ঢাকা ০৩:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী জয়পুরহাট সীমান্তে তিনজনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় পণ্ড মেয়েকে হত্যা করে বস্তাবন্দি করলেন বাবা-মা, নেপথ্যে ‘একাধিক ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক’ খুলনার তরুণীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, মেয়েকে হত্যার বর্ণনা দিলেন মা ইসরাইলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা যুক্তরাজ্যের হবু প্রধানমন্ত্রীর জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ইরানের দিকে ১ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র তাক করা আছে: ট্রাম্প ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মিয়ানমার ঢামেকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কেরানীগঞ্জে গ্যাসলাইনে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩

সংখ্যালঘু নির্যাতন সহ্য করব না, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছাড়ব: ধর্মমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশে কোনো সংখ্যালঘু বা অন্য ধর্মাবলম্বীর ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। তিনি বলেছেন, প্রয়োজন হলে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব, তবুও সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার মেনে নেব না।

সোমবার সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম-বিএসআরএফ আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসআরএফ সভাপতি মাসউদুল হক এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ভারত একটি বড় গণতান্ত্রিক দেশ। দেশটির গণতান্ত্রিক চর্চার প্রশংসা করলেও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‌‌‘আমি ভারতকে শ্রদ্ধা করি। তবে আরও বেশি শ্রদ্ধা করব, যদি তারা সংখ্যালঘুদের আপন করে নেয়, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং রাষ্ট্রের সমান নাগরিক হিসেবে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়।’

তিনি বলেন, ‘ভারতে যা-ই ঘটুক না কেন, তার প্রভাব বাংলাদেশে পড়তে দেওয়া হবে না। এখানে কোনো সংখ্যালঘু বা অন্য ধর্মাবলম্বীর ওপর জুলুম-নির্যাতন সহ্য করা হবে না। প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব, তবুও অন্যায় মেনে নেব না।’

পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগ নেবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

সংলাপে বিশ্ব ইজতেমাকে কেন্দ্র করে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের বিরোধ নিয়েও কথা বলেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি বলেন, মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি ইসলাম সমর্থন করে না। দুই পক্ষ ঐক্যবদ্ধ হলে সরকারও খুশি হবে। তবে এ সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকেই নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘কাউকে জোর করে একমত করানো যায় না। উদ্দেশ্য ভালো থাকলে সমাধান সম্ভব। আল্লাহ যেন তাদের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করেন এবং আগের মতো সুন্দর পরিবেশে দ্বীনের কাজ পরিচালনার সুযোগ দেন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডা. জুবাইদার স্মৃতিবিজড়িত হোস্টেলে প্রধানমন্ত্রী

সংখ্যালঘু নির্যাতন সহ্য করব না, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছাড়ব: ধর্মমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৫২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশে কোনো সংখ্যালঘু বা অন্য ধর্মাবলম্বীর ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। তিনি বলেছেন, প্রয়োজন হলে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব, তবুও সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার মেনে নেব না।

সোমবার সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম-বিএসআরএফ আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসআরএফ সভাপতি মাসউদুল হক এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ভারত একটি বড় গণতান্ত্রিক দেশ। দেশটির গণতান্ত্রিক চর্চার প্রশংসা করলেও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‌‌‘আমি ভারতকে শ্রদ্ধা করি। তবে আরও বেশি শ্রদ্ধা করব, যদি তারা সংখ্যালঘুদের আপন করে নেয়, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং রাষ্ট্রের সমান নাগরিক হিসেবে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়।’

তিনি বলেন, ‘ভারতে যা-ই ঘটুক না কেন, তার প্রভাব বাংলাদেশে পড়তে দেওয়া হবে না। এখানে কোনো সংখ্যালঘু বা অন্য ধর্মাবলম্বীর ওপর জুলুম-নির্যাতন সহ্য করা হবে না। প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব, তবুও অন্যায় মেনে নেব না।’

পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগ নেবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

সংলাপে বিশ্ব ইজতেমাকে কেন্দ্র করে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের বিরোধ নিয়েও কথা বলেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি বলেন, মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি ইসলাম সমর্থন করে না। দুই পক্ষ ঐক্যবদ্ধ হলে সরকারও খুশি হবে। তবে এ সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকেই নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘কাউকে জোর করে একমত করানো যায় না। উদ্দেশ্য ভালো থাকলে সমাধান সম্ভব। আল্লাহ যেন তাদের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করেন এবং আগের মতো সুন্দর পরিবেশে দ্বীনের কাজ পরিচালনার সুযোগ দেন।’