ঢাকা ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

সারাদেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। এবারের কর্মসূচির আওতায় ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

রোববার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হলে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে এবং হামসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন ‘এ’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই লক্ষ্যভুক্ত সব শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানান তিনি। মন্ত্রী জানান, আগের সরকারের কাছ থেকে পর্যাপ্ত টিকার পাশাপাশি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলও পাওয়া যায়নি। পরে ইউনিসেফের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমানে সরকারের কাছে লাল ও নীল-দুই ধরনের মোট ২ কোটি ৬০ লাখ ক্যাপসুল রয়েছে। এবারের কর্মসূচিতে প্রায় ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

টিকার মান নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক মান যাচাইয়ের পর উন্নতমানের টিকা দেশে আনা হয়েছে। ইউনিসেফের সঙ্গে আলোচনা এবং পরীক্ষাগারে যাচাই-বাছাই শেষে এসব টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কর্মসূচির প্রথম দিন কোনো শিশু বাদ পড়লেও পরবর্তী দিনগুলোতে তাকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এভাবে সব লক্ষ্যভুক্ত শিশুকে কর্মসূচির আওতায় আনার চেষ্টা চলবে।

তবে অনুষ্ঠানে নবজাতকের পুষ্টির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের পাশাপাশি শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা নিশ্চিত করতে জন্মের পরপরই মায়ের শালদুধ পান করানো, বয়স অনুযায়ী নিরাপদ পানি, সুষম খাদ্য ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করা জরুরি।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান ও অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম এবং জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউসুফ আলীসহ স্বাস্থ্য খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ায় ২৬৫ বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ২০ জন আটক

সারাদেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু

আপডেট সময় ০১:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। এবারের কর্মসূচির আওতায় ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

রোববার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হলে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে এবং হামসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন ‘এ’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই লক্ষ্যভুক্ত সব শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানান তিনি। মন্ত্রী জানান, আগের সরকারের কাছ থেকে পর্যাপ্ত টিকার পাশাপাশি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলও পাওয়া যায়নি। পরে ইউনিসেফের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমানে সরকারের কাছে লাল ও নীল-দুই ধরনের মোট ২ কোটি ৬০ লাখ ক্যাপসুল রয়েছে। এবারের কর্মসূচিতে প্রায় ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

টিকার মান নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক মান যাচাইয়ের পর উন্নতমানের টিকা দেশে আনা হয়েছে। ইউনিসেফের সঙ্গে আলোচনা এবং পরীক্ষাগারে যাচাই-বাছাই শেষে এসব টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কর্মসূচির প্রথম দিন কোনো শিশু বাদ পড়লেও পরবর্তী দিনগুলোতে তাকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এভাবে সব লক্ষ্যভুক্ত শিশুকে কর্মসূচির আওতায় আনার চেষ্টা চলবে।

তবে অনুষ্ঠানে নবজাতকের পুষ্টির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের পাশাপাশি শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা নিশ্চিত করতে জন্মের পরপরই মায়ের শালদুধ পান করানো, বয়স অনুযায়ী নিরাপদ পানি, সুষম খাদ্য ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করা জরুরি।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান ও অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম এবং জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউসুফ আলীসহ স্বাস্থ্য খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।