ঢাকা ০৩:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভাঙ্গায় মাদকবিরোধী সভাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২০ ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের নতুন অর্থবছরের বাজেট জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত হয়েছে : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী সাভারে এনসিপির দুই শতাধিক নেতা-কর্মীর বিএনপিতে যোগদান ডিগ্রির ব্যবসার অবসান ঘটিয়ে কর্মমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে: ববি হাজ্জাজ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ সারাদেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু যশোরে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলশিক্ষক নিহত ইতালির স্বপ্নে ২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ মাদারীপুরে হেমায়েত মোল্লা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বভাব: ইরান

সারাদেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। এবারের কর্মসূচির আওতায় ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

রোববার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হলে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে এবং হামসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন ‘এ’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই লক্ষ্যভুক্ত সব শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানান তিনি। মন্ত্রী জানান, আগের সরকারের কাছ থেকে পর্যাপ্ত টিকার পাশাপাশি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলও পাওয়া যায়নি। পরে ইউনিসেফের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমানে সরকারের কাছে লাল ও নীল-দুই ধরনের মোট ২ কোটি ৬০ লাখ ক্যাপসুল রয়েছে। এবারের কর্মসূচিতে প্রায় ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

টিকার মান নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক মান যাচাইয়ের পর উন্নতমানের টিকা দেশে আনা হয়েছে। ইউনিসেফের সঙ্গে আলোচনা এবং পরীক্ষাগারে যাচাই-বাছাই শেষে এসব টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কর্মসূচির প্রথম দিন কোনো শিশু বাদ পড়লেও পরবর্তী দিনগুলোতে তাকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এভাবে সব লক্ষ্যভুক্ত শিশুকে কর্মসূচির আওতায় আনার চেষ্টা চলবে।

তবে অনুষ্ঠানে নবজাতকের পুষ্টির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের পাশাপাশি শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা নিশ্চিত করতে জন্মের পরপরই মায়ের শালদুধ পান করানো, বয়স অনুযায়ী নিরাপদ পানি, সুষম খাদ্য ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করা জরুরি।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান ও অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম এবং জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউসুফ আলীসহ স্বাস্থ্য খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাঙ্গায় মাদকবিরোধী সভাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২০

সারাদেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু

আপডেট সময় ০১:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। এবারের কর্মসূচির আওতায় ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

রোববার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হলে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে এবং হামসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন ‘এ’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই লক্ষ্যভুক্ত সব শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানান তিনি। মন্ত্রী জানান, আগের সরকারের কাছ থেকে পর্যাপ্ত টিকার পাশাপাশি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলও পাওয়া যায়নি। পরে ইউনিসেফের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমানে সরকারের কাছে লাল ও নীল-দুই ধরনের মোট ২ কোটি ৬০ লাখ ক্যাপসুল রয়েছে। এবারের কর্মসূচিতে প্রায় ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

টিকার মান নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক মান যাচাইয়ের পর উন্নতমানের টিকা দেশে আনা হয়েছে। ইউনিসেফের সঙ্গে আলোচনা এবং পরীক্ষাগারে যাচাই-বাছাই শেষে এসব টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কর্মসূচির প্রথম দিন কোনো শিশু বাদ পড়লেও পরবর্তী দিনগুলোতে তাকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এভাবে সব লক্ষ্যভুক্ত শিশুকে কর্মসূচির আওতায় আনার চেষ্টা চলবে।

তবে অনুষ্ঠানে নবজাতকের পুষ্টির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের পাশাপাশি শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা নিশ্চিত করতে জন্মের পরপরই মায়ের শালদুধ পান করানো, বয়স অনুযায়ী নিরাপদ পানি, সুষম খাদ্য ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করা জরুরি।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান ও অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম এবং জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউসুফ আলীসহ স্বাস্থ্য খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।