ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

চার দশকে আবাসন খাতে আস্থার নাম এসইএল

বাংলাদেশের আবাসন খাতে চার দশক ধরে আস্থার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে দি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড (এসইএল)। ১৯৮৩ সালে প্রকৌশলী মো. আবদুল আউয়ালের হাত ধরে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়। দক্ষ প্রকৌশলীদের নিবিড় তদারকি এবং সেবার মান নিশ্চিত করার মাধ্যমে এসইএল দেশের আবাসন শিল্পে নিজের অবস্থান সুসংহত করেছে। এ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি সফলভাবে ২৭৬টি আবাসন ও বাণিজ্যিক প্রকল্প গ্রাহকদের কাছে হস্তান্তর করেছে। নানামুখী সেবা ও সব প্রকল্প যথাসময়ে বাস্তবায়নে ক্রেতাদের কাছে বিশ্বস্ত বলে দাবি করেছে এই প্রতিষ্ঠান।

বর্তমানে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রতিষ্ঠানটির ৫১টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার বসুন্ধরায় ৬টি, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরে ৫টি করে, উত্তরায় ৪টি, মালিবাগ ও মগবাজার এলাকায় ৪টি, ইস্কাটনে ৩টি, জলসিঁড়িতে ১৪টি এবং মহাখালী, গ্রিন রোড, হাতিরপুল ও গেন্ডারিয়া এলাকায় ১টি করে প্রকল্প রয়েছে। এছাড়া সাভারে ১টি এবং কুমিল্লায় ৫টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। বাণিজ্যিক চাহিদা মেটাতে এসইএল ৫টি উন্নত বাণিজ্যিক প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বাস্তবায়নাধীন ‘সুফী স্কয়ার’ (অক্টোবর ২০২৬)। এর আগে ২০২৪ সালের মে মাসে ‘কর্ণফুলী’ নামের আইকনিক প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এসইএলের অতিরিক্ত উপব্যবস্থাপনা পরিচালক স্থপতি মোহাম্মদ আবদুর রহমান জানান, দীর্ঘ সফলতার পেছনে মূল চাবিকাঠি হলো গুণগত মান অক্ষুণ্ণ রাখা এবং সঠিক সময়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা। তিনি বলেন, নান্দনিকতার চেয়েও ভবনের স্থায়িত্ব ও বাসিন্দাদের জীবনের নিরাপত্তাকে তারা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন। নির্ধারিত সময়ে ফ্ল্যাট হস্তান্তর নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি সব সময় সচেষ্ট থাকে, যাতে গ্রাহকদের কোনো প্রকার আর্থিক বা মানসিক চাপের মুখে পড়তে না হয়। বিশেষ করে বহুতল ভবনের সুরক্ষা, কাঠামোগত ডিজাইন ও ভূমিকম্প–সহনশীলতার ক্ষেত্রে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিই।’। যাতে ক্রেতাদের চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত দামেই প্রাপ্য সুবিধা নিশ্চিত করা যায়।

ভবিষ্যৎ নগরায়ণের ঝুঁকি মোকাবিলায় এসইএল আন্তর্জাতিক মানের টেকসই ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছে। প্রকল্পের নকশায় বৃষ্টির পানি ধরে রাখা, পয়োবর্জ্য শোধনাগার (এসটিপি) স্থাপন এবং বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী আলো-বাতাসের সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক ‘এজ’ গ্রিন বিল্ডিং সনদ অর্জন এবং গ্রাহকদের সাধ্যের মধ্যে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ফ্ল্যাট সরবরাহে এসইএল ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিমানবন্দরে প্রাণঘাতী হামলার আগে নীরব ছিল সৌদি সতর্কতা ব্যবস্থা

চার দশকে আবাসন খাতে আস্থার নাম এসইএল

আপডেট সময় ১২:৩২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের আবাসন খাতে চার দশক ধরে আস্থার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে দি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড (এসইএল)। ১৯৮৩ সালে প্রকৌশলী মো. আবদুল আউয়ালের হাত ধরে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়। দক্ষ প্রকৌশলীদের নিবিড় তদারকি এবং সেবার মান নিশ্চিত করার মাধ্যমে এসইএল দেশের আবাসন শিল্পে নিজের অবস্থান সুসংহত করেছে। এ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি সফলভাবে ২৭৬টি আবাসন ও বাণিজ্যিক প্রকল্প গ্রাহকদের কাছে হস্তান্তর করেছে। নানামুখী সেবা ও সব প্রকল্প যথাসময়ে বাস্তবায়নে ক্রেতাদের কাছে বিশ্বস্ত বলে দাবি করেছে এই প্রতিষ্ঠান।

বর্তমানে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রতিষ্ঠানটির ৫১টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার বসুন্ধরায় ৬টি, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরে ৫টি করে, উত্তরায় ৪টি, মালিবাগ ও মগবাজার এলাকায় ৪টি, ইস্কাটনে ৩টি, জলসিঁড়িতে ১৪টি এবং মহাখালী, গ্রিন রোড, হাতিরপুল ও গেন্ডারিয়া এলাকায় ১টি করে প্রকল্প রয়েছে। এছাড়া সাভারে ১টি এবং কুমিল্লায় ৫টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। বাণিজ্যিক চাহিদা মেটাতে এসইএল ৫টি উন্নত বাণিজ্যিক প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বাস্তবায়নাধীন ‘সুফী স্কয়ার’ (অক্টোবর ২০২৬)। এর আগে ২০২৪ সালের মে মাসে ‘কর্ণফুলী’ নামের আইকনিক প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এসইএলের অতিরিক্ত উপব্যবস্থাপনা পরিচালক স্থপতি মোহাম্মদ আবদুর রহমান জানান, দীর্ঘ সফলতার পেছনে মূল চাবিকাঠি হলো গুণগত মান অক্ষুণ্ণ রাখা এবং সঠিক সময়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা। তিনি বলেন, নান্দনিকতার চেয়েও ভবনের স্থায়িত্ব ও বাসিন্দাদের জীবনের নিরাপত্তাকে তারা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন। নির্ধারিত সময়ে ফ্ল্যাট হস্তান্তর নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি সব সময় সচেষ্ট থাকে, যাতে গ্রাহকদের কোনো প্রকার আর্থিক বা মানসিক চাপের মুখে পড়তে না হয়। বিশেষ করে বহুতল ভবনের সুরক্ষা, কাঠামোগত ডিজাইন ও ভূমিকম্প–সহনশীলতার ক্ষেত্রে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিই।’। যাতে ক্রেতাদের চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত দামেই প্রাপ্য সুবিধা নিশ্চিত করা যায়।

ভবিষ্যৎ নগরায়ণের ঝুঁকি মোকাবিলায় এসইএল আন্তর্জাতিক মানের টেকসই ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছে। প্রকল্পের নকশায় বৃষ্টির পানি ধরে রাখা, পয়োবর্জ্য শোধনাগার (এসটিপি) স্থাপন এবং বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী আলো-বাতাসের সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক ‘এজ’ গ্রিন বিল্ডিং সনদ অর্জন এবং গ্রাহকদের সাধ্যের মধ্যে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ফ্ল্যাট সরবরাহে এসইএল ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।