ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম কারচুপির খেলা খেলার স্পর্ধা যেন কোনো রাজনৈতিক দল না দেখায়: রুমিন ফারহানার হুঁশিয়ারি সবকিছুর মালিক আল্লাহ, কেউ কেউ বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান বিএনপি একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: তারেক রহমান একটা বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের ক্রিকেট বন্ধ হবে না : আবুল কালাম শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্প আত্মসাৎ: ৩১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নতুন যে বার্তা দিল জাতিসংঘ

কৌতুক অভিনেতারা চলচ্চিত্রে গুরুত্ব পাচ্ছেন না : চিকন আলী

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

আমি বাংলা চলচ্চিত্রের একজন কৌতুক অভিনেতা। কিন্তু আমার মতো কৌতুক অভিনেতারা চলচ্চিত্রে কোনো গুরুত্ব পাচ্ছেন না। আমাদের চরিত্র নিয়ে পরিচালক, চিত্রনাট্যকাররা একদম ভাবছেন না। তাছাড়া ছবির নায়ক-নায়িকা থেকে প্রডাকশন খরচ বাবদ সবকিছুর বাজেট থাকলেও আমাদের মতো কমেডি অভিনেতাদের জন্য কোনো বাজেট রাখা হচ্ছে না।

চাপা কষ্ট নিয়ে জাগো নিউজকে কথাগুলো বলছিলেন ঢাকাই ছবির সুপরিচিত কৌতুক অভিনেতা অভিনেতা চিকন আলী। তিনি বলছিলেন, এখনকার বেশিরভাগ ছবি তামিল, তেলেগুর রিমেক হচ্ছে। সেখানে নায়ক-নায়িকাদের চরিত্র ঠিক রেখে কমেডিয়ানদের চরিত্র বাদ দেওয়া হচ্ছে। দু-একটা ছবিতে যা রাখা হচ্ছে তাও মূল্যহীন। নির্মাতারা পাত্তাই দিচ্ছেন না কোথায় একজন কমেডি অভিনেতাকে ব্যবহার করা হবে সেটা নিয়ে।

এজন্য আমি সম্প্রতি তিনটি ছবির কাজ ছেড়ে দিয়েছি। ছবিগুলোর নাম বলতে চাই না। ওইসব ছবিতে আমার মতো কৌতুক অভিনেতার জন্য ভালো চরিত্র নেই, গল্প নেই; বাজেটও একেবারেই ভালো না। আমাকে ছবি থেকে বলা হয়েছে, আমি যদি কাজ না করি তবে নাটক থেকে কমেডি শিল্পী নেওয়া হবে। আমি কিছুই বলিনি। তবে কষ্টে পেয়েছি। শুধু শুধু আমি দর্শকদের ঠকাতে চাই না বলে ছবিগুলো ছেড়ে দিয়েছি।

চিকন আলী বলেন, ’৯০ দশক কিংবা তারপরে আমাদের দেশে কৌতুক শিল্পী যারা ছিলেন তারা প্রত্যেকেই ছবিতে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত হতেন। দিলদার, আফজাল শরীফ, কাবিলা ওনাদের ছবি দেখতেও অনেক মানুষ হলে যেতেন। এখন সেসব নেই। আমার মতো কৌতুক অভিনেতাদের জন্য ছবিতে স্পেস রাখলে, পারিশ্রমিক দিলে অবশ্যই প্রতিটি ছবি ভিন্নমাত্রা যোগ হবে। ভালো চরিত্র আর সঠিক পারিশ্রমিক চাই। যে কোনো চরিত্রের জন্য আমি প্রস্তুত।

২০০৬ সালে ‘রঙিন চশমা’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় চিকন আলীর। এরপর একে একে ১৬৯টি ছবিতে অভিনয় করে নির্মাতাদের ভরসার প্রতীক তিনি। বর্তমানে চিকন আলী কাজ করছেন বেপোরোয়া, পোড়ামন ২, নুরজাহান ছবিগুলোতে। এ ছাড়া তার অভিনীত অন্তর জ্বালা, ইনোসেন্ট লাভ, পাষাণ, জান্নাত ইত্যাদি ছবিগুলো রয়েছে মুক্তির অপেক্ষায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রিনল্যান্ডের দাম ১ বিলিয়ন ডলার, ট্রাম্পের হয়ে ডেনমার্ককে পুতিনের খোঁচা

কৌতুক অভিনেতারা চলচ্চিত্রে গুরুত্ব পাচ্ছেন না : চিকন আলী

আপডেট সময় ০৭:৪১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

আমি বাংলা চলচ্চিত্রের একজন কৌতুক অভিনেতা। কিন্তু আমার মতো কৌতুক অভিনেতারা চলচ্চিত্রে কোনো গুরুত্ব পাচ্ছেন না। আমাদের চরিত্র নিয়ে পরিচালক, চিত্রনাট্যকাররা একদম ভাবছেন না। তাছাড়া ছবির নায়ক-নায়িকা থেকে প্রডাকশন খরচ বাবদ সবকিছুর বাজেট থাকলেও আমাদের মতো কমেডি অভিনেতাদের জন্য কোনো বাজেট রাখা হচ্ছে না।

চাপা কষ্ট নিয়ে জাগো নিউজকে কথাগুলো বলছিলেন ঢাকাই ছবির সুপরিচিত কৌতুক অভিনেতা অভিনেতা চিকন আলী। তিনি বলছিলেন, এখনকার বেশিরভাগ ছবি তামিল, তেলেগুর রিমেক হচ্ছে। সেখানে নায়ক-নায়িকাদের চরিত্র ঠিক রেখে কমেডিয়ানদের চরিত্র বাদ দেওয়া হচ্ছে। দু-একটা ছবিতে যা রাখা হচ্ছে তাও মূল্যহীন। নির্মাতারা পাত্তাই দিচ্ছেন না কোথায় একজন কমেডি অভিনেতাকে ব্যবহার করা হবে সেটা নিয়ে।

এজন্য আমি সম্প্রতি তিনটি ছবির কাজ ছেড়ে দিয়েছি। ছবিগুলোর নাম বলতে চাই না। ওইসব ছবিতে আমার মতো কৌতুক অভিনেতার জন্য ভালো চরিত্র নেই, গল্প নেই; বাজেটও একেবারেই ভালো না। আমাকে ছবি থেকে বলা হয়েছে, আমি যদি কাজ না করি তবে নাটক থেকে কমেডি শিল্পী নেওয়া হবে। আমি কিছুই বলিনি। তবে কষ্টে পেয়েছি। শুধু শুধু আমি দর্শকদের ঠকাতে চাই না বলে ছবিগুলো ছেড়ে দিয়েছি।

চিকন আলী বলেন, ’৯০ দশক কিংবা তারপরে আমাদের দেশে কৌতুক শিল্পী যারা ছিলেন তারা প্রত্যেকেই ছবিতে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত হতেন। দিলদার, আফজাল শরীফ, কাবিলা ওনাদের ছবি দেখতেও অনেক মানুষ হলে যেতেন। এখন সেসব নেই। আমার মতো কৌতুক অভিনেতাদের জন্য ছবিতে স্পেস রাখলে, পারিশ্রমিক দিলে অবশ্যই প্রতিটি ছবি ভিন্নমাত্রা যোগ হবে। ভালো চরিত্র আর সঠিক পারিশ্রমিক চাই। যে কোনো চরিত্রের জন্য আমি প্রস্তুত।

২০০৬ সালে ‘রঙিন চশমা’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় চিকন আলীর। এরপর একে একে ১৬৯টি ছবিতে অভিনয় করে নির্মাতাদের ভরসার প্রতীক তিনি। বর্তমানে চিকন আলী কাজ করছেন বেপোরোয়া, পোড়ামন ২, নুরজাহান ছবিগুলোতে। এ ছাড়া তার অভিনীত অন্তর জ্বালা, ইনোসেন্ট লাভ, পাষাণ, জান্নাত ইত্যাদি ছবিগুলো রয়েছে মুক্তির অপেক্ষায়।