ঢাকা ০৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজায় ‘গণহত্যা’ বন্ধে ইইউ’র প্রতি যে আহ্বান জানালো স্পেন-স্লোভেনিয়া দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ফলে দেশ ফ্যাসিস্টমুক্ত হয়েছে: দুদু সৌদির আকাশপথ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, বাধ্য হয়ে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত করেন ট্রাম্প তদবিরেও ছাড় মিলবে না চাঁদাবাজদের, কঠোর অবস্থানে ডিএমপি শাপলা চত্বর গণহত্যার তথ্য লুকানোর অভিযোগে দীপু মনিসহ অন্যদের জিজ্ঞাসাবাদের সিদ্ধান্ত:চিফ প্রসিকিউটর পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সশস্ত্র বাহিনী প্রত্যাহার করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে দেশে ৫৬ লাখ কর্মসংস্থান হারিয়ে যেতে পারে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের: শিক্ষামন্ত্রী পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে শিশুকে হত্যা ধর্ষণে শিশু অন্তঃসত্ত্বা : অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক ৩ দিনের রিমান্ডে

হামের টিকাদান কর্মসূচিতে অগ্রগতি ৮১ শতাংশ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচিতে এরইমধ্যে ৮১ শতাংশ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। দ্রুত শতভাগ কভারেজ নিশ্চিতের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। একইসঙ্গে ভেজাল ওষুধ ও অপচিকিৎসা রোধে সারা দেশে মোবাইল টিমের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

রবিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সেশন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার বিষয় উঠে এসেছে। সেগুলো মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিগত সময়ে অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত অনেক হাসপাতাল ভবন এখনো অসমাপ্ত বা অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। এসব স্থাপনা দ্রুত চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধে গুরুত্ব দিতে হবে। এছাড়া, অ্যাম্বুলেন্স সংকট, হাসপাতালে ওষুধের ঘাটতি, ভেজাল ওষুধ বিক্রি এবং চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির মতো সমস্যাগুলোও আলোচনায় উঠে এসেছে।

স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় ভূমিকা কামনা করে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, অবৈধ ও অপরিকল্পিত ক্লিনিকগুলোতে মোবাইল টিমের মাধ্যমে নজরদারি বাড়াতে হবে, যাতে অপচিকিৎসা ও রোগী হয়রানি বন্ধ করা যায়। একইসঙ্গে ডিসপেনসারিতে ভেজাল ওষুধ বিক্রি রোধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, মাতৃস্বাস্থ্য ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করতে ব্রেস্টফিডিং বা মাতৃদুগ্ধ পান বাড়ানোর বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। ইউনিয়ন পর্যায়ে এ বিষয়ে কাউন্সেলিং কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জলাতঙ্ক প্রতিরোধে অ্যান্টি-রেবিস ভ্যাকসিন এবং সাপের কামড়ের চিকিৎসায় অ্যান্টিভেনমের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

হাম প্রতিরোধে চলমান টিকাদান কর্মসূচির অগ্রগতি সন্তোষজনক বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, এরইমধ্যে প্রায় ৮১ শতাংশ লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। দ্রুত ১০০ শতাংশ কভারেজ নিশ্চিত করা হবে। বর্তমানে হাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং মৃত্যুহারও কমেছে।

নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনসার সদস্য মোতায়েনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন প্লাটুন কমান্ডারসহ ১০ জন করে আনসার সদস্য দেওয়া হবে, যা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় ‘গণহত্যা’ বন্ধে ইইউ’র প্রতি যে আহ্বান জানালো স্পেন-স্লোভেনিয়া

হামের টিকাদান কর্মসূচিতে অগ্রগতি ৮১ শতাংশ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৫০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচিতে এরইমধ্যে ৮১ শতাংশ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। দ্রুত শতভাগ কভারেজ নিশ্চিতের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। একইসঙ্গে ভেজাল ওষুধ ও অপচিকিৎসা রোধে সারা দেশে মোবাইল টিমের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

রবিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সেশন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার বিষয় উঠে এসেছে। সেগুলো মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিগত সময়ে অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত অনেক হাসপাতাল ভবন এখনো অসমাপ্ত বা অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। এসব স্থাপনা দ্রুত চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধে গুরুত্ব দিতে হবে। এছাড়া, অ্যাম্বুলেন্স সংকট, হাসপাতালে ওষুধের ঘাটতি, ভেজাল ওষুধ বিক্রি এবং চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির মতো সমস্যাগুলোও আলোচনায় উঠে এসেছে।

স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় ভূমিকা কামনা করে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, অবৈধ ও অপরিকল্পিত ক্লিনিকগুলোতে মোবাইল টিমের মাধ্যমে নজরদারি বাড়াতে হবে, যাতে অপচিকিৎসা ও রোগী হয়রানি বন্ধ করা যায়। একইসঙ্গে ডিসপেনসারিতে ভেজাল ওষুধ বিক্রি রোধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, মাতৃস্বাস্থ্য ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করতে ব্রেস্টফিডিং বা মাতৃদুগ্ধ পান বাড়ানোর বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। ইউনিয়ন পর্যায়ে এ বিষয়ে কাউন্সেলিং কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জলাতঙ্ক প্রতিরোধে অ্যান্টি-রেবিস ভ্যাকসিন এবং সাপের কামড়ের চিকিৎসায় অ্যান্টিভেনমের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

হাম প্রতিরোধে চলমান টিকাদান কর্মসূচির অগ্রগতি সন্তোষজনক বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, এরইমধ্যে প্রায় ৮১ শতাংশ লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। দ্রুত ১০০ শতাংশ কভারেজ নিশ্চিত করা হবে। বর্তমানে হাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং মৃত্যুহারও কমেছে।

নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনসার সদস্য মোতায়েনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন প্লাটুন কমান্ডারসহ ১০ জন করে আনসার সদস্য দেওয়া হবে, যা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।