ঢাকা ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মোবাইল ব্যাংক হিসাবে ৩ লাখের বেশি টাকা নয়

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ব্যক্তি মোবাইল হিসাবে সর্বোচ্চ ৩ লাখের বেশি টাকা রাখা যাবে না। সন্ত্রাস-জঙ্গি অর্থায়ন, হুন্ডিতে রেমিটেন্স প্রেরণসহ নানা জালিয়াতি প্রতিরোধে এমন নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এছাড়াও যেসব অ্যাকাউন্টে ৩ লাখে টাকার বেশি টাকা রয়েছে তা আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কমিয়ে আনতে হবে। সোমবার এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেসের অপ্যবহার রোধ এবং সুশৃঙ্খল ও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে আগামী ১ জানুয়ারি হতে একজন গ্রাহকের গ্রাহক তার ব্যক্তি মোবাইল হিসাবে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা রাখতে পারবেন। যে সকল ব্যক্তি মোবাইল হিসাবে ৩ লাখ টাকার অধিক স্থিতি রয়েছে, সে সকল হিসাবের স্থিতি আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে উপর্যুক্ত সীমার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে হিসাবধারীর হিসাবের সঙ্গে সংযুক্ত ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের মাধ্যমে তা করা যেতে পারে।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে জারি করা সার্কুলারে মাধ্যমে বলা হয়, একটি জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে একটি মোবাইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে একটি মাত্র অ্যাকাউন্ট চালু রাখা যাবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৫ হাজার এবং মাসে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা জমা (ক্যাশ ইন) করা যাবে। এছাড়া প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা এবং মাসে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন (ক্যাশ আউট) করা যাবে। আগে প্রতিদিন ২৫ হাজার এবং মাসে দেড় লাখ টাকা ক্যাশইন ও ক্যাশ আউট করা যেতো।

ওই সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, দিনে সর্বোচ্চ ২ বার ক্যাশ ইন করা যাবে, আগে ক্যাশ ইন করা যেতো ৫ বার। তবে মাসিক ক্যাশ ইন সংখ্যা ২০ বার অপরিবর্তিত রাখা হয়। এছাড়া ক্যাশ আউটের সংখ্যা ৩ বার থেকে কমিয়ে দিনে ২ বার এবং মাসে ১০ বার অপরিবর্তিত রাখা হয়। এছাড়া টাকা ক্যাশইন করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫ হাজার টাকার বেশি ক্যাশ আউট করা যাবে না। কোনো মোবাইল হিসাবে ৫ হাজার টাকার বেশি ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউট করতে হলে গ্রাহককে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখাতে হবে এবং এজেন্ট ওই পরিচয়পত্রের নম্বর রেজিস্টার খাতায় লিখে রাখবেন। ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউটের আলাদা রেজিস্ট্রার খাতায় গ্রাহকের স্বাক্ষর বা টিপসই রাখতে হবে। এই নির্দেশগুলো পরিপালন না করলেও এজেন্টশিপ বাতিল করতে হবে। এজন্য এজেন্টদের প্রতি নজরদারি বাড়াতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সন্ত্রাসে ও জঙ্গি কার্যক্রমে অর্থায়ন, মানবপাচার ও মাদক ব্যবসায়ীদের অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাংক ও রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে এসবের প্রমাণও পাওয়া গেছে। সম্প্রতি ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমার অন্যতম কারণ হিসেবে ব্যাংক কর্মকর্তারা মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ব্যবহারে হুন্ডি হওয়ার অভিযোগ করেন। আর এসব কারণে এমন সিন্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মোবাইল ব্যাংক হিসাবে ৩ লাখের বেশি টাকা নয়

আপডেট সময় ১১:৩৬:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ব্যক্তি মোবাইল হিসাবে সর্বোচ্চ ৩ লাখের বেশি টাকা রাখা যাবে না। সন্ত্রাস-জঙ্গি অর্থায়ন, হুন্ডিতে রেমিটেন্স প্রেরণসহ নানা জালিয়াতি প্রতিরোধে এমন নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এছাড়াও যেসব অ্যাকাউন্টে ৩ লাখে টাকার বেশি টাকা রয়েছে তা আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কমিয়ে আনতে হবে। সোমবার এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেসের অপ্যবহার রোধ এবং সুশৃঙ্খল ও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে আগামী ১ জানুয়ারি হতে একজন গ্রাহকের গ্রাহক তার ব্যক্তি মোবাইল হিসাবে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা রাখতে পারবেন। যে সকল ব্যক্তি মোবাইল হিসাবে ৩ লাখ টাকার অধিক স্থিতি রয়েছে, সে সকল হিসাবের স্থিতি আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে উপর্যুক্ত সীমার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে হিসাবধারীর হিসাবের সঙ্গে সংযুক্ত ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের মাধ্যমে তা করা যেতে পারে।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে জারি করা সার্কুলারে মাধ্যমে বলা হয়, একটি জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে একটি মোবাইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে একটি মাত্র অ্যাকাউন্ট চালু রাখা যাবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৫ হাজার এবং মাসে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা জমা (ক্যাশ ইন) করা যাবে। এছাড়া প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা এবং মাসে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন (ক্যাশ আউট) করা যাবে। আগে প্রতিদিন ২৫ হাজার এবং মাসে দেড় লাখ টাকা ক্যাশইন ও ক্যাশ আউট করা যেতো।

ওই সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, দিনে সর্বোচ্চ ২ বার ক্যাশ ইন করা যাবে, আগে ক্যাশ ইন করা যেতো ৫ বার। তবে মাসিক ক্যাশ ইন সংখ্যা ২০ বার অপরিবর্তিত রাখা হয়। এছাড়া ক্যাশ আউটের সংখ্যা ৩ বার থেকে কমিয়ে দিনে ২ বার এবং মাসে ১০ বার অপরিবর্তিত রাখা হয়। এছাড়া টাকা ক্যাশইন করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫ হাজার টাকার বেশি ক্যাশ আউট করা যাবে না। কোনো মোবাইল হিসাবে ৫ হাজার টাকার বেশি ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউট করতে হলে গ্রাহককে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখাতে হবে এবং এজেন্ট ওই পরিচয়পত্রের নম্বর রেজিস্টার খাতায় লিখে রাখবেন। ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউটের আলাদা রেজিস্ট্রার খাতায় গ্রাহকের স্বাক্ষর বা টিপসই রাখতে হবে। এই নির্দেশগুলো পরিপালন না করলেও এজেন্টশিপ বাতিল করতে হবে। এজন্য এজেন্টদের প্রতি নজরদারি বাড়াতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সন্ত্রাসে ও জঙ্গি কার্যক্রমে অর্থায়ন, মানবপাচার ও মাদক ব্যবসায়ীদের অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাংক ও রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে এসবের প্রমাণও পাওয়া গেছে। সম্প্রতি ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমার অন্যতম কারণ হিসেবে ব্যাংক কর্মকর্তারা মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ব্যবহারে হুন্ডি হওয়ার অভিযোগ করেন। আর এসব কারণে এমন সিন্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।