ঢাকা ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

৭৮ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন আগুয়েরো

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

নেপলসের স্তাদিও সান পাওলো স্টেডিয়াম, নাম শুনলেই ফুটবল অনুরাগীদের স্মৃতির মানসপটে ভেসে উঠে ৮০’র দশকের আর্জেন্টিনা তারকা ডিয়েগো ম্যারাডোনাকে। এ মাঠের সঙ্গে যে তার ছিল একরকম নাড়ির সম্পর্ক। এখানেই তো হাজারো কীর্তি গড়েন ফুটবল ইশ্বর। এজন্য এখনো সেখানে তাকে দেবতা হিসেবে উপাসনা করা হয়। এবার সেই ভেন্যুতেই ম্যানচেস্টার সিটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে গেলেন স্বদেশী সার্জিও আগুয়েরো। রেকর্ড ভাঙা–গড়া কিংবা ইতিহাস রচনার জন্য এর চেয়ে মোক্ষম সময় এবং ভেন্যু কি-ই-বা আর হতে পারত!

চ্যাম্পিয়নস লিগে ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে নাপোলিকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে ম্যানসিটি। এই জয়ে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে পেপ গার্দিওলার দল। ১ গোল করে দলের দারুণ জয়ে অবদান রাখেন আগুয়েরো। এতেই ইতিহাস রচনা করে ফেলেন তিনি। ভেঙে দেন ৭৮ বছরের রেকর্ড।

ম্যাচের ৬৯ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন আগুয়েরো। এই গোলের সুবাদে সিটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা (১৭৮টি) বনে যান আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।

এর আগে সিটিজেনদের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের মালিক ছিলেন এরিক ব্রুক (১৭৭টি)। এর সবশেষ গোলটি তিনি করেন ১৯৩৯ সালে। ৭৮ বছর ধরে যা অক্ষত ছিল। গেলো সপ্তাহে ইপিএলে বার্নলির বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জেতা ম্যাচে গোল করে সাবেক এই ফরোয়ার্ডকে ছুঁয়ে ফেলেন আগুয়েরো। বুধবার রাতে নাপোলির মাঠে গোল করে তার রেকর্ড-ই ভেঙে দিলেন তিনি। ১৭৭ গোল করতে ব্রুকের সময় লেগেছিল ১১ বছর, সেখানে মাত্র ৬ বছরেই ১৭৮ গোল করে ফেললেন আগুয়েরো।

এই স্ট্রাইকারের রেকর্ড ভাঙা গোলটা এসেছে খুবই দরকারি মুহূর্তে। ওই সময় ম্যাচে ২-২ গোলে সমতা ছিল। তার গোলটাই এগিয়ে দেয় সিটিকে। পরে রাহিম স্টার্লিং গোল করলে ৪-২ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পেপ গার্দিওলার দল।

নিজেকে অনন্য উচ্চতায় তুলতে পেরে উচ্ছ্বসিত আগুয়েরোও। বিটি স্পোর্টকে তিনি বলেন, এই মুহূর্তের জন্য আমি খুবই খুশি। এরকম মুহূর্ত জীবনে একবারই আসে। আমি আনন্দিত যে, দলকে জেতাতে সহায়তা করতে পেরেছি। এমন কীর্তি গড়তে পেরে ভালো লাগছে। সবসময় আমাকে সমর্থন যোগানোর জন্য দল, দলের কর্মকর্তা ও ভক্তদের ধন্যবাদ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

৭৮ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন আগুয়েরো

আপডেট সময় ০৫:৫২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

নেপলসের স্তাদিও সান পাওলো স্টেডিয়াম, নাম শুনলেই ফুটবল অনুরাগীদের স্মৃতির মানসপটে ভেসে উঠে ৮০’র দশকের আর্জেন্টিনা তারকা ডিয়েগো ম্যারাডোনাকে। এ মাঠের সঙ্গে যে তার ছিল একরকম নাড়ির সম্পর্ক। এখানেই তো হাজারো কীর্তি গড়েন ফুটবল ইশ্বর। এজন্য এখনো সেখানে তাকে দেবতা হিসেবে উপাসনা করা হয়। এবার সেই ভেন্যুতেই ম্যানচেস্টার সিটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে গেলেন স্বদেশী সার্জিও আগুয়েরো। রেকর্ড ভাঙা–গড়া কিংবা ইতিহাস রচনার জন্য এর চেয়ে মোক্ষম সময় এবং ভেন্যু কি-ই-বা আর হতে পারত!

চ্যাম্পিয়নস লিগে ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে নাপোলিকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে ম্যানসিটি। এই জয়ে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে পেপ গার্দিওলার দল। ১ গোল করে দলের দারুণ জয়ে অবদান রাখেন আগুয়েরো। এতেই ইতিহাস রচনা করে ফেলেন তিনি। ভেঙে দেন ৭৮ বছরের রেকর্ড।

ম্যাচের ৬৯ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন আগুয়েরো। এই গোলের সুবাদে সিটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা (১৭৮টি) বনে যান আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।

এর আগে সিটিজেনদের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের মালিক ছিলেন এরিক ব্রুক (১৭৭টি)। এর সবশেষ গোলটি তিনি করেন ১৯৩৯ সালে। ৭৮ বছর ধরে যা অক্ষত ছিল। গেলো সপ্তাহে ইপিএলে বার্নলির বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জেতা ম্যাচে গোল করে সাবেক এই ফরোয়ার্ডকে ছুঁয়ে ফেলেন আগুয়েরো। বুধবার রাতে নাপোলির মাঠে গোল করে তার রেকর্ড-ই ভেঙে দিলেন তিনি। ১৭৭ গোল করতে ব্রুকের সময় লেগেছিল ১১ বছর, সেখানে মাত্র ৬ বছরেই ১৭৮ গোল করে ফেললেন আগুয়েরো।

এই স্ট্রাইকারের রেকর্ড ভাঙা গোলটা এসেছে খুবই দরকারি মুহূর্তে। ওই সময় ম্যাচে ২-২ গোলে সমতা ছিল। তার গোলটাই এগিয়ে দেয় সিটিকে। পরে রাহিম স্টার্লিং গোল করলে ৪-২ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পেপ গার্দিওলার দল।

নিজেকে অনন্য উচ্চতায় তুলতে পেরে উচ্ছ্বসিত আগুয়েরোও। বিটি স্পোর্টকে তিনি বলেন, এই মুহূর্তের জন্য আমি খুবই খুশি। এরকম মুহূর্ত জীবনে একবারই আসে। আমি আনন্দিত যে, দলকে জেতাতে সহায়তা করতে পেরেছি। এমন কীর্তি গড়তে পেরে ভালো লাগছে। সবসময় আমাকে সমর্থন যোগানোর জন্য দল, দলের কর্মকর্তা ও ভক্তদের ধন্যবাদ।