ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বামী-স্ত্রীর ডিভোর্স হতে পারে, প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে নয়:সংসদে জিএম সিরাজ ভারতে কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ আগুন, নিহত ১৪ আমরা চাই না শিক্ষার মধ্যে কোনো বৈষম্য থাকুক: শিক্ষামন্ত্রী দেশে বর্তমানে ৬৪টি জিআই পণ্য নিবন্ধিত রয়েছে : শিল্পমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সাড়ে ৩ মাসে বিপিসির লোকসান ১৭ হাজার কোটি টাকা : জ্বালানিমন্ত্রী অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ৩৫ মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ দুই মামলায় সাবেক এমপি মমতাজের জামিন স্থগিত ১৬ দিনে ৪ দফা ‘পুশ-ইন’ চেষ্টা: ৬৪ জনকে ফেরত পাঠাল বিজিবি শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস ক্যালকুলেটরে হিসাব কষে ১৫ শতাংশ ঘুষ নিলেন পিআইও, ভিডিও ভাইরাল

বন্ধ-লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা পুনরুজ্জীবনে বিনিয়োগকারীদের সহায়তার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বন্ধ ও লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানাগুলো পুনরুজ্জীবিত করতে আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আপনারা এগিয়ে যান, সমৃদ্ধ হোন। আমরা আপনাদের সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা করব।’

শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আয়োজিত এক রোডশোতে ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ আশ্বাস দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মোস্তাফা জুলফিকার হাসান জানান, শিল্প মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বন্ধ ও অকার্যকর কারখানাগুলো পুনরুজ্জীবনে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করাই ছিল এ রোডশোর মূল উদ্দেশ্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি রাজনৈতিক সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পথ তৈরি করা।

তবে তিনি বলেন, একা সরকারের পক্ষে এ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। ‘বাস্তবতা হলো, আমরা একসঙ্গে সব সমস্যার সমাধান করতে পারব না। তবে ধীরে ধীরে এবং পরিকল্পিতভাবে সেগুলোর সমাধান করা সম্ভব,’ বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে হওয়া আলোচনা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই, আসুন, আমরা সবাই মিলে পরিবর্তন আনি।’

তিনি বলেন, ‘সমস্যা আছে, চ্যালেঞ্জও আছে। কিন্তু আমরা এটাও উপলব্ধি করেছি যে, সবাই একসঙ্গে কাজ করলে এসব বাধা অতিক্রম করা সম্ভব।’

অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী নেতা ও বিনিয়োগকারীদের সামনে ৪৪টি কারখানার বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

উপস্থাপনায় কারখানাগুলোর অবস্থান, বিদ্যমান অবকাঠামো, বিনিয়োগ প্রণোদনা, পরিবহন-সংযোগ এবং উৎপাদন সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।

পরে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন এবং প্রায় ৫০টি প্রশ্ন করেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেসব প্রশ্নের জবাব দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপির সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল

বন্ধ-লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা পুনরুজ্জীবনে বিনিয়োগকারীদের সহায়তার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৯:১০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বন্ধ ও লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানাগুলো পুনরুজ্জীবিত করতে আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আপনারা এগিয়ে যান, সমৃদ্ধ হোন। আমরা আপনাদের সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা করব।’

শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আয়োজিত এক রোডশোতে ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ আশ্বাস দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মোস্তাফা জুলফিকার হাসান জানান, শিল্প মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বন্ধ ও অকার্যকর কারখানাগুলো পুনরুজ্জীবনে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করাই ছিল এ রোডশোর মূল উদ্দেশ্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি রাজনৈতিক সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পথ তৈরি করা।

তবে তিনি বলেন, একা সরকারের পক্ষে এ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। ‘বাস্তবতা হলো, আমরা একসঙ্গে সব সমস্যার সমাধান করতে পারব না। তবে ধীরে ধীরে এবং পরিকল্পিতভাবে সেগুলোর সমাধান করা সম্ভব,’ বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে হওয়া আলোচনা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই, আসুন, আমরা সবাই মিলে পরিবর্তন আনি।’

তিনি বলেন, ‘সমস্যা আছে, চ্যালেঞ্জও আছে। কিন্তু আমরা এটাও উপলব্ধি করেছি যে, সবাই একসঙ্গে কাজ করলে এসব বাধা অতিক্রম করা সম্ভব।’

অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী নেতা ও বিনিয়োগকারীদের সামনে ৪৪টি কারখানার বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

উপস্থাপনায় কারখানাগুলোর অবস্থান, বিদ্যমান অবকাঠামো, বিনিয়োগ প্রণোদনা, পরিবহন-সংযোগ এবং উৎপাদন সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।

পরে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন এবং প্রায় ৫০টি প্রশ্ন করেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেসব প্রশ্নের জবাব দেন।