ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

ইরানে মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে ২৩ বছর বয়সী তরুণীর মৃত্যুদণ্ড

ইরানের মাশহাদ শহরের ২৩ বছর বয়সী তরুণী নাজমিহ আমিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া তাকে অন্য একটি অভিযোগে ১২ বছরের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি মাশহাদের ভাকিলাবাদ কারাগারে বন্দি রয়েছেন। নাজমিহ আমিন ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদের বাসিন্দা।

চলতি বছরের শুরুর দিকে সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় নাজমিহকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তার গ্রেপ্তারের তারিখ নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা রয়েছে। একটি সূত্রের তথ্যমতে, ৩১ জানুয়ারি তাকে মাশহাদের ফেরদৌসি শপিং সেন্টার থেকে আটক করা হয়। অন্য একটি সূত্রের দাবি, ৩ ফেব্রুয়ারি তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। প্রথমে তার পরিবার মনে করেছিল সরকারবিরোধী পোস্ট দেওয়ার জন্য তাকে আটক করা হয়েছে, কিন্তু পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগ আনা হয়। ইরানের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী এ ধরনের অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের সাজা হতে পারে। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার আইনি সুযোগ তার রয়েছে। তাকে ঠিক কবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তা নিয়ে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।

খোরাসান রাজাভি প্রদেশের অপরাধ আদালতের ষষ্ঠ শাখায় এই মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হয়। মানবাধিকার সংস্থা ‘ইরান হিউম্যান রাইটস’ জানিয়েছে, বিচার চলাকালে নাজমিহ দাবি করেন যে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে মহানবীকে নিয়ে কোনো কটূক্তি করেননি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম খোরাসানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদালতে নাজমিহ ব্যাখ্যা দেন যে বন্ধুদের সঙ্গে মাদক সেবনের প্রভাবে তিনি ওই মন্তব্য করেছিলেন। তার আইনজীবীরাও একই যুক্তি দিয়ে দাবি করেন যে, কথাগুলো তিনি ভুলবশত বা অবচেতনভাবে লিখেছিলেন। তবে আদালত এই যুক্তি গ্রহণ করেনি এবং সাজা বহাল রেখেছে। অন্যদিকে, তার আইনজীবীদের দাবি, কথাগুলো তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে বলেননি; বরং ভুলবশত তার মুখ থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের নিরাপত্তা বাড়াতে প্রটোকল চালুর নির্দেশ

ইরানে মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে ২৩ বছর বয়সী তরুণীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৭:৪৭:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

ইরানের মাশহাদ শহরের ২৩ বছর বয়সী তরুণী নাজমিহ আমিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া তাকে অন্য একটি অভিযোগে ১২ বছরের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি মাশহাদের ভাকিলাবাদ কারাগারে বন্দি রয়েছেন। নাজমিহ আমিন ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদের বাসিন্দা।

চলতি বছরের শুরুর দিকে সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় নাজমিহকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তার গ্রেপ্তারের তারিখ নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা রয়েছে। একটি সূত্রের তথ্যমতে, ৩১ জানুয়ারি তাকে মাশহাদের ফেরদৌসি শপিং সেন্টার থেকে আটক করা হয়। অন্য একটি সূত্রের দাবি, ৩ ফেব্রুয়ারি তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। প্রথমে তার পরিবার মনে করেছিল সরকারবিরোধী পোস্ট দেওয়ার জন্য তাকে আটক করা হয়েছে, কিন্তু পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগ আনা হয়। ইরানের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী এ ধরনের অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের সাজা হতে পারে। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার আইনি সুযোগ তার রয়েছে। তাকে ঠিক কবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তা নিয়ে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।

খোরাসান রাজাভি প্রদেশের অপরাধ আদালতের ষষ্ঠ শাখায় এই মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হয়। মানবাধিকার সংস্থা ‘ইরান হিউম্যান রাইটস’ জানিয়েছে, বিচার চলাকালে নাজমিহ দাবি করেন যে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে মহানবীকে নিয়ে কোনো কটূক্তি করেননি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম খোরাসানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদালতে নাজমিহ ব্যাখ্যা দেন যে বন্ধুদের সঙ্গে মাদক সেবনের প্রভাবে তিনি ওই মন্তব্য করেছিলেন। তার আইনজীবীরাও একই যুক্তি দিয়ে দাবি করেন যে, কথাগুলো তিনি ভুলবশত বা অবচেতনভাবে লিখেছিলেন। তবে আদালত এই যুক্তি গ্রহণ করেনি এবং সাজা বহাল রেখেছে। অন্যদিকে, তার আইনজীবীদের দাবি, কথাগুলো তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে বলেননি; বরং ভুলবশত তার মুখ থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল।