ঢাকা ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

মক্কায় মসজিদে অনৈতিক কাজের দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার একটি মসজিদে অশালীন কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার দায়ে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে দেশটির সরকার। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিথি আখতার। গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) মক্কা অঞ্চলে তাদের এই দণ্ড কার্যকর করা হয়। সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির বরাতে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) এ তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্তরা মক্কার একটি মসজিদের ভেতর অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লে নিরাপত্তা বাহিনী তাদের আটক করে। এরপর দীর্ঘ তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট আদালতে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। আদালতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ার পর বিচারক তাদের মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করেন।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অপরাধের ধরন ও ভয়াবহতা, বিশেষ করে মসজিদের পবিত্রতা লঙ্ঘন এবং যে পরিস্থিতিতে ঘটনাটি ঘটেছে—তা আমলে নিয়ে আদালত এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সৌদি আরবের রাজকীয় আদেশের ভিত্তিতেই এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তবে ঠিক কী ধরনের অনৈতিক কাজের অভিযোগে তারা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, তা বিস্তারিতভাবে বিবৃতিতে প্রকাশ করা হয়নি। পরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমোদন দিয়ে রাজকীয় আদেশ জারি করা হয়।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, দেশের নিরাপত্তা সুরক্ষা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ধর্মীয় স্থাপনার পবিত্রতা রক্ষায় সৌদি আরব সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইসলামী আইন অনুযায়ী এ ধরনের অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। এছাড়া ভবিষ্যতে যারা এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হবে, তাদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে বলেও মন্ত্রণালয় সতর্কবার্তা দিয়েছে। ইসলামী আইনে ‘তাজির’ নামে পরিচিত বিচারকের বিবেচনাধীন শাস্তির আওতায় তাদের এই দণ্ড দেয়া হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কায় মসজিদে অনৈতিক কাজের দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

আপডেট সময় ০৫:১৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার একটি মসজিদে অশালীন কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার দায়ে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে দেশটির সরকার। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিথি আখতার। গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) মক্কা অঞ্চলে তাদের এই দণ্ড কার্যকর করা হয়। সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির বরাতে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) এ তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্তরা মক্কার একটি মসজিদের ভেতর অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লে নিরাপত্তা বাহিনী তাদের আটক করে। এরপর দীর্ঘ তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট আদালতে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। আদালতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ার পর বিচারক তাদের মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করেন।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অপরাধের ধরন ও ভয়াবহতা, বিশেষ করে মসজিদের পবিত্রতা লঙ্ঘন এবং যে পরিস্থিতিতে ঘটনাটি ঘটেছে—তা আমলে নিয়ে আদালত এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সৌদি আরবের রাজকীয় আদেশের ভিত্তিতেই এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তবে ঠিক কী ধরনের অনৈতিক কাজের অভিযোগে তারা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, তা বিস্তারিতভাবে বিবৃতিতে প্রকাশ করা হয়নি। পরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমোদন দিয়ে রাজকীয় আদেশ জারি করা হয়।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, দেশের নিরাপত্তা সুরক্ষা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ধর্মীয় স্থাপনার পবিত্রতা রক্ষায় সৌদি আরব সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইসলামী আইন অনুযায়ী এ ধরনের অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। এছাড়া ভবিষ্যতে যারা এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হবে, তাদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে বলেও মন্ত্রণালয় সতর্কবার্তা দিয়েছে। ইসলামী আইনে ‘তাজির’ নামে পরিচিত বিচারকের বিবেচনাধীন শাস্তির আওতায় তাদের এই দণ্ড দেয়া হয়েছে।