক আরচারি কোচ মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বিএসএস (সম্মান) পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি জয়েন করেন ২০১৬ সালে ৫ জানুয়ারি ও ইস্তফা দেন ২০১৬ সালের ১১ মে। ফুটবলের বর্তমান কোচ মোহাম্মদ মাকসুদুল আমিন (রানা) বি.এ পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি ২০১৬ সালের ৬ জানুয়ারিতে চাকরিতে যোগদান করে এখনও বহাল আছেন।

জুডোর বর্তমান কোচ মো.আবু বকর ছিদ্দিক বি.এ (অনার্স) পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি চাকরিতে যোগ দেন ২০১১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর। বক্সিংয়ের বর্তমান কোচ মো. আবু সুফিয়ান চিশতীর বি.এ (সম্মান) পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি চাকরিতে যোগদান করেন ১৯৯৯ সালের ৪ জুলাই। জিমন্যাস্টিকসের সাবেক কোচ কাজী আকরাম আলী প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে বিএসএস পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করেছেন। তিনি ১৯৯৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি যোগদান করে ইস্তফা দেন ২০১৬ সালের ১২ জুন। সাবেক বক্সিং কোচ মো.জহির উদ্দিন বিএসসি (সম্মান) পাশের জাল সনদপত্র ব্যবহার করে চাকরিতে যোগদান করেন ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি ও ইস্তফা দেন ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল।