ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

ফ্লাইট সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায় ও নাশকতা চেষ্টার তদন্তে ফ্লাইদুবাইয়ের

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফ্লাইদুবাইয়ের মালদ্বীপ বংশোদ্ভূত দুই পাইলটকে আটক করা হয়েছে। দুবাই থেকে তেল আবিবগামী একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ ছিনতাই করে বিধ্বস্ত করার কথিত ষড়যন্ত্রের তদন্তের অংশ হিসেবে গত ৩ অক্টোবর তাঁদের আটক করা হয়। আটককৃতদের পরিবারের কাছে মালদ্বীপের দূতাবাসের মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হলেও এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মালদ্বীপ সরকার কোনো মন্তব্য করেনি। তবে কর্তৃপক্ষ এখনো অভিযুক্ত দুই পাইলটের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কিংবা তাঁদের সম্পৃক্ততার বিস্তারিত তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।

তদন্তের সূত্রপাত হয় গত ৩০ সেপ্টেম্বর ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইট এফজেড১০৭৩-এর একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ১৭৪ জন যাত্রী ও ক্রু নিয়ে দুবাই থেকে তেল আবিবের উদ্দেশে রওনা হওয়া ওই ফ্লাইটে সহকারী পাইলট হাম্মাম আল-হাম্মামির বিরুদ্ধে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে কুঠার ও ছুরি দিয়ে হামলার অভিযোগ ওঠে। ২৯ বছর বয়সী ওমানের নাগরিক হাম্মাম ককপিটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত করার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। গুরুতর আহত হওয়া সত্ত্বেও ক্যাপ্টেন মাচ্ছার সাহসিকতার সাথে হামলা প্রতিহত করেন এবং ককপিটের দরজা খুলে ফেলেন, যার ফলে অন্য ক্রু ও যাত্রীরা অভিযুক্তকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে উড়োজাহাজটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। তদন্তের সূত্রপাত গত ৩০ সেপ্টেম্বরের একটি ঘটনা থেকে। উড়োজাহাজটিতে যাত্রী ও ক্রু মিলিয়ে ১৭৪ জন ছিলেন।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই এবং মালদ্বীপের সংবাদপত্র মিহারুর তথ্য অনুযায়ী, আটককৃত দুই পাইলটের সাথে অভিযুক্ত সহকারী পাইলট হাম্মাম আল-হাম্মামির পেশাগত যোগাযোগ ছিল। এমনকি তাঁদের একই ভবনে বসবাসের তথ্যও উঠে এসেছে বিভিন্ন প্রতিবেদনে। মালদ্বীপের এডিশন ডট এমভির প্রতিবেদন মতে, বর্তমানে ফ্লাইদুবাইয়ে কর্মরত মোট ছয়জন মালদ্বীপের পাইলটের মধ্যে এই দুজন রয়েছেন। তবে আটককৃতদের সাথে ওই নাশকতার পরিকল্পনার সরাসরি যোগসূত্র বা তাদের বিরুদ্ধে কী পরিমাণ প্রমাণ রয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা বাহিনী এখন এই কথিত ষড়যন্ত্রের গভীরে যাওয়ার জন্য তদন্ত কার্যক্রম চলমান রেখেছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রকৃত স্বরূপ, নাশকতার পরিকল্পনায় তাদের ভূমিকা এবং অপরাধমূলক কোনো প্রমাণ তাদের কাছে আছে কি না—সেসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। বর্তমানে পুরো ঘটনাটি একটি সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরামকোতে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ভবনে আগুন

ফ্লাইট সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায় ও নাশকতা চেষ্টার তদন্তে ফ্লাইদুবাইয়ের

আপডেট সময় ০৮:১৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফ্লাইদুবাইয়ের মালদ্বীপ বংশোদ্ভূত দুই পাইলটকে আটক করা হয়েছে। দুবাই থেকে তেল আবিবগামী একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ ছিনতাই করে বিধ্বস্ত করার কথিত ষড়যন্ত্রের তদন্তের অংশ হিসেবে গত ৩ অক্টোবর তাঁদের আটক করা হয়। আটককৃতদের পরিবারের কাছে মালদ্বীপের দূতাবাসের মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হলেও এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মালদ্বীপ সরকার কোনো মন্তব্য করেনি। তবে কর্তৃপক্ষ এখনো অভিযুক্ত দুই পাইলটের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কিংবা তাঁদের সম্পৃক্ততার বিস্তারিত তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।

তদন্তের সূত্রপাত হয় গত ৩০ সেপ্টেম্বর ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইট এফজেড১০৭৩-এর একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ১৭৪ জন যাত্রী ও ক্রু নিয়ে দুবাই থেকে তেল আবিবের উদ্দেশে রওনা হওয়া ওই ফ্লাইটে সহকারী পাইলট হাম্মাম আল-হাম্মামির বিরুদ্ধে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে কুঠার ও ছুরি দিয়ে হামলার অভিযোগ ওঠে। ২৯ বছর বয়সী ওমানের নাগরিক হাম্মাম ককপিটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত করার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। গুরুতর আহত হওয়া সত্ত্বেও ক্যাপ্টেন মাচ্ছার সাহসিকতার সাথে হামলা প্রতিহত করেন এবং ককপিটের দরজা খুলে ফেলেন, যার ফলে অন্য ক্রু ও যাত্রীরা অভিযুক্তকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে উড়োজাহাজটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। তদন্তের সূত্রপাত গত ৩০ সেপ্টেম্বরের একটি ঘটনা থেকে। উড়োজাহাজটিতে যাত্রী ও ক্রু মিলিয়ে ১৭৪ জন ছিলেন।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই এবং মালদ্বীপের সংবাদপত্র মিহারুর তথ্য অনুযায়ী, আটককৃত দুই পাইলটের সাথে অভিযুক্ত সহকারী পাইলট হাম্মাম আল-হাম্মামির পেশাগত যোগাযোগ ছিল। এমনকি তাঁদের একই ভবনে বসবাসের তথ্যও উঠে এসেছে বিভিন্ন প্রতিবেদনে। মালদ্বীপের এডিশন ডট এমভির প্রতিবেদন মতে, বর্তমানে ফ্লাইদুবাইয়ে কর্মরত মোট ছয়জন মালদ্বীপের পাইলটের মধ্যে এই দুজন রয়েছেন। তবে আটককৃতদের সাথে ওই নাশকতার পরিকল্পনার সরাসরি যোগসূত্র বা তাদের বিরুদ্ধে কী পরিমাণ প্রমাণ রয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা বাহিনী এখন এই কথিত ষড়যন্ত্রের গভীরে যাওয়ার জন্য তদন্ত কার্যক্রম চলমান রেখেছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রকৃত স্বরূপ, নাশকতার পরিকল্পনায় তাদের ভূমিকা এবং অপরাধমূলক কোনো প্রমাণ তাদের কাছে আছে কি না—সেসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। বর্তমানে পুরো ঘটনাটি একটি সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।