ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু নারী ও পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ে তুলব: জামায়াত আমির হাসিনা যুগের সমাপ্তি? জয় বললেন ‘সম্ভবত তাই’ ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের বিপুল ভোটে জিতে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম কারচুপির খেলা খেলার স্পর্ধা যেন কোনো রাজনৈতিক দল না দেখায়: রুমিন ফারহানার হুঁশিয়ারি সবকিছুর মালিক আল্লাহ, কেউ কেউ বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান

৭৮ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন আগুয়েরো

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

নেপলসের স্তাদিও সান পাওলো স্টেডিয়াম, নাম শুনলেই ফুটবল অনুরাগীদের স্মৃতির মানসপটে ভেসে উঠে ৮০’র দশকের আর্জেন্টিনা তারকা ডিয়েগো ম্যারাডোনাকে। এ মাঠের সঙ্গে যে তার ছিল একরকম নাড়ির সম্পর্ক। এখানেই তো হাজারো কীর্তি গড়েন ফুটবল ইশ্বর। এজন্য এখনো সেখানে তাকে দেবতা হিসেবে উপাসনা করা হয়। এবার সেই ভেন্যুতেই ম্যানচেস্টার সিটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে গেলেন স্বদেশী সার্জিও আগুয়েরো। রেকর্ড ভাঙা–গড়া কিংবা ইতিহাস রচনার জন্য এর চেয়ে মোক্ষম সময় এবং ভেন্যু কি-ই-বা আর হতে পারত!

চ্যাম্পিয়নস লিগে ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে নাপোলিকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে ম্যানসিটি। এই জয়ে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে পেপ গার্দিওলার দল। ১ গোল করে দলের দারুণ জয়ে অবদান রাখেন আগুয়েরো। এতেই ইতিহাস রচনা করে ফেলেন তিনি। ভেঙে দেন ৭৮ বছরের রেকর্ড।

ম্যাচের ৬৯ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন আগুয়েরো। এই গোলের সুবাদে সিটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা (১৭৮টি) বনে যান আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।

এর আগে সিটিজেনদের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের মালিক ছিলেন এরিক ব্রুক (১৭৭টি)। এর সবশেষ গোলটি তিনি করেন ১৯৩৯ সালে। ৭৮ বছর ধরে যা অক্ষত ছিল। গেলো সপ্তাহে ইপিএলে বার্নলির বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জেতা ম্যাচে গোল করে সাবেক এই ফরোয়ার্ডকে ছুঁয়ে ফেলেন আগুয়েরো। বুধবার রাতে নাপোলির মাঠে গোল করে তার রেকর্ড-ই ভেঙে দিলেন তিনি। ১৭৭ গোল করতে ব্রুকের সময় লেগেছিল ১১ বছর, সেখানে মাত্র ৬ বছরেই ১৭৮ গোল করে ফেললেন আগুয়েরো।

এই স্ট্রাইকারের রেকর্ড ভাঙা গোলটা এসেছে খুবই দরকারি মুহূর্তে। ওই সময় ম্যাচে ২-২ গোলে সমতা ছিল। তার গোলটাই এগিয়ে দেয় সিটিকে। পরে রাহিম স্টার্লিং গোল করলে ৪-২ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পেপ গার্দিওলার দল।

নিজেকে অনন্য উচ্চতায় তুলতে পেরে উচ্ছ্বসিত আগুয়েরোও। বিটি স্পোর্টকে তিনি বলেন, এই মুহূর্তের জন্য আমি খুবই খুশি। এরকম মুহূর্ত জীবনে একবারই আসে। আমি আনন্দিত যে, দলকে জেতাতে সহায়তা করতে পেরেছি। এমন কীর্তি গড়তে পেরে ভালো লাগছে। সবসময় আমাকে সমর্থন যোগানোর জন্য দল, দলের কর্মকর্তা ও ভক্তদের ধন্যবাদ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

৭৮ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন আগুয়েরো

আপডেট সময় ০৫:৫২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

নেপলসের স্তাদিও সান পাওলো স্টেডিয়াম, নাম শুনলেই ফুটবল অনুরাগীদের স্মৃতির মানসপটে ভেসে উঠে ৮০’র দশকের আর্জেন্টিনা তারকা ডিয়েগো ম্যারাডোনাকে। এ মাঠের সঙ্গে যে তার ছিল একরকম নাড়ির সম্পর্ক। এখানেই তো হাজারো কীর্তি গড়েন ফুটবল ইশ্বর। এজন্য এখনো সেখানে তাকে দেবতা হিসেবে উপাসনা করা হয়। এবার সেই ভেন্যুতেই ম্যানচেস্টার সিটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে গেলেন স্বদেশী সার্জিও আগুয়েরো। রেকর্ড ভাঙা–গড়া কিংবা ইতিহাস রচনার জন্য এর চেয়ে মোক্ষম সময় এবং ভেন্যু কি-ই-বা আর হতে পারত!

চ্যাম্পিয়নস লিগে ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে নাপোলিকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে ম্যানসিটি। এই জয়ে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে পেপ গার্দিওলার দল। ১ গোল করে দলের দারুণ জয়ে অবদান রাখেন আগুয়েরো। এতেই ইতিহাস রচনা করে ফেলেন তিনি। ভেঙে দেন ৭৮ বছরের রেকর্ড।

ম্যাচের ৬৯ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন আগুয়েরো। এই গোলের সুবাদে সিটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা (১৭৮টি) বনে যান আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।

এর আগে সিটিজেনদের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের মালিক ছিলেন এরিক ব্রুক (১৭৭টি)। এর সবশেষ গোলটি তিনি করেন ১৯৩৯ সালে। ৭৮ বছর ধরে যা অক্ষত ছিল। গেলো সপ্তাহে ইপিএলে বার্নলির বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জেতা ম্যাচে গোল করে সাবেক এই ফরোয়ার্ডকে ছুঁয়ে ফেলেন আগুয়েরো। বুধবার রাতে নাপোলির মাঠে গোল করে তার রেকর্ড-ই ভেঙে দিলেন তিনি। ১৭৭ গোল করতে ব্রুকের সময় লেগেছিল ১১ বছর, সেখানে মাত্র ৬ বছরেই ১৭৮ গোল করে ফেললেন আগুয়েরো।

এই স্ট্রাইকারের রেকর্ড ভাঙা গোলটা এসেছে খুবই দরকারি মুহূর্তে। ওই সময় ম্যাচে ২-২ গোলে সমতা ছিল। তার গোলটাই এগিয়ে দেয় সিটিকে। পরে রাহিম স্টার্লিং গোল করলে ৪-২ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পেপ গার্দিওলার দল।

নিজেকে অনন্য উচ্চতায় তুলতে পেরে উচ্ছ্বসিত আগুয়েরোও। বিটি স্পোর্টকে তিনি বলেন, এই মুহূর্তের জন্য আমি খুবই খুশি। এরকম মুহূর্ত জীবনে একবারই আসে। আমি আনন্দিত যে, দলকে জেতাতে সহায়তা করতে পেরেছি। এমন কীর্তি গড়তে পেরে ভালো লাগছে। সবসময় আমাকে সমর্থন যোগানোর জন্য দল, দলের কর্মকর্তা ও ভক্তদের ধন্যবাদ।