ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ কোনও ধরনের চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না : ইলিয়াসপত্নী লুনা অবশেষে মুক্তি পেলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম, স্ত্রী-সন্তানের কবর জিয়ারত ইসলামী নীতি অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করব: চরমোনাই পীর পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি প্রয়োজন: প্রধান উপদেষ্টা শেরপুরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত ধানের শীষ প্রতীক তারেক রহমানের আমানত : রাশেদ খাঁন ফান্ড তৈরি করে বেকার শিক্ষার্থীদের জন্য পুঁজির ব্যবস্থা করব: তাসনিম জারা উত্তরায় ফার্নিচার মার্কেটে আগুন নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রত্যাশার চেয়েও ভালো: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

সৌদি আরবে বরুড়ার যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সৌদি আরবে বরুড়ার এমরান হোসেন (২০) নামের এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ঐ যুবক বরুড়ার ১৩নং আদ্রা ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামের সফিকুল ইসলাম এর মেঝো ছেলে। এলাকাবাসী জানায় জীবিকা নির্বাহের জন্য দুইমাস আগে সৌদি আরব যায় এমরান(২০)। হঠাৎ সেদিন পরিবারের কাছে কেউ একজন ফোন করে এমরান ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। যদিও আত্মহত্যা করার কোনো কারন নেই বলে দাবী করছে নিহতের পরিবার। পরিবারের অভিযোগ তাকে কেউ ইচ্ছে করেই মেরে ফেলেছে।নিহতের বাবা সফিকুল ইসলাম জানান, বহু কষ্টে ছেলেকে ৬লাখ টাকা খরচ করে সৌদি আরব পাঠিয়েছি, দুইমাস পার হলেও তার সৌদি চলাচল করার জন্য কোনো কাগজপত্র হয়নি, যার জনন্য শতভাগ অনিশ্চয়তা লাশ ফিরিয়ে আনায়ও। তার সৌদি আরবের মালিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে সে স্ট্রোক করেছে বলে মালিক জানায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ

সৌদি আরবে বরুড়ার যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

আপডেট সময় ১০:২৭:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সৌদি আরবে বরুড়ার এমরান হোসেন (২০) নামের এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ঐ যুবক বরুড়ার ১৩নং আদ্রা ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামের সফিকুল ইসলাম এর মেঝো ছেলে। এলাকাবাসী জানায় জীবিকা নির্বাহের জন্য দুইমাস আগে সৌদি আরব যায় এমরান(২০)। হঠাৎ সেদিন পরিবারের কাছে কেউ একজন ফোন করে এমরান ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। যদিও আত্মহত্যা করার কোনো কারন নেই বলে দাবী করছে নিহতের পরিবার। পরিবারের অভিযোগ তাকে কেউ ইচ্ছে করেই মেরে ফেলেছে।নিহতের বাবা সফিকুল ইসলাম জানান, বহু কষ্টে ছেলেকে ৬লাখ টাকা খরচ করে সৌদি আরব পাঠিয়েছি, দুইমাস পার হলেও তার সৌদি চলাচল করার জন্য কোনো কাগজপত্র হয়নি, যার জনন্য শতভাগ অনিশ্চয়তা লাশ ফিরিয়ে আনায়ও। তার সৌদি আরবের মালিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে সে স্ট্রোক করেছে বলে মালিক জানায়।