ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ফার্মের মুরগি’ এই ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছিল বলেই আপনি এখন শিক্ষামন্ত্রী কুসুম্বা মসজিদের দানবাক্সে মিলল পৌনে ১৩ লাখ টাকা ও স্বর্ণের চামচ দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী আমাকে ঋণখেলাপি বলে জাতির কাছে ছোট করা হয়েছে: সংসদে এমপি সারোয়ার ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড পাবে দেড় কোটির বেশি পরিবার উন্নত বাংলাদেশ গড়তে দক্ষ যুবসমাজ গড়ে তোলার বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি জুলাই শহীদদের স্মৃতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে: আমানউল্লাহ আমান যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘জলদস্যু’ রাষ্ট্রে পরিণত হবে: লুলা সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৩ দাবি শিক্ষার্থীদের ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষা নেওয়া হবে, আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর

ইংল্যান্ডের সাবেক কিংবদন্তি ক্রিকেটারের মৃত্যু

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

ইংল্যান্ডের এবং কাউন্টি ক্রিকেটের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক মাইক স্মিথ মারা গেছেন। তিনি রাগবি ইউনিয়নেও দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। সোমবার (১৮ মে) ওয়ারউইকশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মৃত্যুকাল তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান স্মিথ দেশের হয়ে ৫০টি টেস্ট খেলেছেন, যার মধ্যে ঠিক অর্ধেক ম্যাচে তিনি অধিনায়কত্ব করেছেন। তিনি ১৯৫৬ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ১৯ বছর ওয়ারউইকশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

১৯৫৮ সালে এজবাস্টনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের হয়ে তার অভিষেক হয় এবং ১৪ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে তিনি তিনটি শতক ও ১১টি অর্ধশতকসহ ২,২৭৮ রান করেন। ক্রিকেটে অবদানের জন্য ১৯৭৬ সালে তাকে ওবিই উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

তার মৃত্যুর খবরে এজবাস্টনে ওয়ারউইকশায়ার এবং গ্ল্যামারগানের মধ্যে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচ শুরুর আগে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা তাকে শ্রদ্ধা জানাতে সারিবদ্ধ হন। লেস্টারশায়ারে জন্মগ্রহণকারী এবং স্ট্যামফোর্ড স্কুলে শিক্ষিত স্মিথ ওয়ারউইকশায়ারে যোগ দেওয়ার আগে তার নিজ কাউন্টি এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করেন।

তিনি ১৯৫৭ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত বেয়ার্স দলের অধিনায়কত্ব করেন এবং কাউন্টি ক্যারিয়ারে ৬৩৭ ম্যাচে ৩৯,৮৩২ প্রথম-শ্রেণির রান করেন, যা সর্বকালের ১৮তম সর্বোচ্চ। স্মিথ এখনও ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে এক মৌসুমে সর্বাধিক রানের রেকর্ডটি ধরে রেখেছেন, তিনি ১৯৫৯ সালে ২,৪১৭ রান করে অর্জন করেন এবং ১৯৬০ সালে উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হন।

খেলোয়াড় হিসেবে অবসর গ্রহণের পরেও তিনি ওয়ারউইকশায়ারের চেয়ারম্যান এবং আইসিসি ম্যাচ রেফারি হিসেবে ক্রিকেটের সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি চারটি টেস্ট এবং ১৭টি ওয়ানডে ম্যাচের রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

একজন দ্বৈত আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় হিসেবে স্মিথ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং লেস্টারের হয়ে রাগবি ইউনিয়ন খেলেন এবং ১৯৫৬ সালের জানুয়ারিতে ওয়েলসের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের হয়ে একটি ক্যাপ অর্জন করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্পেনকে হারিয়ে ৮৮ বছরের রেকর্ড ছুঁতে চায় ফ্রান্স

ইংল্যান্ডের সাবেক কিংবদন্তি ক্রিকেটারের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৭:০৫:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

ইংল্যান্ডের এবং কাউন্টি ক্রিকেটের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক মাইক স্মিথ মারা গেছেন। তিনি রাগবি ইউনিয়নেও দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। সোমবার (১৮ মে) ওয়ারউইকশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মৃত্যুকাল তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান স্মিথ দেশের হয়ে ৫০টি টেস্ট খেলেছেন, যার মধ্যে ঠিক অর্ধেক ম্যাচে তিনি অধিনায়কত্ব করেছেন। তিনি ১৯৫৬ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ১৯ বছর ওয়ারউইকশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

১৯৫৮ সালে এজবাস্টনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের হয়ে তার অভিষেক হয় এবং ১৪ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে তিনি তিনটি শতক ও ১১টি অর্ধশতকসহ ২,২৭৮ রান করেন। ক্রিকেটে অবদানের জন্য ১৯৭৬ সালে তাকে ওবিই উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

তার মৃত্যুর খবরে এজবাস্টনে ওয়ারউইকশায়ার এবং গ্ল্যামারগানের মধ্যে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচ শুরুর আগে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা তাকে শ্রদ্ধা জানাতে সারিবদ্ধ হন। লেস্টারশায়ারে জন্মগ্রহণকারী এবং স্ট্যামফোর্ড স্কুলে শিক্ষিত স্মিথ ওয়ারউইকশায়ারে যোগ দেওয়ার আগে তার নিজ কাউন্টি এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করেন।

তিনি ১৯৫৭ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত বেয়ার্স দলের অধিনায়কত্ব করেন এবং কাউন্টি ক্যারিয়ারে ৬৩৭ ম্যাচে ৩৯,৮৩২ প্রথম-শ্রেণির রান করেন, যা সর্বকালের ১৮তম সর্বোচ্চ। স্মিথ এখনও ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে এক মৌসুমে সর্বাধিক রানের রেকর্ডটি ধরে রেখেছেন, তিনি ১৯৫৯ সালে ২,৪১৭ রান করে অর্জন করেন এবং ১৯৬০ সালে উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হন।

খেলোয়াড় হিসেবে অবসর গ্রহণের পরেও তিনি ওয়ারউইকশায়ারের চেয়ারম্যান এবং আইসিসি ম্যাচ রেফারি হিসেবে ক্রিকেটের সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি চারটি টেস্ট এবং ১৭টি ওয়ানডে ম্যাচের রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

একজন দ্বৈত আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় হিসেবে স্মিথ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং লেস্টারের হয়ে রাগবি ইউনিয়ন খেলেন এবং ১৯৫৬ সালের জানুয়ারিতে ওয়েলসের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের হয়ে একটি ক্যাপ অর্জন করেন।