ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে একচুলও সরিনি: ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি মাদকের টাকা না পেয়ে মাকে খুন, বাবা-বোনকে ছুরিকাঘাত ওসমান হাদি হত্যার বিচার না হওয়া মানে জুলাই হেরে যাওয়া: মাসুমা হাদি রাজধানীতে ‘আবাসিক হোটেলে’ ফের অভিযান, নারীসহ আটক ৪ ‘বিগত দিনের দুর্নীতি জন্য বড় প্রকল্পে সহযোগিতা করতে আগ্রহী নয় বিদেশি দাতারা’:রবিউল আলম ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সংখ্যালঘু নির্যাতন সহ্য করব না, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছাড়ব: ধর্মমন্ত্রী অবৈধ অভিবাসনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর যোগ্যতার ভিত্তিতে নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দেওয়া দরকার : জুবাইদা রহমান হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সংখ্যালঘু নির্যাতন সহ্য করব না, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছাড়ব: ধর্মমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশে কোনো সংখ্যালঘু বা অন্য ধর্মাবলম্বীর ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। তিনি বলেছেন, প্রয়োজন হলে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব, তবুও সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার মেনে নেব না।

সোমবার সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম-বিএসআরএফ আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসআরএফ সভাপতি মাসউদুল হক এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ভারত একটি বড় গণতান্ত্রিক দেশ। দেশটির গণতান্ত্রিক চর্চার প্রশংসা করলেও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‌‌‘আমি ভারতকে শ্রদ্ধা করি। তবে আরও বেশি শ্রদ্ধা করব, যদি তারা সংখ্যালঘুদের আপন করে নেয়, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং রাষ্ট্রের সমান নাগরিক হিসেবে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়।’

তিনি বলেন, ‘ভারতে যা-ই ঘটুক না কেন, তার প্রভাব বাংলাদেশে পড়তে দেওয়া হবে না। এখানে কোনো সংখ্যালঘু বা অন্য ধর্মাবলম্বীর ওপর জুলুম-নির্যাতন সহ্য করা হবে না। প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব, তবুও অন্যায় মেনে নেব না।’

পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগ নেবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

সংলাপে বিশ্ব ইজতেমাকে কেন্দ্র করে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের বিরোধ নিয়েও কথা বলেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি বলেন, মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি ইসলাম সমর্থন করে না। দুই পক্ষ ঐক্যবদ্ধ হলে সরকারও খুশি হবে। তবে এ সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকেই নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘কাউকে জোর করে একমত করানো যায় না। উদ্দেশ্য ভালো থাকলে সমাধান সম্ভব। আল্লাহ যেন তাদের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করেন এবং আগের মতো সুন্দর পরিবেশে দ্বীনের কাজ পরিচালনার সুযোগ দেন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে একচুলও সরিনি: ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি

সংখ্যালঘু নির্যাতন সহ্য করব না, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছাড়ব: ধর্মমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৫২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশে কোনো সংখ্যালঘু বা অন্য ধর্মাবলম্বীর ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। তিনি বলেছেন, প্রয়োজন হলে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব, তবুও সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার মেনে নেব না।

সোমবার সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম-বিএসআরএফ আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসআরএফ সভাপতি মাসউদুল হক এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ভারত একটি বড় গণতান্ত্রিক দেশ। দেশটির গণতান্ত্রিক চর্চার প্রশংসা করলেও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‌‌‘আমি ভারতকে শ্রদ্ধা করি। তবে আরও বেশি শ্রদ্ধা করব, যদি তারা সংখ্যালঘুদের আপন করে নেয়, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং রাষ্ট্রের সমান নাগরিক হিসেবে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়।’

তিনি বলেন, ‘ভারতে যা-ই ঘটুক না কেন, তার প্রভাব বাংলাদেশে পড়তে দেওয়া হবে না। এখানে কোনো সংখ্যালঘু বা অন্য ধর্মাবলম্বীর ওপর জুলুম-নির্যাতন সহ্য করা হবে না। প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব, তবুও অন্যায় মেনে নেব না।’

পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগ নেবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

সংলাপে বিশ্ব ইজতেমাকে কেন্দ্র করে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের বিরোধ নিয়েও কথা বলেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি বলেন, মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি ইসলাম সমর্থন করে না। দুই পক্ষ ঐক্যবদ্ধ হলে সরকারও খুশি হবে। তবে এ সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকেই নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘কাউকে জোর করে একমত করানো যায় না। উদ্দেশ্য ভালো থাকলে সমাধান সম্ভব। আল্লাহ যেন তাদের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করেন এবং আগের মতো সুন্দর পরিবেশে দ্বীনের কাজ পরিচালনার সুযোগ দেন।’