ঢাকা ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মালয়েশিয়া থেকে বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য : মাহদী আমিন পেনশন কার্যক্রম দ্রুত সম্পাদনে সিএজি’র নির্দেশনা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও আ.লীগের বিচার দাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ নবাবগঞ্জে ৫ বছরের শিশু অপহরণ, ২৬ ঘণ্টা পর ঢাকা থেকে উদ্ধার শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৩ দিনে মিলল ১৭ লাখ টাকা কাতারে এলএনজি প্রকল্পে বিস্ফোরণ, নিহত ১৩ রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ভূকম্পন অনুভূত অধিকার আদায়সহ নানা সংগ্রামে সংগীতের অভুতপূর্ব শক্তি রয়েছে : রিজভী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহায়তা চায় ঢাকা সংসদকে কার্যকর করতে স্পিকারের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত

দেশে বর্তমানে ৬৪টি জিআই পণ্য নিবন্ধিত রয়েছে : শিল্পমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৪টি পণ্য ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত রয়েছে।

সোমবার জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৯ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. আবুল কালামের তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, নিবন্ধিত জিআই পণ্যের মধ্যে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী বস্ত্র, কৃষিপণ্য, খাদ্যসামগ্রী, হস্তশিল্প এবং প্রাণিসম্পদভিত্তিক বিভিন্ন পণ্য, যা দেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন ঘটায়।

নিবন্ধিত জিআই পণ্যের মধ্যে রয়েছে-জামদানি শাড়ি, বাংলাদেশের ইলিশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম, নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদামাটি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, বাংলাদেশের কালিজিরা চাল, রংপুরের শতরঞ্জি, রাজশাহী সিল্ক, ঢাকাই মসলিন, বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, শেরপুরের তুলশীমালা চাল, বাংলাদেশের শীতলপাটি, বগুড়ার দই, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম।

এছাড়া জিআই পণ্যের তালিকায় রয়েছে নাটোরের কাঁচাগোল্লা, বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই, কুষ্টিয়ার তিলের খাজা, রংপুরের হাড়িভাঙ্গা আম, মৌলভীবাজারের আগর, মৌলভীবাজারের আগর আতর, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার মণ্ডা, যশোরের খেজুরের গুড়, নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা, রাজশাহীর মিষ্টি পান, গোপালগঞ্জের রসগোল্লা, জামালপুরের নকশিকাঁথা, টাঙ্গাইল শাড়ি, নরসিংদীর লটকন, টাঙ্গাইলের মধুপুরের আনারস, ভোলার মহিষের দুধের কাঁচা দই এবং মাগুরার হাজরাপুরি লিচু।

মন্ত্রী আরও জানান, জিআই স্বীকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে সিলেটের মণিপুরি শাড়ি, সিরাজগঞ্জের গামছা, মিরপুরের কাতান শাড়ি, ঢাকাই ফুটি কার্পাস তুলা, কুমিল্লার খাদি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী, গোপালগঞ্জের কাঁসার গহনা, সুন্দরবনের মধু, শেরপুরের ছানার পায়েশ, সিরাজগঞ্জের লুঙ্গি, গাজীপুরের কাঁঠাল, কিশোরগঞ্জের রাতাবোরো ধান, কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামের চিজ, বরিশালের আমড়া, কুমারখালীর বেডশিট, দিনাজপুরের বেদানা লিচু, মুন্সীগঞ্জের পাটক্ষীর, টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের জামুর্কি সন্দেশ এবং নওগাঁর নাক ফজলি আম।

অন্য জিআই পণ্যের মধ্যে রয়েছে ঢাকাই ফুটি কার্পাসের বীজ ও গাছ, মেহেরপুরের মেহেরসাগর কলা, নেত্রকোনার বালিশগঞ্জ মিষ্টি, ফুলবাড়িয়ার লাল চিনি, মেহেরপুরের হিমসাগর আম, ফরিদপুরের পাট, মেহেরপুরের সাবিত্রী মিষ্টি, কালীগঞ্জের গামছা, জয়পুরহাটের লতিরাজ কচু এবং মানিকগঞ্জের হাজারি গুড়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়া থেকে বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য : মাহদী আমিন

দেশে বর্তমানে ৬৪টি জিআই পণ্য নিবন্ধিত রয়েছে : শিল্পমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:৪৫:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৪টি পণ্য ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত রয়েছে।

সোমবার জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৯ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. আবুল কালামের তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, নিবন্ধিত জিআই পণ্যের মধ্যে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী বস্ত্র, কৃষিপণ্য, খাদ্যসামগ্রী, হস্তশিল্প এবং প্রাণিসম্পদভিত্তিক বিভিন্ন পণ্য, যা দেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন ঘটায়।

নিবন্ধিত জিআই পণ্যের মধ্যে রয়েছে-জামদানি শাড়ি, বাংলাদেশের ইলিশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম, নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদামাটি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, বাংলাদেশের কালিজিরা চাল, রংপুরের শতরঞ্জি, রাজশাহী সিল্ক, ঢাকাই মসলিন, বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, শেরপুরের তুলশীমালা চাল, বাংলাদেশের শীতলপাটি, বগুড়ার দই, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম।

এছাড়া জিআই পণ্যের তালিকায় রয়েছে নাটোরের কাঁচাগোল্লা, বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই, কুষ্টিয়ার তিলের খাজা, রংপুরের হাড়িভাঙ্গা আম, মৌলভীবাজারের আগর, মৌলভীবাজারের আগর আতর, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার মণ্ডা, যশোরের খেজুরের গুড়, নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা, রাজশাহীর মিষ্টি পান, গোপালগঞ্জের রসগোল্লা, জামালপুরের নকশিকাঁথা, টাঙ্গাইল শাড়ি, নরসিংদীর লটকন, টাঙ্গাইলের মধুপুরের আনারস, ভোলার মহিষের দুধের কাঁচা দই এবং মাগুরার হাজরাপুরি লিচু।

মন্ত্রী আরও জানান, জিআই স্বীকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে সিলেটের মণিপুরি শাড়ি, সিরাজগঞ্জের গামছা, মিরপুরের কাতান শাড়ি, ঢাকাই ফুটি কার্পাস তুলা, কুমিল্লার খাদি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী, গোপালগঞ্জের কাঁসার গহনা, সুন্দরবনের মধু, শেরপুরের ছানার পায়েশ, সিরাজগঞ্জের লুঙ্গি, গাজীপুরের কাঁঠাল, কিশোরগঞ্জের রাতাবোরো ধান, কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামের চিজ, বরিশালের আমড়া, কুমারখালীর বেডশিট, দিনাজপুরের বেদানা লিচু, মুন্সীগঞ্জের পাটক্ষীর, টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের জামুর্কি সন্দেশ এবং নওগাঁর নাক ফজলি আম।

অন্য জিআই পণ্যের মধ্যে রয়েছে ঢাকাই ফুটি কার্পাসের বীজ ও গাছ, মেহেরপুরের মেহেরসাগর কলা, নেত্রকোনার বালিশগঞ্জ মিষ্টি, ফুলবাড়িয়ার লাল চিনি, মেহেরপুরের হিমসাগর আম, ফরিদপুরের পাট, মেহেরপুরের সাবিত্রী মিষ্টি, কালীগঞ্জের গামছা, জয়পুরহাটের লতিরাজ কচু এবং মানিকগঞ্জের হাজারি গুড়।