ঢাকা ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান

নেটফ্লিক্সে তুর্কি সিরিজ ‘নট আ স্ট্রেঞ্জার’-এর অভাবনীয় সাফল্য

দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বজুড়ে তুর্কি সিরিজের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। বাংলায় ডাব করা সিরিয়ালের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া রিলসগুলোও এই চাহিদাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে নেটফ্লিক্স নিয়মিতই তুর্কি সিরিজ ও সিনেমা প্রচার করছে। সেই ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক সংযোজন মের্ত বায়কাল পরিচালিত ওয়েব সিরিজ ‘নট আ স্ট্রেঞ্জার’। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই সিরিজটি নন-ইংলিশ ক্যাটাগরিতে শীর্ষস্থান দখল করে নিয়েছে এবং প্রথম দুই সপ্তাহে এর ভিউ সংখ্যা ১ কোটি ৪৩ লাখে পৌঁছেছে।

গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ফুন্দা (এলচিন সাঙ্গু), যিনি পেশায় একজন চিত্রশিল্পী। মা হওয়ার পর সন্তান ও সংসারের চাপে তিনি নিজের সৃজনশীল জগত থেকে দূরে সরে যেতে বাধ্য হন। একপর্যায়ে মেয়ের দেখাশোনার জন্য তিনি নাজলি (মেলিস সেজেন) নামের একজনকে আয়া হিসেবে নিয়োগ দেন। ফুন্দা ধীরে ধীরে নাজলির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। তবে মোড় ঘোরে যখন ফুন্দার স্বামী ইলকার (ওজান দোলুনাই) বাড়ি ফিরে নাজলিকে চিনতে পারেন। জানা যায়, অতীতে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। স্বামীর অতীতের এই সত্য সামনে আসার পর ফুন্দার সাংসারিক জীবনে অস্থিরতা তৈরি হয়। নাজলি কি কেবল পেশাগত কারণে এই পরিবারে এসেছে, নাকি এর পেছনে কোনো গভীর ষড়যন্ত্র আছে—সেই রহস্যই গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

সিরিজটির চিত্রনাট্যকে এর সাফল্যের মূল কারণ হিসেবে দেখছেন দর্শকেরা। চেনা গল্পের ছকে বুনা হলেও এর গাঁথুনি যথেষ্ট শক্তিশালী। বিশেষ করে রহস্যময়ী নাজলি চরিত্রটির আড়ালে কী লুকিয়ে আছে, তা জানার কৌতুহল দর্শকদের শেষ পর্যন্ত ধরে রাখে। চরিত্রগুলোর মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন এবং বিশ্বাসের সংকট খুব সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা গল্পে বাড়তি রোমাঞ্চ যোগ করেছে।

সমালোচকদের কাছ থেকে সিরিজটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। চলচ্চিত্রবিষয়ক পোর্টাল ‘ডিসাইডার’-এর পর্যালোচনায় ফুন্দার মানসিক সংকট এবং নারী চরিত্র দুটির মধ্যকার রহস্যের প্রশংসা করা হয়েছে। তবে তুরস্কের দৈনিক ‘ডেইলি সাবাহ’ এর চিত্রনাট্যের কিছু অস্পষ্টতা এবং একই বিষয় বারবার ব্যাখ্যা করার প্রবণতা নিয়ে সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, গল্পের দারুণ সম্ভাবনা থাকলেও চিত্রনাট্য সবসময় সেই মান বজায় রাখতে পারেনি।

আপলোডকারীর তথ্য

দেশে শোকের ছায়া: কিং খালিদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রবাসীর

নেটফ্লিক্সে তুর্কি সিরিজ ‘নট আ স্ট্রেঞ্জার’-এর অভাবনীয় সাফল্য

আপডেট সময় ০৯:৫৩:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বজুড়ে তুর্কি সিরিজের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। বাংলায় ডাব করা সিরিয়ালের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া রিলসগুলোও এই চাহিদাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে নেটফ্লিক্স নিয়মিতই তুর্কি সিরিজ ও সিনেমা প্রচার করছে। সেই ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক সংযোজন মের্ত বায়কাল পরিচালিত ওয়েব সিরিজ ‘নট আ স্ট্রেঞ্জার’। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই সিরিজটি নন-ইংলিশ ক্যাটাগরিতে শীর্ষস্থান দখল করে নিয়েছে এবং প্রথম দুই সপ্তাহে এর ভিউ সংখ্যা ১ কোটি ৪৩ লাখে পৌঁছেছে।

গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ফুন্দা (এলচিন সাঙ্গু), যিনি পেশায় একজন চিত্রশিল্পী। মা হওয়ার পর সন্তান ও সংসারের চাপে তিনি নিজের সৃজনশীল জগত থেকে দূরে সরে যেতে বাধ্য হন। একপর্যায়ে মেয়ের দেখাশোনার জন্য তিনি নাজলি (মেলিস সেজেন) নামের একজনকে আয়া হিসেবে নিয়োগ দেন। ফুন্দা ধীরে ধীরে নাজলির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। তবে মোড় ঘোরে যখন ফুন্দার স্বামী ইলকার (ওজান দোলুনাই) বাড়ি ফিরে নাজলিকে চিনতে পারেন। জানা যায়, অতীতে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। স্বামীর অতীতের এই সত্য সামনে আসার পর ফুন্দার সাংসারিক জীবনে অস্থিরতা তৈরি হয়। নাজলি কি কেবল পেশাগত কারণে এই পরিবারে এসেছে, নাকি এর পেছনে কোনো গভীর ষড়যন্ত্র আছে—সেই রহস্যই গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

সিরিজটির চিত্রনাট্যকে এর সাফল্যের মূল কারণ হিসেবে দেখছেন দর্শকেরা। চেনা গল্পের ছকে বুনা হলেও এর গাঁথুনি যথেষ্ট শক্তিশালী। বিশেষ করে রহস্যময়ী নাজলি চরিত্রটির আড়ালে কী লুকিয়ে আছে, তা জানার কৌতুহল দর্শকদের শেষ পর্যন্ত ধরে রাখে। চরিত্রগুলোর মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন এবং বিশ্বাসের সংকট খুব সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা গল্পে বাড়তি রোমাঞ্চ যোগ করেছে।

সমালোচকদের কাছ থেকে সিরিজটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। চলচ্চিত্রবিষয়ক পোর্টাল ‘ডিসাইডার’-এর পর্যালোচনায় ফুন্দার মানসিক সংকট এবং নারী চরিত্র দুটির মধ্যকার রহস্যের প্রশংসা করা হয়েছে। তবে তুরস্কের দৈনিক ‘ডেইলি সাবাহ’ এর চিত্রনাট্যের কিছু অস্পষ্টতা এবং একই বিষয় বারবার ব্যাখ্যা করার প্রবণতা নিয়ে সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, গল্পের দারুণ সম্ভাবনা থাকলেও চিত্রনাট্য সবসময় সেই মান বজায় রাখতে পারেনি।