ঢাকা ০৮:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লাইফ সাপোর্টে অভিনেতা আতাউর রহমান বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে একচুলও সরিনি: ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি মাদকের টাকা না পেয়ে মাকে খুন, বাবা-বোনকে ছুরিকাঘাত ওসমান হাদি হত্যার বিচার না হওয়া মানে জুলাই হেরে যাওয়া: মাসুমা হাদি রাজধানীতে ‘আবাসিক হোটেলে’ ফের অভিযান, নারীসহ আটক ৪ ‘বিগত দিনের দুর্নীতি জন্য বড় প্রকল্পে সহযোগিতা করতে আগ্রহী নয় বিদেশি দাতারা’:রবিউল আলম ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সংখ্যালঘু নির্যাতন সহ্য করব না, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছাড়ব: ধর্মমন্ত্রী অবৈধ অভিবাসনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

রাজধানীতে ‘আবাসিক হোটেলে’ ফের অভিযান, নারীসহ আটক ৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজধানীর ডেমরায় প্রিয়তমা আবাসিক হোটেলে ফের অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে নারীসহ ৪ জনকে আটক করেছে ডেমরা থানা পুলিশ।

সোমবার (১১ মে) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মিরপাড়া মোড়ে অবস্থিত ওই আবাসিক হোটেলের ২০২ ও ২০৪ নম্বর কক্ষ থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁও বারদী এলাকার মৃত দাইয়ানের ছেলে মো. রকি (২৭), একই থানার আনন্দবাজার এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. শান্ত (২৬), ঢাকা কদমতলী জুরাইন এলাকার মৃত শরিফের মেয়ে জান্নাত (১৯), ও ঢাকা খিলগাঁও মাদারটেক রেলগেট এলাকার আবুল হাশেমের মেয়ে মীম আক্তার (২৭)।

এ বিষয়ে ডেমরা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃতদের সোমবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ডেমরা থানার ওসি তাইফুর রহমান মির্জা বলেন, প্রিয়তমা আবাসিক হোটেলে গত কয়েক বছর ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ। এর আগেও বেশ কয়েকবার ওই হোটেলে পুলিশের একাধিক অভিযানে কয়েকজনকে গ্ৰেফতার করা হয়েছে। ওই হোটেলের বিরুদ্ধে ডেমরা থানায় মামলাও করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ওই হোটেলের ২টি কক্ষ থেকে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, এই হোটেলে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিল। ডেমরা থানার পাশেই এই হোটেলে অবৈধ কাজ করে আসছিলেন তারা। এখানে মাদক ও জুয়ার আসর বসে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে ডেমরার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, এ আবাসিক হোটেলের কারণে সামাজিক অবক্ষয় ক্রমেই বাড়ছে। নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে মাদকাসক্ত তরুণরাও। এছাড়াও যুবক ও বয়স্ক লোকরাও থেমে নেই। এতে করে ডেমরা থানা এলাকার অনেক পরিবারে কলহ লেগেই থাকে। কিছুদিন পর পর পুলিশের অভিযান চললেও পরে আবার হোটেল কর্তৃপক্ষরা অসামাজিক কাজ শুরু করে। দুঃখের বিষয় হলো স্থায়ীভাবে এই হোটেলটি বন্ধ করছে না প্রশাসন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাইফ সাপোর্টে অভিনেতা আতাউর রহমান

রাজধানীতে ‘আবাসিক হোটেলে’ ফের অভিযান, নারীসহ আটক ৪

আপডেট সময় ০৬:৪৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজধানীর ডেমরায় প্রিয়তমা আবাসিক হোটেলে ফের অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে নারীসহ ৪ জনকে আটক করেছে ডেমরা থানা পুলিশ।

সোমবার (১১ মে) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মিরপাড়া মোড়ে অবস্থিত ওই আবাসিক হোটেলের ২০২ ও ২০৪ নম্বর কক্ষ থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁও বারদী এলাকার মৃত দাইয়ানের ছেলে মো. রকি (২৭), একই থানার আনন্দবাজার এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. শান্ত (২৬), ঢাকা কদমতলী জুরাইন এলাকার মৃত শরিফের মেয়ে জান্নাত (১৯), ও ঢাকা খিলগাঁও মাদারটেক রেলগেট এলাকার আবুল হাশেমের মেয়ে মীম আক্তার (২৭)।

এ বিষয়ে ডেমরা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃতদের সোমবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ডেমরা থানার ওসি তাইফুর রহমান মির্জা বলেন, প্রিয়তমা আবাসিক হোটেলে গত কয়েক বছর ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ। এর আগেও বেশ কয়েকবার ওই হোটেলে পুলিশের একাধিক অভিযানে কয়েকজনকে গ্ৰেফতার করা হয়েছে। ওই হোটেলের বিরুদ্ধে ডেমরা থানায় মামলাও করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ওই হোটেলের ২টি কক্ষ থেকে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, এই হোটেলে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিল। ডেমরা থানার পাশেই এই হোটেলে অবৈধ কাজ করে আসছিলেন তারা। এখানে মাদক ও জুয়ার আসর বসে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে ডেমরার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, এ আবাসিক হোটেলের কারণে সামাজিক অবক্ষয় ক্রমেই বাড়ছে। নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে মাদকাসক্ত তরুণরাও। এছাড়াও যুবক ও বয়স্ক লোকরাও থেমে নেই। এতে করে ডেমরা থানা এলাকার অনেক পরিবারে কলহ লেগেই থাকে। কিছুদিন পর পর পুলিশের অভিযান চললেও পরে আবার হোটেল কর্তৃপক্ষরা অসামাজিক কাজ শুরু করে। দুঃখের বিষয় হলো স্থায়ীভাবে এই হোটেলটি বন্ধ করছে না প্রশাসন।