ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিবিআই না পারলে রবীন্দ্রনাথের নোবেল খুঁজবে সিআইডি: কলকাতা হাইকোর্ট

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল পদক চুরির তদন্তে ভারতের সর্বোচ্চ গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই কেন আজও কিছু করতে পারল না, তার লিখিত জবাব চেয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জানতে চেয়েছেন ১৩ বছর ধরে যে তদন্তের কিনারা করতে পারেনি, সেই তদন্তভার পশ্চিমবঙ্গের সিআইডির হাতে তুলে দিতে বাধা কোথায়?

কর্মজীবনের শেষ দিনে কলকাতা হাইকোর্টের অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি রাকেশ তেওয়ারি বলেছেন, সিবিআই না পারলে ছেড়ে দিক। পাশাপাশি, এই দীর্ঘসূত্রতাকে এক কথায় ব্যর্থতা বলেই তিনি মন্তব্য করেন। ভর্ত্সনা করেন সিবিআইকে। ডিভিশন বেঞ্চের অপর বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন বলেন, সিবিআই ইতোমধ্যে দু’বার চুরির তদন্তে কূলকিনারা পাওয়া যাচ্ছে না বলে তদন্ত বন্ধের আবেদন জানিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে আদালতে জানানো হয়, রাজ্য পুলিশের কাছে যথেষ্ট পরিমাণ তথ্যসূত্র আছে, যা দিয়ে এ তদন্তের কিনারা করা যাবে।

২০০৪ সালে ২৫ এপ্রিল বিশ্বভারতীর সংগ্রহশালায় হঠাৎ খেয়াল করা হয়, ১৯১৩ সালে পাওয়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল পদকটি নেই! সঙ্গে সঙ্গে সিআইডি তদন্ত শুরু করে। তিনদিনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের তত্কালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সিবিআই’কে তদন্তের নির্দেশ দেন। এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সিবিআইয়ের দুটি রিপোর্ট জমা পড়েছে। তাতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়নি। কীভাবে সোনার পদকটি চুরি যেতে পারে তার কোনো ইঙ্গিতও নেই। সম্প্রতি রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি জোরের সঙ্গে বলেছিলেন, তদন্তের দায়িত্ব সিআইডিকে দেয়া হোক। তারা নোবেল উদ্ধার করে দেখিয়ে দেবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিবিআই না পারলে রবীন্দ্রনাথের নোবেল খুঁজবে সিআইডি: কলকাতা হাইকোর্ট

আপডেট সময় ০৩:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল পদক চুরির তদন্তে ভারতের সর্বোচ্চ গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই কেন আজও কিছু করতে পারল না, তার লিখিত জবাব চেয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জানতে চেয়েছেন ১৩ বছর ধরে যে তদন্তের কিনারা করতে পারেনি, সেই তদন্তভার পশ্চিমবঙ্গের সিআইডির হাতে তুলে দিতে বাধা কোথায়?

কর্মজীবনের শেষ দিনে কলকাতা হাইকোর্টের অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি রাকেশ তেওয়ারি বলেছেন, সিবিআই না পারলে ছেড়ে দিক। পাশাপাশি, এই দীর্ঘসূত্রতাকে এক কথায় ব্যর্থতা বলেই তিনি মন্তব্য করেন। ভর্ত্সনা করেন সিবিআইকে। ডিভিশন বেঞ্চের অপর বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন বলেন, সিবিআই ইতোমধ্যে দু’বার চুরির তদন্তে কূলকিনারা পাওয়া যাচ্ছে না বলে তদন্ত বন্ধের আবেদন জানিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে আদালতে জানানো হয়, রাজ্য পুলিশের কাছে যথেষ্ট পরিমাণ তথ্যসূত্র আছে, যা দিয়ে এ তদন্তের কিনারা করা যাবে।

২০০৪ সালে ২৫ এপ্রিল বিশ্বভারতীর সংগ্রহশালায় হঠাৎ খেয়াল করা হয়, ১৯১৩ সালে পাওয়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল পদকটি নেই! সঙ্গে সঙ্গে সিআইডি তদন্ত শুরু করে। তিনদিনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের তত্কালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সিবিআই’কে তদন্তের নির্দেশ দেন। এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সিবিআইয়ের দুটি রিপোর্ট জমা পড়েছে। তাতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়নি। কীভাবে সোনার পদকটি চুরি যেতে পারে তার কোনো ইঙ্গিতও নেই। সম্প্রতি রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি জোরের সঙ্গে বলেছিলেন, তদন্তের দায়িত্ব সিআইডিকে দেয়া হোক। তারা নোবেল উদ্ধার করে দেখিয়ে দেবে।