ঢাকা ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রের পরীক্ষামূলক উত্তোলন শুরু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ভোলার শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রের কূপ থেকে পরীক্ষামূলক গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কূপটির প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়। নতুন এই গ্যাসক্ষেত্রটি থেকে প্রায় ৭০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে বলে জানায় বাপেক্স।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানির (বাপেক্স) উপপরিচালক জসিমউদ্দিন জানান, কূপটির সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করা হয়েছে। এখন ওই কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন করে সরবরাহ সম্ভব। কূপ থেকে প্রায় আড়াই হাজার পিএসআই চাপে গ্যাস বেরিয়ে আসছে। এখান থেকে প্রতিদিন ঘণ্টায় ৫০ এমএমসিএফ গ্রাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।

ভোলার শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র থেকে ২০০৯ সালের ১১ মে গ্যাস উত্তোলন শুরু করে বাপেক্স। সেখানে থাকা চারটি কূপের মধ্যে তিনটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস তোলা হচ্ছে বলে বাপেক্স ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য থেকে জানা যায়। শাহবাজপুরে ৩৫ বিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাস মজুদ রয়েছে বলে বাপেক্সের প্রকৌশলীদের ধারণা।

ওই গ্যাসের বিপরীতে ২২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ৩৫ মেগাওয়াট রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ কয়েকটি মাঝারি শিল্পকারখানার জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। নতুন কূপে গ্যাসের মজুদ নিশ্চিত হলে ফের গ্যাসের জন্য আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের সংযোগ পাওয়ার সুযোগ থাকবে। ভোলার বোরহানউদ্দিনের কাচিয়া ইউনিয়নে প্রথম ১৯৮৯ সালে গ্যাসের অস্তিত্ব লক্ষ করা যায়।

এর দুই বছর পর ১৯৯১ সালে প্রথম কূপ খনন শুরু হয়। বাপেক্স প্রথমে তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নে দুটি কূপ খনন করে। পরে একই এলাকায় আরও দুটি কূপ খনন করা হয়। যা থেকে বর্তমানে প্রতিদিন ৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব।

এ বছর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ১০টি কূপ খননের পরিকল্পনা নেয়া হয়। এর মধ্যে ভোলার মুলাইপত্তনে একটি ও ভেদুরিয়ায় একটি রয়েছে। মুলাইপত্তনের অনুসন্ধান কূপের খননকাজ শুরু হয় ৬ আগস্ট। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশনের হিসাব অনুযায়ী, দেশের ২৬টি গ্যাসক্ষেত্রে ২০১৬ সালে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রমাণিত গ্যাসের মজুদ ছিল ১৩ দশমিক ৬০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রের পরীক্ষামূলক উত্তোলন শুরু

আপডেট সময় ১২:৪১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ভোলার শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রের কূপ থেকে পরীক্ষামূলক গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কূপটির প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়। নতুন এই গ্যাসক্ষেত্রটি থেকে প্রায় ৭০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে বলে জানায় বাপেক্স।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানির (বাপেক্স) উপপরিচালক জসিমউদ্দিন জানান, কূপটির সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করা হয়েছে। এখন ওই কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন করে সরবরাহ সম্ভব। কূপ থেকে প্রায় আড়াই হাজার পিএসআই চাপে গ্যাস বেরিয়ে আসছে। এখান থেকে প্রতিদিন ঘণ্টায় ৫০ এমএমসিএফ গ্রাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।

ভোলার শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র থেকে ২০০৯ সালের ১১ মে গ্যাস উত্তোলন শুরু করে বাপেক্স। সেখানে থাকা চারটি কূপের মধ্যে তিনটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস তোলা হচ্ছে বলে বাপেক্স ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য থেকে জানা যায়। শাহবাজপুরে ৩৫ বিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাস মজুদ রয়েছে বলে বাপেক্সের প্রকৌশলীদের ধারণা।

ওই গ্যাসের বিপরীতে ২২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ৩৫ মেগাওয়াট রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ কয়েকটি মাঝারি শিল্পকারখানার জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। নতুন কূপে গ্যাসের মজুদ নিশ্চিত হলে ফের গ্যাসের জন্য আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের সংযোগ পাওয়ার সুযোগ থাকবে। ভোলার বোরহানউদ্দিনের কাচিয়া ইউনিয়নে প্রথম ১৯৮৯ সালে গ্যাসের অস্তিত্ব লক্ষ করা যায়।

এর দুই বছর পর ১৯৯১ সালে প্রথম কূপ খনন শুরু হয়। বাপেক্স প্রথমে তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নে দুটি কূপ খনন করে। পরে একই এলাকায় আরও দুটি কূপ খনন করা হয়। যা থেকে বর্তমানে প্রতিদিন ৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব।

এ বছর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ১০টি কূপ খননের পরিকল্পনা নেয়া হয়। এর মধ্যে ভোলার মুলাইপত্তনে একটি ও ভেদুরিয়ায় একটি রয়েছে। মুলাইপত্তনের অনুসন্ধান কূপের খননকাজ শুরু হয় ৬ আগস্ট। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশনের হিসাব অনুযায়ী, দেশের ২৬টি গ্যাসক্ষেত্রে ২০১৬ সালে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রমাণিত গ্যাসের মজুদ ছিল ১৩ দশমিক ৬০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।