ঢাকা ১২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কৌতুক অভিনেতারা চলচ্চিত্রে গুরুত্ব পাচ্ছেন না : চিকন আলী

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

আমি বাংলা চলচ্চিত্রের একজন কৌতুক অভিনেতা। কিন্তু আমার মতো কৌতুক অভিনেতারা চলচ্চিত্রে কোনো গুরুত্ব পাচ্ছেন না। আমাদের চরিত্র নিয়ে পরিচালক, চিত্রনাট্যকাররা একদম ভাবছেন না। তাছাড়া ছবির নায়ক-নায়িকা থেকে প্রডাকশন খরচ বাবদ সবকিছুর বাজেট থাকলেও আমাদের মতো কমেডি অভিনেতাদের জন্য কোনো বাজেট রাখা হচ্ছে না।

চাপা কষ্ট নিয়ে জাগো নিউজকে কথাগুলো বলছিলেন ঢাকাই ছবির সুপরিচিত কৌতুক অভিনেতা অভিনেতা চিকন আলী। তিনি বলছিলেন, এখনকার বেশিরভাগ ছবি তামিল, তেলেগুর রিমেক হচ্ছে। সেখানে নায়ক-নায়িকাদের চরিত্র ঠিক রেখে কমেডিয়ানদের চরিত্র বাদ দেওয়া হচ্ছে। দু-একটা ছবিতে যা রাখা হচ্ছে তাও মূল্যহীন। নির্মাতারা পাত্তাই দিচ্ছেন না কোথায় একজন কমেডি অভিনেতাকে ব্যবহার করা হবে সেটা নিয়ে।

এজন্য আমি সম্প্রতি তিনটি ছবির কাজ ছেড়ে দিয়েছি। ছবিগুলোর নাম বলতে চাই না। ওইসব ছবিতে আমার মতো কৌতুক অভিনেতার জন্য ভালো চরিত্র নেই, গল্প নেই; বাজেটও একেবারেই ভালো না। আমাকে ছবি থেকে বলা হয়েছে, আমি যদি কাজ না করি তবে নাটক থেকে কমেডি শিল্পী নেওয়া হবে। আমি কিছুই বলিনি। তবে কষ্টে পেয়েছি। শুধু শুধু আমি দর্শকদের ঠকাতে চাই না বলে ছবিগুলো ছেড়ে দিয়েছি।

চিকন আলী বলেন, ’৯০ দশক কিংবা তারপরে আমাদের দেশে কৌতুক শিল্পী যারা ছিলেন তারা প্রত্যেকেই ছবিতে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত হতেন। দিলদার, আফজাল শরীফ, কাবিলা ওনাদের ছবি দেখতেও অনেক মানুষ হলে যেতেন। এখন সেসব নেই। আমার মতো কৌতুক অভিনেতাদের জন্য ছবিতে স্পেস রাখলে, পারিশ্রমিক দিলে অবশ্যই প্রতিটি ছবি ভিন্নমাত্রা যোগ হবে। ভালো চরিত্র আর সঠিক পারিশ্রমিক চাই। যে কোনো চরিত্রের জন্য আমি প্রস্তুত।

২০০৬ সালে ‘রঙিন চশমা’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় চিকন আলীর। এরপর একে একে ১৬৯টি ছবিতে অভিনয় করে নির্মাতাদের ভরসার প্রতীক তিনি। বর্তমানে চিকন আলী কাজ করছেন বেপোরোয়া, পোড়ামন ২, নুরজাহান ছবিগুলোতে। এ ছাড়া তার অভিনীত অন্তর জ্বালা, ইনোসেন্ট লাভ, পাষাণ, জান্নাত ইত্যাদি ছবিগুলো রয়েছে মুক্তির অপেক্ষায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

কৌতুক অভিনেতারা চলচ্চিত্রে গুরুত্ব পাচ্ছেন না : চিকন আলী

আপডেট সময় ০৭:৪১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

আমি বাংলা চলচ্চিত্রের একজন কৌতুক অভিনেতা। কিন্তু আমার মতো কৌতুক অভিনেতারা চলচ্চিত্রে কোনো গুরুত্ব পাচ্ছেন না। আমাদের চরিত্র নিয়ে পরিচালক, চিত্রনাট্যকাররা একদম ভাবছেন না। তাছাড়া ছবির নায়ক-নায়িকা থেকে প্রডাকশন খরচ বাবদ সবকিছুর বাজেট থাকলেও আমাদের মতো কমেডি অভিনেতাদের জন্য কোনো বাজেট রাখা হচ্ছে না।

চাপা কষ্ট নিয়ে জাগো নিউজকে কথাগুলো বলছিলেন ঢাকাই ছবির সুপরিচিত কৌতুক অভিনেতা অভিনেতা চিকন আলী। তিনি বলছিলেন, এখনকার বেশিরভাগ ছবি তামিল, তেলেগুর রিমেক হচ্ছে। সেখানে নায়ক-নায়িকাদের চরিত্র ঠিক রেখে কমেডিয়ানদের চরিত্র বাদ দেওয়া হচ্ছে। দু-একটা ছবিতে যা রাখা হচ্ছে তাও মূল্যহীন। নির্মাতারা পাত্তাই দিচ্ছেন না কোথায় একজন কমেডি অভিনেতাকে ব্যবহার করা হবে সেটা নিয়ে।

এজন্য আমি সম্প্রতি তিনটি ছবির কাজ ছেড়ে দিয়েছি। ছবিগুলোর নাম বলতে চাই না। ওইসব ছবিতে আমার মতো কৌতুক অভিনেতার জন্য ভালো চরিত্র নেই, গল্প নেই; বাজেটও একেবারেই ভালো না। আমাকে ছবি থেকে বলা হয়েছে, আমি যদি কাজ না করি তবে নাটক থেকে কমেডি শিল্পী নেওয়া হবে। আমি কিছুই বলিনি। তবে কষ্টে পেয়েছি। শুধু শুধু আমি দর্শকদের ঠকাতে চাই না বলে ছবিগুলো ছেড়ে দিয়েছি।

চিকন আলী বলেন, ’৯০ দশক কিংবা তারপরে আমাদের দেশে কৌতুক শিল্পী যারা ছিলেন তারা প্রত্যেকেই ছবিতে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত হতেন। দিলদার, আফজাল শরীফ, কাবিলা ওনাদের ছবি দেখতেও অনেক মানুষ হলে যেতেন। এখন সেসব নেই। আমার মতো কৌতুক অভিনেতাদের জন্য ছবিতে স্পেস রাখলে, পারিশ্রমিক দিলে অবশ্যই প্রতিটি ছবি ভিন্নমাত্রা যোগ হবে। ভালো চরিত্র আর সঠিক পারিশ্রমিক চাই। যে কোনো চরিত্রের জন্য আমি প্রস্তুত।

২০০৬ সালে ‘রঙিন চশমা’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় চিকন আলীর। এরপর একে একে ১৬৯টি ছবিতে অভিনয় করে নির্মাতাদের ভরসার প্রতীক তিনি। বর্তমানে চিকন আলী কাজ করছেন বেপোরোয়া, পোড়ামন ২, নুরজাহান ছবিগুলোতে। এ ছাড়া তার অভিনীত অন্তর জ্বালা, ইনোসেন্ট লাভ, পাষাণ, জান্নাত ইত্যাদি ছবিগুলো রয়েছে মুক্তির অপেক্ষায়।